বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

সগিরা গোনাহ যেভাবে কবিরা গোনাহ হয়ে যায়

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:০৪ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

যেসব পাপের ব্যাপারে কোনো শাস্তি, আল্লাহর ক্রোধ বা অভিশাপের কথা বলা হয়নি; বরং শুধুই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেগুলো হলো সগিরা গুনাহ।

বিভিন্ন কারণে সগিরা গোনাহ কবিরা গোনাহে রূপান্তরিত হয়।

নিম্নে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো—

গোনাহের পুনরাবৃত্তি করা : যে ব্যক্তি বার বার সগিরা গোনাহে লিপ্ত হয়, তার ভয় করা উচিত যে এটা কবিরা গোনাহে রূপান্তরিত হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘দুর্ভোগ বারবার গোনাহকারীর জন্য যারা জ্ঞাতসারে বারবার অন্যায় কাজ করতে থাকে।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৩৮০; সহিহুল জামে, হাদিস : ৮৯৭)

ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ‘ক্ষমা প্রার্থনায় কবিরা গোনাহ থাকে না। আর সগিরা গোনাহ বারবার করলে তা সগিরা থাকে না।’ (শরহু উসুলে ইতিকাদে আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত, ৬/১১১০)

গোনাহ করার পর তা প্রকাশ করা : কোনো কোনো পাপী ব্যক্তি পাপাচার করার পরে তা প্রকাশ করে। এটা এ কারণে যে তার অন্তরে আল্লাহর মহত্ত্ব-বড়ত্ব ও সম্মান কম থাকে। এটা কোনো মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। কেননা মহান আল্লাহ গোনাহ প্রকাশ করা অপছন্দ করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমার সব উম্মতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী এর ব্যতিক্রম। আর নিশ্চয়ই এটা বড়ই অন্যায় যে কোনো ব্যক্তি রাতের বেলা অপরাধ করল, যা আল্লাহ গোপন রেখেছেন। কিন্তু সে সকালে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক, আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার ওপর আল্লাহর দেওয়া আবরণ খুলে ফেলল।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০৬৯)

গোনাহকে ছোট মনে করা : গোনাহের পর্যায় বা স্তর যাই হোক না কেন বান্দার উচিত লক্ষ করা যে সব ধরনের গোনাহই আল্লাহর অবাধ্যতা। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে এত বিরাট মনে করে যে যেন সে একটা পর্বতের নীচে উপবিষ্ট আছে, আর সে আশঙ্কা করছে যে সম্ভবত পর্বতটা তার ওপর ধ্বসে পড়বে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে মাছির মতো মনে করে, যা তার নাকের ওপর দিয়ে চলে যায়।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩০৮)

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

সগিরা গোনাহ যেভাবে কবিরা গোনাহ হয়ে যায়

আপডেট সময় : ০৯:০৭:০৪ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

যেসব পাপের ব্যাপারে কোনো শাস্তি, আল্লাহর ক্রোধ বা অভিশাপের কথা বলা হয়নি; বরং শুধুই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেগুলো হলো সগিরা গুনাহ।

বিভিন্ন কারণে সগিরা গোনাহ কবিরা গোনাহে রূপান্তরিত হয়।

নিম্নে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো—

গোনাহের পুনরাবৃত্তি করা : যে ব্যক্তি বার বার সগিরা গোনাহে লিপ্ত হয়, তার ভয় করা উচিত যে এটা কবিরা গোনাহে রূপান্তরিত হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘দুর্ভোগ বারবার গোনাহকারীর জন্য যারা জ্ঞাতসারে বারবার অন্যায় কাজ করতে থাকে।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৩৮০; সহিহুল জামে, হাদিস : ৮৯৭)

ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ‘ক্ষমা প্রার্থনায় কবিরা গোনাহ থাকে না। আর সগিরা গোনাহ বারবার করলে তা সগিরা থাকে না।’ (শরহু উসুলে ইতিকাদে আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত, ৬/১১১০)

গোনাহ করার পর তা প্রকাশ করা : কোনো কোনো পাপী ব্যক্তি পাপাচার করার পরে তা প্রকাশ করে। এটা এ কারণে যে তার অন্তরে আল্লাহর মহত্ত্ব-বড়ত্ব ও সম্মান কম থাকে। এটা কোনো মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। কেননা মহান আল্লাহ গোনাহ প্রকাশ করা অপছন্দ করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমার সব উম্মতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী এর ব্যতিক্রম। আর নিশ্চয়ই এটা বড়ই অন্যায় যে কোনো ব্যক্তি রাতের বেলা অপরাধ করল, যা আল্লাহ গোপন রেখেছেন। কিন্তু সে সকালে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক, আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার ওপর আল্লাহর দেওয়া আবরণ খুলে ফেলল।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০৬৯)

গোনাহকে ছোট মনে করা : গোনাহের পর্যায় বা স্তর যাই হোক না কেন বান্দার উচিত লক্ষ করা যে সব ধরনের গোনাহই আল্লাহর অবাধ্যতা। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে এত বিরাট মনে করে যে যেন সে একটা পর্বতের নীচে উপবিষ্ট আছে, আর সে আশঙ্কা করছে যে সম্ভবত পর্বতটা তার ওপর ধ্বসে পড়বে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে মাছির মতো মনে করে, যা তার নাকের ওপর দিয়ে চলে যায়।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩০৮)