শনিবার | ২১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

মেহেরপুরে প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান অর্থ আত্মসাৎ মামলায় অবশেষে কারাগারে

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০১:০১:৩৫ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • ৭৭১ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুর প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া (কুটি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্ব কালে প্রায় পৌনে চার লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া (কুঠি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মেহেরপুর আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. হাদিউজ্জামান জামিন নামঞ্জুর করে আসামী মশিউর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের কুঠি ভাটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি জিয়ারুল ইসলাম (মুকুল) বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে তিন লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গাংনী থানার সেকেন্ড অফিসার সুভাষ চন্দ্র দাম সাম্প্রতিক সময়ে মামলাটির চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে দাখিল করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম শফিকুল আলম ও আসামি পক্ষে আইনজীবী সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।
মামলার বাদী জিয়ারুল ইসলাম (মুকুল) বলেন, প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান বিদ্যালয়ের অর্থ আতœসাতের কারনে এবং তার স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৫, ১৬ ও ১৭ অর্থ বছরের বিদ্যালয়ের আয় থেকে শিক্ষকদের মাত্র এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা বেতন দিয়ে বাকি টাকা প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেন। এমন অভিযোগ এনে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত আবেদন করেন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।
এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিষ্ণুপদ পাল তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করেছেন বলেও জানা যায়। বিদ্যালয়ের সহকাারি শিক্ষকদের শাররিক ও মানসিক ভাবেও নির্যাতনের ঘটনায় অসংখবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন শিক্ষকরা। কয়েক মাস আগে বিদ্যালয়ের ধর্ম শিক্ষককে তিনি মারধর করলে, গাংনী থানায় তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল

মেহেরপুরে প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান অর্থ আত্মসাৎ মামলায় অবশেষে কারাগারে

আপডেট সময় : ০১:০১:৩৫ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মেহেরপুর প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া (কুটি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্ব কালে প্রায় পৌনে চার লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া (কুঠি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মেহেরপুর আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. হাদিউজ্জামান জামিন নামঞ্জুর করে আসামী মশিউর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের কুঠি ভাটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি জিয়ারুল ইসলাম (মুকুল) বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে তিন লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গাংনী থানার সেকেন্ড অফিসার সুভাষ চন্দ্র দাম সাম্প্রতিক সময়ে মামলাটির চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে দাখিল করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম শফিকুল আলম ও আসামি পক্ষে আইনজীবী সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।
মামলার বাদী জিয়ারুল ইসলাম (মুকুল) বলেন, প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান বিদ্যালয়ের অর্থ আতœসাতের কারনে এবং তার স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৫, ১৬ ও ১৭ অর্থ বছরের বিদ্যালয়ের আয় থেকে শিক্ষকদের মাত্র এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা বেতন দিয়ে বাকি টাকা প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেন। এমন অভিযোগ এনে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত আবেদন করেন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।
এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নিবার্হী অফিসার বিষ্ণুপদ পাল তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করেছেন বলেও জানা যায়। বিদ্যালয়ের সহকাারি শিক্ষকদের শাররিক ও মানসিক ভাবেও নির্যাতনের ঘটনায় অসংখবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন শিক্ষকরা। কয়েক মাস আগে বিদ্যালয়ের ধর্ম শিক্ষককে তিনি মারধর করলে, গাংনী থানায় তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক।