সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা

শরীর ম্যাসাজে সাপের ব্যবহার, দূর হবে ব্যাথা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:২২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭
  • ৮১২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

শরীর ম্যাসাজে ব্যবহার হচ্ছে সাপ। ভাবতে অবাক লাগলেও ইন্দোনেশিয়ার একটি স্পা-এ কিন্তু অজগরের সেবা নেন অনেকেই। শুধু ইন্দোনেশিয়া নয়, ব্রিটেন আর ফিলিপিন্সেও সাপ দিয়ে ম্যাসাজ করানো হয়। অজগর দিয়ে যেভাবে ম্যাসাজ করানো হয়, তাতে নাকি ভয়ের কিছু নেই। কারণ প্রথমত, ম্যাসাজ শুরুর আগে অজগরকে পেট পুরে খাওয়ানো হয়। পেটে ক্ষিদে না থাকলে অজগর মানুষকে গিলতে যাবে কেন? দ্বিতীয়ত, ম্যাসাজ আগে অজগরের মুখও বন্ধ করে দেয়া হয়, সুতরাং চাইলেও সে কাউকে কামড়াতে বা গিলতে পারে না।

অজগর কীভাবে বড় বড় প্রাণী শিকার করে, জানেন? কাছাকাছি পেলে প্রথমে শিকারকে সারা শরীর দিয়ে জড়িয়ে ধরে অজগর। তারপর যত জোরে সম্ভব চেপে ধরে। বড় ভয়ানক সেই চাপ। ফলে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই দম বন্ধ হয়ে মারা যায় সেই প্রাণী। তারপর ধীরে ধীরে প্রাণীটিকে গিলে ফেলে অজগর। তবে এমন ভয়ংকর এক সাপকে দিয়ে কেন মানুষের শরীর মালিশ করানো হয় বালি দ্বীপের ওই স্পােতে? এর উত্তর এখনো অনেকেরই অজানা।

ম্যাসাজের সময় কোনো মানুষকে কখনোই জলজ্যান্ত অজগরের কাছে একা ছেড়ে দেয়া হয় না। সবসময়ই একজন সুপারভাইজার কাছে থাকেন। তার কাজই হলো, অজগর কখনো থেমে যাচ্ছে কিনা, কোনো বিপদ ঘটাতে চাচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখা। বিশ্বে এমন মানুষের অভাব নেই, যাঁরা বিপদ ভালোওবাসেন। অন্যরকম কিছু করে বাড়তি আনন্দ পান তারা। এমন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষদের জন্য নাকি অজগরের মেসেজ আরো বেশি উপকারী। অজগর পিঠে চড়লে নাকি তাদের হরমোনের নিউট্রোট্রান্সমিটার ডোপামিনের মাত্রা বেড়ে যায়।

যত অভয়ই দেয়া হোক না কেন, গায়ের ওপরে যখন প্রায় তিন মিটার লম্বা আর আট কেজির মতো ওজনের একটা সাপ ছেড়ে দেয়া হয়, ভয় তো লাগেই। সাপের পিচ্ছিল শরীর পিঠে যত নড়াচড়া করে, ততই ভয়ের মাত্রা বাড়তে থাকে। সেই ভয়ের কারণে অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণের মাত্রা বেড়ে যায়। তাতে নাকি শরীরের অনেক উপকার! অজগরকে কে না ভয় পায়! মেসেজ শেষ হলে সেই ভয়ের জায়গায় মনে ঠাঁই নেয় এক ধরনের মুক্তির আনন্দ। কেউ কেউ জানিয়েছেন, ম্যাসাজ নেয়ার আগে তারা সাপের নাম শুনলেই ভয় পেতেন। কিন্তু ম্যাসাজ নেয়ার পরে নাকি সেই ভয় কেটে গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য

শরীর ম্যাসাজে সাপের ব্যবহার, দূর হবে ব্যাথা !

আপডেট সময় : ১২:৫৩:২২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

শরীর ম্যাসাজে ব্যবহার হচ্ছে সাপ। ভাবতে অবাক লাগলেও ইন্দোনেশিয়ার একটি স্পা-এ কিন্তু অজগরের সেবা নেন অনেকেই। শুধু ইন্দোনেশিয়া নয়, ব্রিটেন আর ফিলিপিন্সেও সাপ দিয়ে ম্যাসাজ করানো হয়। অজগর দিয়ে যেভাবে ম্যাসাজ করানো হয়, তাতে নাকি ভয়ের কিছু নেই। কারণ প্রথমত, ম্যাসাজ শুরুর আগে অজগরকে পেট পুরে খাওয়ানো হয়। পেটে ক্ষিদে না থাকলে অজগর মানুষকে গিলতে যাবে কেন? দ্বিতীয়ত, ম্যাসাজ আগে অজগরের মুখও বন্ধ করে দেয়া হয়, সুতরাং চাইলেও সে কাউকে কামড়াতে বা গিলতে পারে না।

অজগর কীভাবে বড় বড় প্রাণী শিকার করে, জানেন? কাছাকাছি পেলে প্রথমে শিকারকে সারা শরীর দিয়ে জড়িয়ে ধরে অজগর। তারপর যত জোরে সম্ভব চেপে ধরে। বড় ভয়ানক সেই চাপ। ফলে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই দম বন্ধ হয়ে মারা যায় সেই প্রাণী। তারপর ধীরে ধীরে প্রাণীটিকে গিলে ফেলে অজগর। তবে এমন ভয়ংকর এক সাপকে দিয়ে কেন মানুষের শরীর মালিশ করানো হয় বালি দ্বীপের ওই স্পােতে? এর উত্তর এখনো অনেকেরই অজানা।

ম্যাসাজের সময় কোনো মানুষকে কখনোই জলজ্যান্ত অজগরের কাছে একা ছেড়ে দেয়া হয় না। সবসময়ই একজন সুপারভাইজার কাছে থাকেন। তার কাজই হলো, অজগর কখনো থেমে যাচ্ছে কিনা, কোনো বিপদ ঘটাতে চাচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখা। বিশ্বে এমন মানুষের অভাব নেই, যাঁরা বিপদ ভালোওবাসেন। অন্যরকম কিছু করে বাড়তি আনন্দ পান তারা। এমন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষদের জন্য নাকি অজগরের মেসেজ আরো বেশি উপকারী। অজগর পিঠে চড়লে নাকি তাদের হরমোনের নিউট্রোট্রান্সমিটার ডোপামিনের মাত্রা বেড়ে যায়।

যত অভয়ই দেয়া হোক না কেন, গায়ের ওপরে যখন প্রায় তিন মিটার লম্বা আর আট কেজির মতো ওজনের একটা সাপ ছেড়ে দেয়া হয়, ভয় তো লাগেই। সাপের পিচ্ছিল শরীর পিঠে যত নড়াচড়া করে, ততই ভয়ের মাত্রা বাড়তে থাকে। সেই ভয়ের কারণে অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণের মাত্রা বেড়ে যায়। তাতে নাকি শরীরের অনেক উপকার! অজগরকে কে না ভয় পায়! মেসেজ শেষ হলে সেই ভয়ের জায়গায় মনে ঠাঁই নেয় এক ধরনের মুক্তির আনন্দ। কেউ কেউ জানিয়েছেন, ম্যাসাজ নেয়ার আগে তারা সাপের নাম শুনলেই ভয় পেতেন। কিন্তু ম্যাসাজ নেয়ার পরে নাকি সেই ভয় কেটে গেছে।