সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

বহিরাগত হয়ে সুবিধা পেয়েছি: আনুশকা

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:১৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৩২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

‘রব নে বনা দি জোড়ি’-তে শাহরুখ খানের বিপরীতে স্বপ্নের অভিষেক হয়েছিল তার। কিন্তু বলিউডে তার ৮ বছরের সফরে চড়াইয়ের পাশাপাশি রয়ে গেছে অনেক উতরাইও। তবে অানুশকা শর্মা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানাচ্ছেন, ফিল্মি পরিবার থেকে না আসা শাপে বর হয়েছে তার ক্ষেত্রে। ফলে তার ওপর এমন কোনও ব্যাগেজ ছিল না, যে অমুকের মত কাজ করতে হবে। মন ফাঁকা রেখে, খোলামেলাভাবে কাজ করতে পেরেছেন তিনি।

‘রব নে বনা দি জোড়ি’ হিট করলেও ‘বদমাশ কোম্পানি’, ‘পাতিয়ালা হাউস’, ‘বম্বে ভেলভেট’-একের পর এক ফ্লপ। ‘মাতরু কি বিজলি কা মনডোলা’-ও চলেনি। কিন্তু অন্যদিকে ‘জব তক হ্যায় জান’, ‘পিকে’ ও ‘এনএইচ টেন’-এ সাফল্যের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। ‘এনএইচ টেন’ প্রযোজক হিসেবেও সুদৃঢ় করেছে তাঁর পায়ের তলার মাটি। তারপর ‘সুলতান’ আর ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’-এর সাফল্যে বলিউডে প্রথম সারির নায়িকাদের মধ্যে নিজের জায়গা পাকা করেছেন আনুশকা।

আনুশকা মনে করেন, সব কিছুর আগে এটা বোঝা জরুরি, সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতাও আছে। দুয়ের মাঝের রাস্তা ধরে হাঁটাটাই শ্রেয়।

তবে তার ধারণা, মহিলা শিল্পীদের পক্ষে ঝুঁকি নেওয়ার এটাই আদর্শ সময়। ‘এনএইচ টেন’ তিনি প্রযোজনা করেছেন, কারণ তার মনে হয়েছিল, এমন একটা গল্প বলা দরকার। শিল্পী হিসেবে এমন ছবিতে কাজ না করার ইচ্ছে হওয়া স্বাভাবিক, টাকা ঢালা তো দূরের কথা। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি হওয়া সত্ত্বেও ছবিটি ভাল চলেছে। আর একটা ছবি কেমন চলছে তা নির্ভর করছে ছবির বিষয়বস্তুর ওপর।

তারকারা সব সময় তাদের সৌন্দর্য আর ফ্যাশন সেন্সের জন্য মিডিয়ার নজরে থাকেন। কিন্তু আনুশকা কাছে সৌন্দর্য মানে স্বচ্ছন্দ হতে পারা। তিনি মনে করেন, একজনকে তখনই সুন্দর লাগে, যখন তিনি তার পোশাকে স্বচ্ছন্দ। প্রত্যেকের নিজস্ব একটি স্টাইল আছে, যা তাঁকে বিশেষ করে তোলে। নিজের সেই অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা বুঝতে পারাটাই আসল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

বহিরাগত হয়ে সুবিধা পেয়েছি: আনুশকা

আপডেট সময় : ০১:২৪:১৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

‘রব নে বনা দি জোড়ি’-তে শাহরুখ খানের বিপরীতে স্বপ্নের অভিষেক হয়েছিল তার। কিন্তু বলিউডে তার ৮ বছরের সফরে চড়াইয়ের পাশাপাশি রয়ে গেছে অনেক উতরাইও। তবে অানুশকা শর্মা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানাচ্ছেন, ফিল্মি পরিবার থেকে না আসা শাপে বর হয়েছে তার ক্ষেত্রে। ফলে তার ওপর এমন কোনও ব্যাগেজ ছিল না, যে অমুকের মত কাজ করতে হবে। মন ফাঁকা রেখে, খোলামেলাভাবে কাজ করতে পেরেছেন তিনি।

‘রব নে বনা দি জোড়ি’ হিট করলেও ‘বদমাশ কোম্পানি’, ‘পাতিয়ালা হাউস’, ‘বম্বে ভেলভেট’-একের পর এক ফ্লপ। ‘মাতরু কি বিজলি কা মনডোলা’-ও চলেনি। কিন্তু অন্যদিকে ‘জব তক হ্যায় জান’, ‘পিকে’ ও ‘এনএইচ টেন’-এ সাফল্যের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। ‘এনএইচ টেন’ প্রযোজক হিসেবেও সুদৃঢ় করেছে তাঁর পায়ের তলার মাটি। তারপর ‘সুলতান’ আর ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’-এর সাফল্যে বলিউডে প্রথম সারির নায়িকাদের মধ্যে নিজের জায়গা পাকা করেছেন আনুশকা।

আনুশকা মনে করেন, সব কিছুর আগে এটা বোঝা জরুরি, সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতাও আছে। দুয়ের মাঝের রাস্তা ধরে হাঁটাটাই শ্রেয়।

তবে তার ধারণা, মহিলা শিল্পীদের পক্ষে ঝুঁকি নেওয়ার এটাই আদর্শ সময়। ‘এনএইচ টেন’ তিনি প্রযোজনা করেছেন, কারণ তার মনে হয়েছিল, এমন একটা গল্প বলা দরকার। শিল্পী হিসেবে এমন ছবিতে কাজ না করার ইচ্ছে হওয়া স্বাভাবিক, টাকা ঢালা তো দূরের কথা। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি হওয়া সত্ত্বেও ছবিটি ভাল চলেছে। আর একটা ছবি কেমন চলছে তা নির্ভর করছে ছবির বিষয়বস্তুর ওপর।

তারকারা সব সময় তাদের সৌন্দর্য আর ফ্যাশন সেন্সের জন্য মিডিয়ার নজরে থাকেন। কিন্তু আনুশকা কাছে সৌন্দর্য মানে স্বচ্ছন্দ হতে পারা। তিনি মনে করেন, একজনকে তখনই সুন্দর লাগে, যখন তিনি তার পোশাকে স্বচ্ছন্দ। প্রত্যেকের নিজস্ব একটি স্টাইল আছে, যা তাঁকে বিশেষ করে তোলে। নিজের সেই অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা বুঝতে পারাটাই আসল।