শিরোনাম :
Logo ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি Logo খুবিতে প্রথম আলো বন্ধুসভা ও খুবিসাস আয়োজিত কর্মশালা Logo কচুয়ার পূর্ব বিতারা জামালিয়া নূরানী হাফেজিয়া মাদরাসায় ছাত্রদের সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল Logo গুম হওয়া শিক্ষার্থীদের খোঁজে ইবিতে মানববন্ধন Logo হাজীগঞ্জ রাজারগাঁও সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ Logo নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ Logo ইবিতে এম.ফিল, পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন Logo জেলা বিএনপির সভাপতির নামে মিথ্য গুজব ছড়ানের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল। Logo ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে :হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান Logo সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রফিকের  উপকূলীয় অঞ্চলে সংকট সমাধানে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

উত্তম কুমারের শেষ যে ইচ্ছা পূরণ করতে পারেননি সুচিত্রা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ৭৩৩ বার পড়া হয়েছে
উত্তর কুমার, বাংলা তথা ভারতের অন্যতম সেরা অভিনেতা। তিনি মহানায়ক। হাজার হাজার নারী ভক্তের মনে ছিল যার বাস। আজও পর্দায় তিনি থাকা মানেই নারীদের মন পলকে জয় করে নিয়ে থাকেন। সেই উত্তম কুমারকে নিয়ে আজও চর্চা তুঙ্গে। তার স্টাইল, তার ব্যক্তিজীবন, তার অভিনয় ভঙ্গি সবটাই দর্শকেরা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেন।

পর্দায় যেসব অভিনেত্রীদের সঙ্গে তার সমীকরণ তৈরি হয়েছিল, সবার মনেই বিশেষ ছাপ ফেলে গিয়েছিলেন তিনি। তবে যে জুটি যুগের পর যুগ দর্শক মনে রাজত্ব করে চলেছেন, সেই জুটি হলেন উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন। এই জুটির মধ্যে থাকা সম্পর্ক নিয়ে একাধিকবার জল্পনা তুঙ্গে উঠতে দেখা যায়। কেউ কেউ ছড়িয়েছিলেন পরকীয়ার গুজব কেউ কেউ ছড়িয়েছিলেন তাদের মধ্যে সম্পর্কের খবরও। তবে এই প্রসঙ্গে জল্পনা যতই হোক না কেন, দুই স্টারকে পর্দায় একসঙ্গে দেখার আবেদন বারবার করেছেন ভক্তরা।

উত্তম কুমার, হঠাৎই মাঝ পথে থেমে গিয়েছিল তার পথচলা। হঠাৎ শরীর খারাপ হয়ে যায় উত্তম কুমারের। শুটিং সেট থেকেই তিনি অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। শেষ সময় জানিয়েছিলেন সুচিত্রা সেনকে একবার চোখের দেখা দেখতে চান। তেমনটা জানানোও হয়েছিলেন অভিনেত্রীকে।

উত্তম কুমার যখন মৃত্যুশয্যায়, এমন সময় তিনি সুচিত্রাকে একবার দেখবেন বলে ইচ্ছাপোষণ করেন। যদিও সেই ফোনের খুব একটা ফল মেলেনি। কারণ একটাই, সুচিত্রা সেন সময় করে উঠতে পারেননি। যথা সময়ে উত্তম কুমারের কাছে যেতে পারেননি তিনি। শুটিং শিডিউলে তিনি এতটাই ছিলেন ব্যস্ত। তার সাতদিন পরই উত্তম কুমারের প্রয়াণ ঘটে। শেষ ইচ্ছে অপূর্ণই থেকে যায়।

উত্তম কুমার চলে যাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই নিজেকে আড়াল করেন সুচিত্রা সেন। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন সবার থেকে। কাছের মানুষ ছাড়া আর কারো সঙ্গেই দেখা করতেন না তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

উত্তম কুমারের শেষ যে ইচ্ছা পূরণ করতে পারেননি সুচিত্রা

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
উত্তর কুমার, বাংলা তথা ভারতের অন্যতম সেরা অভিনেতা। তিনি মহানায়ক। হাজার হাজার নারী ভক্তের মনে ছিল যার বাস। আজও পর্দায় তিনি থাকা মানেই নারীদের মন পলকে জয় করে নিয়ে থাকেন। সেই উত্তম কুমারকে নিয়ে আজও চর্চা তুঙ্গে। তার স্টাইল, তার ব্যক্তিজীবন, তার অভিনয় ভঙ্গি সবটাই দর্শকেরা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেন।

পর্দায় যেসব অভিনেত্রীদের সঙ্গে তার সমীকরণ তৈরি হয়েছিল, সবার মনেই বিশেষ ছাপ ফেলে গিয়েছিলেন তিনি। তবে যে জুটি যুগের পর যুগ দর্শক মনে রাজত্ব করে চলেছেন, সেই জুটি হলেন উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন। এই জুটির মধ্যে থাকা সম্পর্ক নিয়ে একাধিকবার জল্পনা তুঙ্গে উঠতে দেখা যায়। কেউ কেউ ছড়িয়েছিলেন পরকীয়ার গুজব কেউ কেউ ছড়িয়েছিলেন তাদের মধ্যে সম্পর্কের খবরও। তবে এই প্রসঙ্গে জল্পনা যতই হোক না কেন, দুই স্টারকে পর্দায় একসঙ্গে দেখার আবেদন বারবার করেছেন ভক্তরা।

উত্তম কুমার, হঠাৎই মাঝ পথে থেমে গিয়েছিল তার পথচলা। হঠাৎ শরীর খারাপ হয়ে যায় উত্তম কুমারের। শুটিং সেট থেকেই তিনি অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। শেষ সময় জানিয়েছিলেন সুচিত্রা সেনকে একবার চোখের দেখা দেখতে চান। তেমনটা জানানোও হয়েছিলেন অভিনেত্রীকে।

উত্তম কুমার যখন মৃত্যুশয্যায়, এমন সময় তিনি সুচিত্রাকে একবার দেখবেন বলে ইচ্ছাপোষণ করেন। যদিও সেই ফোনের খুব একটা ফল মেলেনি। কারণ একটাই, সুচিত্রা সেন সময় করে উঠতে পারেননি। যথা সময়ে উত্তম কুমারের কাছে যেতে পারেননি তিনি। শুটিং শিডিউলে তিনি এতটাই ছিলেন ব্যস্ত। তার সাতদিন পরই উত্তম কুমারের প্রয়াণ ঘটে। শেষ ইচ্ছে অপূর্ণই থেকে যায়।

উত্তম কুমার চলে যাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই নিজেকে আড়াল করেন সুচিত্রা সেন। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন সবার থেকে। কাছের মানুষ ছাড়া আর কারো সঙ্গেই দেখা করতেন না তিনি।