মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

১২৭ জন আরোহীকে দ্বিতীয় জীবন দিলেন পাইলট !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:৪১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

তুরস্কের অ্যাটলাস গ্লোবাল বিমানটি সাইপ্রাসের উদ্দেশে উড্ডয়ন করল, সঙ্গে ১২৭ জন আরোহী। কিন্তু মিনিট দশেকের মধ্যেই যাত্রীদের থরথর করে বুক কাঁপছে। ‘বাঁচবো তো? নাকি একটু পরেই ঢলে পড়তে হবে মৃত্যুর কোলে!’ তবে শেষ পর্যন্ত পাইলটের দক্ষতার গুণে নিরাপদেই অবতরণ করেছিল তুরস্কের বেসরকারি সংস্থার বিমানটি।

তাই মাটিতে নেমেই দ্বিতীয় জন্ম উৎসব পালন করেছেন আনন্দে আত্মহারা বিমানের যাত্রী ও ক্রুরা। গত বৃহস্পতিবার তুরস্ক থেকে সাইপ্রাসের উদ্দেশে ১২১জন যাত্রী ও ৬ ক্রুকে নিয়ে উড্ডয়ন করে অ্যাটলাস গ্লোবালের একটি বিমান। উড্ডয়নের ১০ মিনিটের মাথায় ভূমি থেকে ১৩০০ মিটার উচ্চতায় ওঠার পর প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে বিমানটি। শিলার আঘাতে এক পর্যায়ে বিমানটির ককপিটের গ্লাসে চিড় ধরে। এতে পাইলটের পক্ষে সামনের দিকে তাকিয়ে বিমান চালনা মুশকিল হয়ে পড়ছিল।

ঝড়ের কারণে তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক বিমানবন্দরে থাকা কয়েকটি বিমানের যাত্রা বাতিল করা হয় এবং বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

অবস্থা বেগতিক দেখে বিমানের পাইলট আতাতুর্ক বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি চান। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ততক্ষণে অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি হাজির করে রেখেছে।

বিমানটি যখন অবতরণ করছিল তখন এটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপছিল। যাত্রীরা তাদের প্রাণের আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, লাল নেইলপলিশ পরিহিত এক নারী তার আসন খাঁমচে ধরেছেন আতঙ্কে। আরেক যাত্রীকে বলতে শোনা গেছে, ‘উনি (পাইলট) পারবেন তো?’

শেষ পর্যন্ত পাইলট পেরেছেন এবং দক্ষতার সঙ্গেই বিমানটিকে তিনি অবতরণ করাতে সক্ষম হয়েছেন, যদিও এ সময় ১০ জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পেরেশোঙ্কো ওই পাইলটকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অসীম সাহসিকতাপূর্ণ এই কাজের জন্য তাকে ‘ইউক্রেনিয়ান অর্ডার অব কারেজ’ পদক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইউক্রেনের নাগরিক ক্যাপেন্ট অ্যাপকভ বলেছেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে বিমান চালাই। আপনারা কি বিমানের অবতরণ দেখেছেন? যাত্রীরা সবাই জীবিত। এটা স্বাভাবিক। এটা আমাদের পেশাগত আস্থা।

বিমানের এই বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে পড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্দেশক আবহাওয়ার বিপর্যয়ের খবর দেখেননি। আর এ কারণেই এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। তবে আসল কথা হচ্ছে যাত্রীরা জীবিত আছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

১২৭ জন আরোহীকে দ্বিতীয় জীবন দিলেন পাইলট !

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৪১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

তুরস্কের অ্যাটলাস গ্লোবাল বিমানটি সাইপ্রাসের উদ্দেশে উড্ডয়ন করল, সঙ্গে ১২৭ জন আরোহী। কিন্তু মিনিট দশেকের মধ্যেই যাত্রীদের থরথর করে বুক কাঁপছে। ‘বাঁচবো তো? নাকি একটু পরেই ঢলে পড়তে হবে মৃত্যুর কোলে!’ তবে শেষ পর্যন্ত পাইলটের দক্ষতার গুণে নিরাপদেই অবতরণ করেছিল তুরস্কের বেসরকারি সংস্থার বিমানটি।

তাই মাটিতে নেমেই দ্বিতীয় জন্ম উৎসব পালন করেছেন আনন্দে আত্মহারা বিমানের যাত্রী ও ক্রুরা। গত বৃহস্পতিবার তুরস্ক থেকে সাইপ্রাসের উদ্দেশে ১২১জন যাত্রী ও ৬ ক্রুকে নিয়ে উড্ডয়ন করে অ্যাটলাস গ্লোবালের একটি বিমান। উড্ডয়নের ১০ মিনিটের মাথায় ভূমি থেকে ১৩০০ মিটার উচ্চতায় ওঠার পর প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে বিমানটি। শিলার আঘাতে এক পর্যায়ে বিমানটির ককপিটের গ্লাসে চিড় ধরে। এতে পাইলটের পক্ষে সামনের দিকে তাকিয়ে বিমান চালনা মুশকিল হয়ে পড়ছিল।

ঝড়ের কারণে তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক বিমানবন্দরে থাকা কয়েকটি বিমানের যাত্রা বাতিল করা হয় এবং বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

অবস্থা বেগতিক দেখে বিমানের পাইলট আতাতুর্ক বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি চান। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ততক্ষণে অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি হাজির করে রেখেছে।

বিমানটি যখন অবতরণ করছিল তখন এটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপছিল। যাত্রীরা তাদের প্রাণের আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, লাল নেইলপলিশ পরিহিত এক নারী তার আসন খাঁমচে ধরেছেন আতঙ্কে। আরেক যাত্রীকে বলতে শোনা গেছে, ‘উনি (পাইলট) পারবেন তো?’

শেষ পর্যন্ত পাইলট পেরেছেন এবং দক্ষতার সঙ্গেই বিমানটিকে তিনি অবতরণ করাতে সক্ষম হয়েছেন, যদিও এ সময় ১০ জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পেরেশোঙ্কো ওই পাইলটকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অসীম সাহসিকতাপূর্ণ এই কাজের জন্য তাকে ‘ইউক্রেনিয়ান অর্ডার অব কারেজ’ পদক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইউক্রেনের নাগরিক ক্যাপেন্ট অ্যাপকভ বলেছেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে বিমান চালাই। আপনারা কি বিমানের অবতরণ দেখেছেন? যাত্রীরা সবাই জীবিত। এটা স্বাভাবিক। এটা আমাদের পেশাগত আস্থা।

বিমানের এই বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে পড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্দেশক আবহাওয়ার বিপর্যয়ের খবর দেখেননি। আর এ কারণেই এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। তবে আসল কথা হচ্ছে যাত্রীরা জীবিত আছে।