শুক্রবার | ২০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন পাক্ষিক চাঁদনগরের সম্পাদক সাবিত্রী রানী ঘোষ Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইফতার মাহফিল থেকে সামাজিক জাগরণ: মাদকবিরোধী আন্দোলনে কাপাসিয়ার ঐক্য Logo ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি বাড়াতে যাচ্ছে ব্রাজিল Logo কাবুলে পাকিস্তানের হামলার পর সংযম প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে: আইজিপি Logo চাঁদপুরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল Logo মাদকমুক্ত কাপাসিয়া গড়ার অঙ্গীকার যুব সংগঠনের মিলনমেলায় নতুন দিগন্ত Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

নাটোরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

নাটোরের নলডাঙ্গায় ১৩ বছরের কিশোরী মরিয়ম খাতুন লাবনীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে বাবু শেখ ওরফে কালু (৪৯) এবং রইস উদ্দিন সরদার (৬২) নামে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। এই মামলায় অন্যান্য পাঁচ অভিযুক্ত সোহাগ, রাকিব হোসেন, আলামিন, জিয়া ও জামালকে খালাস দিয়েছেন আদালতের বিচারক।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, মো: আনিসুর রহমান।

দন্ডপ্রাপ্ত বাবু শেখ নওগাঁ জেলার রাণী নগর উপজেলার হরিশপুর গ্রামের মৃত জাহের আলীর ছেলে এবং রইচ উদ্দিন, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযুক্ত বাবু শেখের বিরুদ্ধে নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৯ নারীকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে ৮ জনকে ধর্ষনের অভিযোগ রয়েছে।

মামলার বরাতে আইনজীবী আনিসুর রহমান বলেন, নলডাঙ্গার খাজুরা গ্রামে ২০১৪ সালের ৬ মে রাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ১৩ বছরের লাবনী। সকালে ঘুম থেকে জেগে তার মা দেখতে পায় তার মেয়ের ঘরের দরজা খোলা। পরে ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখে তার শিশু কন্যার মুখের ওপর বালিশ চাপা দেওয়া ও শরীরের জামা কাপড় এলামেলো পড়ে রয়েছে। এ সময় তার চিৎকারে, শিশুটির বাবাসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে মেয়েকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

পরে ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশীদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিন মাস পরে ১৫ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নলডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবু তাহের ও পরিদর্শক মো. ওয়াজেদ আলী খান অভিযোগপত্র জমা দিলে দীর্ঘ ১০ বছর মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক এই রায় দেন। রায়ে আনোয়ার হোসেন বাবু ও রইচ উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন আদালত। একই সাথে এই মামলায় কোন ভাবে জড়িত না থাকায় ৫ জনকে বেখসুর খালাস প্রদান দেন আদালত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

নাটোরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৪

নাটোরের নলডাঙ্গায় ১৩ বছরের কিশোরী মরিয়ম খাতুন লাবনীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে বাবু শেখ ওরফে কালু (৪৯) এবং রইস উদ্দিন সরদার (৬২) নামে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। এই মামলায় অন্যান্য পাঁচ অভিযুক্ত সোহাগ, রাকিব হোসেন, আলামিন, জিয়া ও জামালকে খালাস দিয়েছেন আদালতের বিচারক।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, মো: আনিসুর রহমান।

দন্ডপ্রাপ্ত বাবু শেখ নওগাঁ জেলার রাণী নগর উপজেলার হরিশপুর গ্রামের মৃত জাহের আলীর ছেলে এবং রইচ উদ্দিন, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযুক্ত বাবু শেখের বিরুদ্ধে নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৯ নারীকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে ৮ জনকে ধর্ষনের অভিযোগ রয়েছে।

মামলার বরাতে আইনজীবী আনিসুর রহমান বলেন, নলডাঙ্গার খাজুরা গ্রামে ২০১৪ সালের ৬ মে রাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ১৩ বছরের লাবনী। সকালে ঘুম থেকে জেগে তার মা দেখতে পায় তার মেয়ের ঘরের দরজা খোলা। পরে ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখে তার শিশু কন্যার মুখের ওপর বালিশ চাপা দেওয়া ও শরীরের জামা কাপড় এলামেলো পড়ে রয়েছে। এ সময় তার চিৎকারে, শিশুটির বাবাসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে মেয়েকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

পরে ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশীদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিন মাস পরে ১৫ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নলডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবু তাহের ও পরিদর্শক মো. ওয়াজেদ আলী খান অভিযোগপত্র জমা দিলে দীর্ঘ ১০ বছর মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক এই রায় দেন। রায়ে আনোয়ার হোসেন বাবু ও রইচ উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন আদালত। একই সাথে এই মামলায় কোন ভাবে জড়িত না থাকায় ৫ জনকে বেখসুর খালাস প্রদান দেন আদালত।