রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

ভারত না চীন, সামরিক ক্ষেত্রে কে বেশি শক্তিশালী ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:০২:২২ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২ জুলাই ২০১৭
  • ৭৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সীমান্ত নিয়ে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে আছে এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র ভারত-চীন। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের সম্ভাবনাকে উসকে চীন ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাল্টা ভারতের অবস্থানও আরো কড়া। দুই দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে চলছে তুল্যমূল্য আলোচনা।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র খবরে তুলে ধরা পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ারফোর্সের কাছে মোট ২,৯৫৫ এয়ারক্রাফট রয়েছে। এর মধ্যে ১,২৭১টি ফাইটার এয়ারক্রাফট, ১,৩৮৫টি অ্যাটেক এয়ারক্রাফট, ৭৮২টি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট, ৩৫২টি ট্রেনার এয়ারক্রাফট, ২০৬টি অ্যাটেক হেলিকপ্টারসহ মোট ৯১২টি হেলিকপ্টার রয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের কাছে রয়েছে ৬৭৬টি ফাইটার এয়ারক্রাফট, ৮০৯টি অ্যাটেক এয়ারক্রাফট, ৮৫৭টি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট, ৩২৩টি ট্রেনার এয়ারক্রাফট, ১৬টি অ্যাটেক হেলিকপ্টারসহ ৬৬৬টি হেলিকপ্টার রয়েছে। এর মধ্যে যদি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট বাদ দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে চীন ভারতের থেকে সব বিষয়েই এগিয়ে রয়েছে।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি গ্রাউন্ড ফোর্সের কাছে রয়েছে ৬,৪৫৭টি যুদ্ধ ট্যাংক, ৪,৭৮৮টি সাঁজোয়াযুক্ত যুদ্ধযান, ১,৭১০টি স্বয়ংক্রিয় বাহন, ১,৭৭০টি রকেট প্রোজেক্টর। অন্যদিকে, ভারতের কাছে রয়েছে ৪,৪২৬টি যুদ্ধ ট্যাংক, ৬,৭০৪টি সাঁজোয়াযুক্ত যুদ্ধযান, ২৯০টি স্বয়ংক্রিয় বাহন এবং ২৯২টি রকেট প্রোজেক্টর। এক্ষেত্রেও চীন ভারতের থেকে এগিয়ে।

চীনের পিপলস্ লিবারেশন আর্মি নেভির (PLAN) কাছে একটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, ৫১টি রণতরী, ১১টি ডেস্ট্রয়ার, ২৩টি যুদ্ধজাহাজ, ১৫ সাবমেরিন, ১৩৯টি পেট্রোল ক্রাফট এবং ৬টি মাইন ওয়ারফেয়ার শিপ। তবে এই এয়ারক্রাফটের বিষয়ে ভারত চীনের থেকে একটু এগিয়ে আছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

ভারত না চীন, সামরিক ক্ষেত্রে কে বেশি শক্তিশালী ?

আপডেট সময় : ১১:০২:২২ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সীমান্ত নিয়ে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে আছে এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র ভারত-চীন। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের সম্ভাবনাকে উসকে চীন ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাল্টা ভারতের অবস্থানও আরো কড়া। দুই দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে চলছে তুল্যমূল্য আলোচনা।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র খবরে তুলে ধরা পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ারফোর্সের কাছে মোট ২,৯৫৫ এয়ারক্রাফট রয়েছে। এর মধ্যে ১,২৭১টি ফাইটার এয়ারক্রাফট, ১,৩৮৫টি অ্যাটেক এয়ারক্রাফট, ৭৮২টি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট, ৩৫২টি ট্রেনার এয়ারক্রাফট, ২০৬টি অ্যাটেক হেলিকপ্টারসহ মোট ৯১২টি হেলিকপ্টার রয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের কাছে রয়েছে ৬৭৬টি ফাইটার এয়ারক্রাফট, ৮০৯টি অ্যাটেক এয়ারক্রাফট, ৮৫৭টি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট, ৩২৩টি ট্রেনার এয়ারক্রাফট, ১৬টি অ্যাটেক হেলিকপ্টারসহ ৬৬৬টি হেলিকপ্টার রয়েছে। এর মধ্যে যদি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট বাদ দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে চীন ভারতের থেকে সব বিষয়েই এগিয়ে রয়েছে।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি গ্রাউন্ড ফোর্সের কাছে রয়েছে ৬,৪৫৭টি যুদ্ধ ট্যাংক, ৪,৭৮৮টি সাঁজোয়াযুক্ত যুদ্ধযান, ১,৭১০টি স্বয়ংক্রিয় বাহন, ১,৭৭০টি রকেট প্রোজেক্টর। অন্যদিকে, ভারতের কাছে রয়েছে ৪,৪২৬টি যুদ্ধ ট্যাংক, ৬,৭০৪টি সাঁজোয়াযুক্ত যুদ্ধযান, ২৯০টি স্বয়ংক্রিয় বাহন এবং ২৯২টি রকেট প্রোজেক্টর। এক্ষেত্রেও চীন ভারতের থেকে এগিয়ে।

চীনের পিপলস্ লিবারেশন আর্মি নেভির (PLAN) কাছে একটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, ৫১টি রণতরী, ১১টি ডেস্ট্রয়ার, ২৩টি যুদ্ধজাহাজ, ১৫ সাবমেরিন, ১৩৯টি পেট্রোল ক্রাফট এবং ৬টি মাইন ওয়ারফেয়ার শিপ। তবে এই এয়ারক্রাফটের বিষয়ে ভারত চীনের থেকে একটু এগিয়ে আছে।