বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

১০৮ দিনে কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের তামিম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:৪৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৯০ বার পড়া হয়েছে

মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়েছে আট বছরের বিস্ময় শিশু তামিম চৌধুরী। দ্রুত সময়ে ৩০ পারা কোরআন হিফজ (মুখস্থ) করায় শিশুর পরিবার ও শিক্ষকরা আনন্দিত।

তামিম চৌধুরী নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার কড়িহাটি গ্রামের বাহার চৌধুরী ও মারজাহান আক্তার দম্পত্তির একমাত্র ছেলে সন্তান। সে মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

জানা গেছে, আমেরিকা প্রবাসী মো. বাহার চৌধুরীর তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান। হাফেজ তামিমের জন্ম ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারি। বাবার স্বপ্ন পূরণে তামিমকে মাদরাসায় হেফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। নাজরানা বিভাগে পড়ার মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কুরআন হিফজ করেছে সে।

এ বিষয়ে শিশু তামিম বলেছে, ‘আলহামদুলিল্লাহ! অল্প সময়ে হাফেজ হতে পেরে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে। আমার ওস্তাদরা আমাকে অনেক বেশি সহায়তা করেছেন। ওস্তাদদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি প্রথম ভেবেছিলাম অনেক কঠিন হবে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে সহজ করে দিয়েছেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ভবিষ্যতে বড় একজন আলেম হতে পারি।’

তামিমের সহপাঠী মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমার বন্ধু তামিম মাত্র ১০৮ দিনে হিফজ শেষ করেছে, এ জন্য আমরা খুব আনন্দিত। তার মাধ্যমে আমাদের মাদরাসার নাম উজ্জ্বল হয়েছে। আমরা দোয়া করি যেন এমন আরও অনেকেই হাফেজ হতে পারে। আল্লাহ যেন সবাইকে কবুল করেন।’

তামিমের বাবা বাহার চৌধুরী ও মা মারজান আক্তার বলেন, ‘কোরআনের হাফেজ হয়ে তামিম আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমরা মাদরাসার সব শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের ছেলেকে ইসলামের জন্য কবুল করে।’

তামিমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা সিফাতুল ইসলাম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘শিশুটি মাত্র ছয় মাস নাজেরানা পড়ে হেফজ বিভাগে ছবক শুরু করে। ছবক শুরু থেকে ৩ মাস ১০ দিনে অর্থাৎ মাত্র ১০৮ দিনে কোরআনে হেফজ সম্পন্ন করে। আমি আশা করছি, তামিম আন্তর্জাতিকভাবে কোরআনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমাদের মাদরাসা, পরিবার, দেশ ও জাতির জন্য সম্মান বয়ে আনবে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

১০৮ দিনে কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের তামিম

আপডেট সময় : ০১:৩৮:৪৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫

মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়েছে আট বছরের বিস্ময় শিশু তামিম চৌধুরী। দ্রুত সময়ে ৩০ পারা কোরআন হিফজ (মুখস্থ) করায় শিশুর পরিবার ও শিক্ষকরা আনন্দিত।

তামিম চৌধুরী নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার কড়িহাটি গ্রামের বাহার চৌধুরী ও মারজাহান আক্তার দম্পত্তির একমাত্র ছেলে সন্তান। সে মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

জানা গেছে, আমেরিকা প্রবাসী মো. বাহার চৌধুরীর তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান। হাফেজ তামিমের জন্ম ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারি। বাবার স্বপ্ন পূরণে তামিমকে মাদরাসায় হেফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। নাজরানা বিভাগে পড়ার মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কুরআন হিফজ করেছে সে।

এ বিষয়ে শিশু তামিম বলেছে, ‘আলহামদুলিল্লাহ! অল্প সময়ে হাফেজ হতে পেরে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে। আমার ওস্তাদরা আমাকে অনেক বেশি সহায়তা করেছেন। ওস্তাদদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি প্রথম ভেবেছিলাম অনেক কঠিন হবে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে সহজ করে দিয়েছেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ভবিষ্যতে বড় একজন আলেম হতে পারি।’

তামিমের সহপাঠী মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমার বন্ধু তামিম মাত্র ১০৮ দিনে হিফজ শেষ করেছে, এ জন্য আমরা খুব আনন্দিত। তার মাধ্যমে আমাদের মাদরাসার নাম উজ্জ্বল হয়েছে। আমরা দোয়া করি যেন এমন আরও অনেকেই হাফেজ হতে পারে। আল্লাহ যেন সবাইকে কবুল করেন।’

তামিমের বাবা বাহার চৌধুরী ও মা মারজান আক্তার বলেন, ‘কোরআনের হাফেজ হয়ে তামিম আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমরা মাদরাসার সব শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের ছেলেকে ইসলামের জন্য কবুল করে।’

তামিমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা সিফাতুল ইসলাম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘শিশুটি মাত্র ছয় মাস নাজেরানা পড়ে হেফজ বিভাগে ছবক শুরু করে। ছবক শুরু থেকে ৩ মাস ১০ দিনে অর্থাৎ মাত্র ১০৮ দিনে কোরআনে হেফজ সম্পন্ন করে। আমি আশা করছি, তামিম আন্তর্জাতিকভাবে কোরআনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমাদের মাদরাসা, পরিবার, দেশ ও জাতির জন্য সম্মান বয়ে আনবে।’