রবিবার | ৫ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দপ্তর প্রধানগনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা Logo খুবিতে ইয়েস প্রোগ্রাম: তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান Logo খুবির কলা ও মানবিক স্কুলের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. দুলাল হোসেন Logo ডাব থেকে টিউমার: শাহরাস্তিতে চিকিৎসা দক্ষতায় আস্থার নাম ডা. মো. আরিফুল হাসান Logo থানায় ডুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের উপর হামলায় এজাহার ভুক্ত যুব জামাতের ২ নেতা  ডিবির হাতে গ্রেফতার  Logo নতুন সময়সূচিতে চলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস Logo খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করব : মির্জা ফখরুল Logo বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজারে প্রসূতির মৃত্যু, কর্তৃপক্ষ পলাতক Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু

শয্যা ও ওষুধ সঙ্কটে চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯
  • ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে প্রচন্ড গরমে হাসপাতালে রোগাক্রান্তদের ভিড়

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
প্রচ- গরমে মেহেরপুরে গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শত শত মানুষ। যার মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। তবে হাসপাতালে চিকিৎসক, ওষুধ ও শয্যা সঙ্কটের কারণে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ছে রোগী ও তাদের স্বজনেরা। এতে করে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রচ- গরমে বৈরি আবহাওয়ায় গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তবে শিশুদের আক্রান্তের হার বেশি। মা ও শিশু ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় সিঁড়ির পাশের বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে রোগীদের। শুধু মা ও শিশু ওয়ার্ডেই নয়, এমন দৃশ্য অন্য ওয়ার্ডেও। বর্তমানে হাসপাতালটির ৪০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে প্রায় ২০০ জন শিশু। আর হাসপাতালের অন্য ওয়ার্ডের ১০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছে প্রায় ৩০০ জন রোগী। বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে ৭ শ থেকে ৮ শ রোগী। এভাবে প্রতিদিন রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে ওষুধ সঙ্কট। পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকায় বাইরের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওবায়দুল ইসলাম পলাশ জানান, প্রচ- গরমের কারণে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিউলাইটিস, ডায়রিয়া ও এ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই, ওষুধ খেলে সেরে যাবে এবং আবহাওয়া একটু ঠান্ডা হলে এ পরিস্থিতি থাকবে না বলে জানান তিনি।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এহসানুল কবীর জানান, ১০০ শয্যার লোকবল নিয়ে ২৫০ শয্যার চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি ওষুধ সঙ্কটের কথা স্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে যে ওষুধগুলো নেই, সেগুলো বাইরে থেকে রোগীদের কেনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে গরম কেটে গেলে রোগীর সংখ্যা এমনিতেই কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দপ্তর প্রধানগনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

শয্যা ও ওষুধ সঙ্কটে চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত

আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯

মেহেরপুরে প্রচন্ড গরমে হাসপাতালে রোগাক্রান্তদের ভিড়

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
প্রচ- গরমে মেহেরপুরে গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শত শত মানুষ। যার মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। তবে হাসপাতালে চিকিৎসক, ওষুধ ও শয্যা সঙ্কটের কারণে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ছে রোগী ও তাদের স্বজনেরা। এতে করে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রচ- গরমে বৈরি আবহাওয়ায় গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তবে শিশুদের আক্রান্তের হার বেশি। মা ও শিশু ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় সিঁড়ির পাশের বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে রোগীদের। শুধু মা ও শিশু ওয়ার্ডেই নয়, এমন দৃশ্য অন্য ওয়ার্ডেও। বর্তমানে হাসপাতালটির ৪০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে প্রায় ২০০ জন শিশু। আর হাসপাতালের অন্য ওয়ার্ডের ১০০ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছে প্রায় ৩০০ জন রোগী। বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে ৭ শ থেকে ৮ শ রোগী। এভাবে প্রতিদিন রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে ওষুধ সঙ্কট। পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকায় বাইরের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওবায়দুল ইসলাম পলাশ জানান, প্রচ- গরমের কারণে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিউলাইটিস, ডায়রিয়া ও এ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই, ওষুধ খেলে সেরে যাবে এবং আবহাওয়া একটু ঠান্ডা হলে এ পরিস্থিতি থাকবে না বলে জানান তিনি।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এহসানুল কবীর জানান, ১০০ শয্যার লোকবল নিয়ে ২৫০ শয্যার চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি ওষুধ সঙ্কটের কথা স্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে যে ওষুধগুলো নেই, সেগুলো বাইরে থেকে রোগীদের কেনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে গরম কেটে গেলে রোগীর সংখ্যা এমনিতেই কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি।