বুধবার | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র, বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo শেরপুরে সেবার আলোর উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ Logo সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ঘড়ি স্থাপন Logo চাঁদপুর কাচ্চি ডাইন ব্রাঞ্চে র‌্যাফেল জয়ীদের হাতে আনন্দের পুরস্কার” Logo সাতক্ষীরায় দুই আ’লীগ নেতাকে বিএনপিতে যোগদান করিয়ে বিপাকে আহবায়ক কমিটি ! Logo পৌর যুবদলের উদ্যোগে পলাশবাড়ীতে বেগম খালেদা জিয়া’র জন্য দোয়া মাহফিল

হার্ট ভালো রাখার তিন মূল মন্ত্র

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:১৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪
  • ৭৯৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেক্সঃ

বাংলাদেশে প্রবীণ মানুষেরা যেসব রোগে মারা যান তার শীর্ষেই আছে হৃদরোগ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী অল্প বয়সেও হৃদরোগে আক্রান্তের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে বাংলাদেশে।

চিকিৎসকরা বলছেন হৃদরোগের চিকিৎসার চেয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ উত্তম। কাজেই জেনে নিন হার্ট ভালো রাখার সহজ তিন মন্ত্র-

১) শরীরচর্চা

হার্ট সুস্থ রাখতে শারীরিক শ্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ।

হার্ট ভাল রাখার জন্য কার্ডিয়ো ব্যায়াম জরুরি। হাঁটা, দৌড়নো হতে পারে,ব্যাডমিন্টন, সাইকেল, সাঁতার কাটার মত ব্যায়াম করা যেতে পারে এই ক্ষেত্রে। প্রতিদিন অন্তত আধা ঘন্টা ব্যায়ামের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যেতে পারে হৃদরোগ।

২) খাবার

তেল মশলাদার খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। হার্ট ভালো রাখতে ভাত, রুটি, ডাল, সবজি, ডিম, মাছ, মাংস, ফলমূল, দুধ— সব পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে আঁশ আছে সেসব খাবার খাওয়া উচিত। আঁশ যুক্ত খাবারের কারণে শরীরে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে সাহায্য করে । শিম ও মটরশুঁটি জাতীয় সবজি, কলাই ও ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল আঁশ জাতীয় খাবার।

৩) নিষিদ্ধ খাবার

হার্ট ভালো রাখতে মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। প্রতিদিনের খাবারে চিনির পরিমাণ কমালে তফাতটা খুব সহজেই ধরা পড়ে। মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খেলে তা উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।  শুধু মিষ্টি নয় খাবারে লবনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও হার্ট ভালো থাকে।

যেসব খাবারে বেশি জমাট-বাঁধা চর্বি থাকে সেসব খাবার খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় যা হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। চিজ, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কিট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে জমাট-বাঁধা চর্বি থাকে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার

হার্ট ভালো রাখার তিন মূল মন্ত্র

আপডেট সময় : ১০:০৮:১৫ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪

অনলাইন ডেক্সঃ

বাংলাদেশে প্রবীণ মানুষেরা যেসব রোগে মারা যান তার শীর্ষেই আছে হৃদরোগ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী অল্প বয়সেও হৃদরোগে আক্রান্তের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে বাংলাদেশে।

চিকিৎসকরা বলছেন হৃদরোগের চিকিৎসার চেয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ উত্তম। কাজেই জেনে নিন হার্ট ভালো রাখার সহজ তিন মন্ত্র-

১) শরীরচর্চা

হার্ট সুস্থ রাখতে শারীরিক শ্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ।

হার্ট ভাল রাখার জন্য কার্ডিয়ো ব্যায়াম জরুরি। হাঁটা, দৌড়নো হতে পারে,ব্যাডমিন্টন, সাইকেল, সাঁতার কাটার মত ব্যায়াম করা যেতে পারে এই ক্ষেত্রে। প্রতিদিন অন্তত আধা ঘন্টা ব্যায়ামের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যেতে পারে হৃদরোগ।

২) খাবার

তেল মশলাদার খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। হার্ট ভালো রাখতে ভাত, রুটি, ডাল, সবজি, ডিম, মাছ, মাংস, ফলমূল, দুধ— সব পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে আঁশ আছে সেসব খাবার খাওয়া উচিত। আঁশ যুক্ত খাবারের কারণে শরীরে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে সাহায্য করে । শিম ও মটরশুঁটি জাতীয় সবজি, কলাই ও ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল আঁশ জাতীয় খাবার।

৩) নিষিদ্ধ খাবার

হার্ট ভালো রাখতে মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। প্রতিদিনের খাবারে চিনির পরিমাণ কমালে তফাতটা খুব সহজেই ধরা পড়ে। মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খেলে তা উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।  শুধু মিষ্টি নয় খাবারে লবনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও হার্ট ভালো থাকে।

যেসব খাবারে বেশি জমাট-বাঁধা চর্বি থাকে সেসব খাবার খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় যা হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। চিজ, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কিট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে জমাট-বাঁধা চর্বি থাকে।