মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

সেই আত্মঘাতী বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পরিবার !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:৪৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭
  • ৭৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

আমেরিকাভিত্তিক ওয়েবসাইট সাইট ইনটিলিজেন্স যে আত্মঘাতী বাংলাদেশির ছবি প্রকাশ করেছে তার পরিচয় নিশ্চিত করেছে পরিবারের সদস্যরা। ওই ব্যক্তির নাম নিয়াজ মোর্শেদ রাজা। নিয়াজ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার খন্দকিয়া এলাকার এ কে এম কামালউদ্দিন আহমেদের ছেলে। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে নিয়াজ সবার ছোট।

চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুল (সিজিএস) থেকে ‘এ লেভেল’ পাস করে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। সেখানে ব্যবসায় প্রশাসন ও তথ্যপ্রযুক্তির ওপর পড়াশোনা করে সুইডেনে যান। গত দুই বছর তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। তবে নিয়াজ যে জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন, সে খবর তারা শুনেছেন। এ কারণে অসুস্থ মা খুব কান্নাকাটিও করতেন।

নিয়াজের বোন জান্নাতুল মাওয়া বলেন, ২০১১ সালে নিয়াজ বিয়ে করেন। তিনি দুই সন্তানের জনক। নিয়াজের স্ত্রী ও সন্তানরা এখন ঢাকায়। নিয়াজের কারণে তার স্ত্রী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পর র‌্যাব নিখোঁজ ব্যক্তিদের যে তালিকা প্রকাশ করে, সেখানেও নিয়াজের নাম ছিল। হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জান্নাতুল মাওয়ার জানান, নিয়াজের পার্টি খুব পছন্দ ছিল। অনেক মজা করতো। হঠাৎ করেই এক সময় বদলে যান নিয়াজ। তবে ওর বদলে যাওয়া দেখে আমাদের একবারও খারাপ কিছু মনে হয়নি। ২০১৫ সালের মার্চে এক শুক্রবার নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে সে বের হয়ে যায়। এরপর আর ফিরে আসেনি। বেশ কিছুদিন পর নিয়াজ খবর পাঠায় যে, সে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে- সে ভালো আছে এবং সুস্থ আছে। মাঝেমধ্যে ফোন করে পরিবারের খোঁজ নিতো।

ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেলেও কাউকে সেটা জানাতে পারেনি তিন বোন। জান্নাতুল মাওয়া বলেন, পরিবারের কেউ যখন জিজ্ঞেস করতো তখন বলতাম ও ব্যবসার কাজে অস্ট্রেলিয়া চলে গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

সেই আত্মঘাতী বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে পরিবার !

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৪৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

আমেরিকাভিত্তিক ওয়েবসাইট সাইট ইনটিলিজেন্স যে আত্মঘাতী বাংলাদেশির ছবি প্রকাশ করেছে তার পরিচয় নিশ্চিত করেছে পরিবারের সদস্যরা। ওই ব্যক্তির নাম নিয়াজ মোর্শেদ রাজা। নিয়াজ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার খন্দকিয়া এলাকার এ কে এম কামালউদ্দিন আহমেদের ছেলে। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে নিয়াজ সবার ছোট।

চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুল (সিজিএস) থেকে ‘এ লেভেল’ পাস করে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। সেখানে ব্যবসায় প্রশাসন ও তথ্যপ্রযুক্তির ওপর পড়াশোনা করে সুইডেনে যান। গত দুই বছর তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। তবে নিয়াজ যে জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন, সে খবর তারা শুনেছেন। এ কারণে অসুস্থ মা খুব কান্নাকাটিও করতেন।

নিয়াজের বোন জান্নাতুল মাওয়া বলেন, ২০১১ সালে নিয়াজ বিয়ে করেন। তিনি দুই সন্তানের জনক। নিয়াজের স্ত্রী ও সন্তানরা এখন ঢাকায়। নিয়াজের কারণে তার স্ত্রী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পর র‌্যাব নিখোঁজ ব্যক্তিদের যে তালিকা প্রকাশ করে, সেখানেও নিয়াজের নাম ছিল। হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জান্নাতুল মাওয়ার জানান, নিয়াজের পার্টি খুব পছন্দ ছিল। অনেক মজা করতো। হঠাৎ করেই এক সময় বদলে যান নিয়াজ। তবে ওর বদলে যাওয়া দেখে আমাদের একবারও খারাপ কিছু মনে হয়নি। ২০১৫ সালের মার্চে এক শুক্রবার নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে সে বের হয়ে যায়। এরপর আর ফিরে আসেনি। বেশ কিছুদিন পর নিয়াজ খবর পাঠায় যে, সে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে- সে ভালো আছে এবং সুস্থ আছে। মাঝেমধ্যে ফোন করে পরিবারের খোঁজ নিতো।

ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেলেও কাউকে সেটা জানাতে পারেনি তিন বোন। জান্নাতুল মাওয়া বলেন, পরিবারের কেউ যখন জিজ্ঞেস করতো তখন বলতাম ও ব্যবসার কাজে অস্ট্রেলিয়া চলে গেছে।