মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

চুয়াডাঙ্গায় মাছের আড়ৎদার ও ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ !

  • আপডেট সময় : ০৬:০২:২৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭
  • ৮১০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় মাছ ব্যবসায়ী ও ফড়িয়াদের পাল্টা পাল্টি অভিযোগের পর এবার দু’পক্ষের আলাদা আলাদা সিদ্ধান্তে আজ থেকে মাছ পাবে চুয়াডাঙ্গাবাসী। তবে ক্রেতাদের মাছ কিনতে এবার রেল বাজার সংলগ্ন মাছ পট্টির আড়ৎ গুলোতে আসলেই হবে। সেখানে আড়ৎমালিকদের সিদ্ধান্তে সরাসরি ক্রেতাদের কাছে কোনো কমিশন ছাড়াই খুচরা মাছ বিক্রয় করবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতি। অন্যদিকে কমিশন দিতে নারাজ ফড়িয়ারা এবার সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে মাছ কিনে বাজারে বিক্রি করবে বলে জানা গেছে।     গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা মাছের আড়ৎপট্টি ও মাছ বাজার গুলো ঘুরে দেখা যায় মাছ শুন্য বাজার। সারাদিন আড়ৎ কি বা মাছ বাজার কোথাও মাছ বিক্রি হয়নি। ফলে মাছ ছাড়াই বাজার থেকে বাড়ি ফিরতে হয় ক্রেতাদের। বাজারে এসে ক্রেতারা মাছ কিনতে না পেরে বিমুখ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। কারণ হিসেবে জানা গেছে চুয়াডাঙ্গার খুচরা বিক্রেতা (ফড়িয়া) মৎস্য ব্যবসায়ীরা আড়ৎ থেকে মাছ কেনার সময় প্রতি কেজিতে ২টাকা হারে অতিরিক্ত কমিশন নেওয়ার প্রতিবাদে খুচরা মাস ব্যবসায়ীরা এই আন্দোলন করছে। তারা সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।     এদিকে জেলা মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দও খুচরা (ফড়িয়া) মৎস্য ব্যবসায়ীদের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারাও জেলা প্রশাসক বরাবর পাল্টা স্মারকলিপি প্রদান করে। গত মঙ্গলবার সকালে মাছ পট্টিতে খুচরা (ফড়িয়া) ব্যবসায়ীরা মাছ কিনতে গেলে আড়ৎদারদের সাথে কেজিতে ১টাকা অতিরিক্ত ২ টাকা কমিশন নেয়াকে কেন্দ্র করে গোলযোগের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে তারা আড়ৎ থেকে মাছ না কিনে চুয়াডাঙ্গা নিচের বাজারের মাছ শেডে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। সেখান থেকে জমায়েত হয়ে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ পত্র প্রদান করে।        মৎস্য আড়ৎদারদের অনেকে জানান, সামনে ১লা বৈশাখ আড়ৎদারদের মাছের বকেয়া আদায়ের সময় এসেছে আর এসময় আড়ৎদার ও খুচরা বিক্রেতাদের সাথে দন্দ হওয়ায় আড়ৎদাররা  অভিযোগ করছে খুচরা  বিক্রেতারা এই আন্দোলন তাদের বকেয়া না দেওয়ার পায়তারা করছে। খুচরা বিক্রেতাদের আন্দোলনের প্রতিবাদে গতকাল বিকাল চারটার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে জেলা শহরের মৎস্য আড়ৎদাররা।     গতকাল বুধবার দিনব্যাপী নানা আলোচনা সমালোচনার পর উভয় পক্ষ পৃথক পৃথক ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মৎস্য আড়ৎদাররা এক বক্তব্যে বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গাবাসী চাহিদা মোতাবেক ন্যায্যমূল্যে কোনো প্রকার কমিশন ছাড়াই মাছ কিনতে পারবে। তার জন্য তাদের নিচের বাজার বা রেল বাজারে যেতে হবে না। ক্রেতারা সরাসরি রেল স্টেশন সংলগ্ন মাছের আড়ৎ থেকেই মাছ কিনতে পারবে। অন্যদিকে বড় বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ জানায়, তারাও আজ থেকে স্বাভাবিক ভাবেই মাছ বিক্রি শুরু করবে। চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারসহ আশ পাশ এলাকার সমস্ত বাজারেই মাছ আমদানী শুরু করবে তারা। তবে আড়ৎ থেকে অতিরিক্ত কমিশন দিয়ে মাছ কিনে নিয়ে এসে বিক্রি করবে না তারা। এখন সরাসরি বিভিন্ন খাল-বিল, নদ-নদী, চাষীদের পুকুর থেকে মাছ কিনে বিক্রি করবে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

চুয়াডাঙ্গায় মাছের আড়ৎদার ও ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ !

