সোমবার | ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার Logo নোবিপ্রবিতে কোটি টাকার প্রকল্পে ছাত্রদল নেতাদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ Logo পলাশবাড়ী উপজেলায় ৭১ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অতিগুরুত্বপুর্ন ১১ টি ও সাধারণ ৬০ টি ভোট কেন্দ্র নির্দ্ধারন Logo বাঁধন খুলনা জোনের বার্ষিক সাধারণ সভা: নতুন নেতৃত্বে শরিফুল ও আতিকুল Logo খুবিতে কয়রা ম্যানগ্রোভ ফ্যামিলির নেতৃত্বে আরেফিন–সাবির Logo মির্জাপুরে চিত্রনায়ক ডি এ তায়েবের মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo বীরগঞ্জে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত Logo অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য করতে সকল গণমাধ্যম কর্মীদের  সহযোগিতা চাইলেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার  Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে চাঁদপুরে জেলা জুয়েলার্স সমিতির অভিষেক ও ফ্যামিলি ডে অনুষ্ঠিত Logo পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন চাঁদপুর জেলা কারাগারের ২ নারীসহ ৩৩ কয়েদি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:০৪ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • ৮৬৯ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (২১ মার্চ) বিদ্রোহী হলের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করা যাবে না এবং দলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট ও প্রতিবাদের সূত্রপাত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, “ভারত-সমর্থিত একটি ‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগ গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে।”

এই পোস্ট মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেন এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে স্লোগান দেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, “নতুন বাংলাদেশের জন্য আমরা ৩৬ দিন ধরে লড়াই করেছি। যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন, তাদের সঙ্গে বেইমানি করে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করা যাবে না।”
তারা আরও বলেন, “যদি সরকার আওয়ামী লীগের বিচার না করে, তাহলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব। আমরা একচেটিয়া রাজনীতির বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে।

 

আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে পারে না—এমন বক্তব্য ধোপে টেকে না। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতেই হবে, এবং আমরা তা করেই ছাড়ব।” ভবিষ্যৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা নিয়ে বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, তাদের দাবিগুলো পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে। তারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনে লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

এই বিক্ষোভ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে ব্যাপক আলোচনা।

ট্যাগস :

ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১১:১৮:০৪ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (২১ মার্চ) বিদ্রোহী হলের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করা যাবে না এবং দলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট ও প্রতিবাদের সূত্রপাত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, “ভারত-সমর্থিত একটি ‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগ গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে।”

এই পোস্ট মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেন এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে স্লোগান দেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, “নতুন বাংলাদেশের জন্য আমরা ৩৬ দিন ধরে লড়াই করেছি। যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন, তাদের সঙ্গে বেইমানি করে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করা যাবে না।”
তারা আরও বলেন, “যদি সরকার আওয়ামী লীগের বিচার না করে, তাহলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব। আমরা একচেটিয়া রাজনীতির বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে।

 

আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে পারে না—এমন বক্তব্য ধোপে টেকে না। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতেই হবে, এবং আমরা তা করেই ছাড়ব।” ভবিষ্যৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা নিয়ে বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, তাদের দাবিগুলো পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে। তারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনে লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

এই বিক্ষোভ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে ব্যাপক আলোচনা।