আপডেট সময় : ০৬:০২:২৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় মাছ ব্যবসায়ী ও ফড়িয়াদের পাল্টা পাল্টি অভিযোগের পর এবার দু’পক্ষের আলাদা আলাদা সিদ্ধান্তে আজ থেকে মাছ পাবে চুয়াডাঙ্গাবাসী। তবে ক্রেতাদের মাছ কিনতে এবার রেল বাজার সংলগ্ন মাছ পট্টির আড়ৎ গুলোতে আসলেই হবে। সেখানে আড়ৎমালিকদের সিদ্ধান্তে সরাসরি ক্রেতাদের কাছে কোনো কমিশন ছাড়াই খুচরা মাছ বিক্রয় করবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতি। অন্যদিকে কমিশন দিতে নারাজ ফড়িয়ারা এবার সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে মাছ কিনে বাজারে বিক্রি করবে বলে জানা গেছে।     গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা মাছের আড়ৎপট্টি ও মাছ বাজার গুলো ঘুরে দেখা যায় মাছ শুন্য বাজার। সারাদিন আড়ৎ কি বা মাছ বাজার কোথাও মাছ বিক্রি হয়নি। ফলে মাছ ছাড়াই বাজার থেকে বাড়ি ফিরতে হয় ক্রেতাদের। বাজারে এসে ক্রেতারা মাছ কিনতে না পেরে বিমুখ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। কারণ হিসেবে জানা গেছে চুয়াডাঙ্গার খুচরা বিক্রেতা (ফড়িয়া) মৎস্য ব্যবসায়ীরা আড়ৎ থেকে মাছ কেনার সময় প্রতি কেজিতে ২টাকা হারে অতিরিক্ত কমিশন নেওয়ার প্রতিবাদে খুচরা মাস ব্যবসায়ীরা এই আন্দোলন করছে। তারা সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।     এদিকে জেলা মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দও খুচরা (ফড়িয়া) মৎস্য ব্যবসায়ীদের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারাও জেলা প্রশাসক বরাবর পাল্টা স্মারকলিপি প্রদান করে। গত মঙ্গলবার সকালে মাছ পট্টিতে খুচরা (ফড়িয়া) ব্যবসায়ীরা মাছ কিনতে গেলে আড়ৎদারদের সাথে কেজিতে ১টাকা অতিরিক্ত ২ টাকা কমিশন নেয়াকে কেন্দ্র করে গোলযোগের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে তারা আড়ৎ থেকে মাছ না কিনে চুয়াডাঙ্গা নিচের বাজারের মাছ শেডে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। সেখান থেকে জমায়েত হয়ে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ পত্র প্রদান করে।        মৎস্য আড়ৎদারদের অনেকে জানান, সামনে ১লা বৈশাখ আড়ৎদারদের মাছের বকেয়া আদায়ের সময় এসেছে আর এসময় আড়ৎদার ও খুচরা বিক্রেতাদের সাথে দন্দ হওয়ায় আড়ৎদাররা  অভিযোগ করছে খুচরা  বিক্রেতারা এই আন্দোলন তাদের বকেয়া না দেওয়ার পায়তারা করছে। খুচরা বিক্রেতাদের আন্দোলনের প্রতিবাদে গতকাল বিকাল চারটার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে জেলা শহরের মৎস্য আড়ৎদাররা।     গতকাল বুধবার দিনব্যাপী নানা আলোচনা সমালোচনার পর উভয় পক্ষ পৃথক পৃথক ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মৎস্য আড়ৎদাররা এক বক্তব্যে বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গাবাসী চাহিদা মোতাবেক ন্যায্যমূল্যে কোনো প্রকার কমিশন ছাড়াই মাছ কিনতে পারবে। তার জন্য তাদের নিচের বাজার বা রেল বাজারে যেতে হবে না। ক্রেতারা সরাসরি রেল স্টেশন সংলগ্ন মাছের আড়ৎ থেকেই মাছ কিনতে পারবে। অন্যদিকে বড় বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ জানায়, তারাও আজ থেকে স্বাভাবিক ভাবেই মাছ বিক্রি শুরু করবে। চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারসহ আশ পাশ এলাকার সমস্ত বাজারেই মাছ আমদানী শুরু করবে তারা। তবে আড়ৎ থেকে অতিরিক্ত কমিশন দিয়ে মাছ কিনে নিয়ে এসে বিক্রি করবে না তারা। এখন সরাসরি বিভিন্ন খাল-বিল, নদ-নদী, চাষীদের পুকুর থেকে মাছ কিনে বিক্রি করবে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা।