বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

নামাজে মনোযোগী হবেন কীভাবে ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৩৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ জুলাই ২০১৭
  • ৮০৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

নামাজে দাঁড়াতেই শয়তান আমাদের অন্তরে নানারকম প্ররোচনা দিয়ে নামাজে অমনোযোগী করে তোলার চেষ্টা করে, অনেকের বেলায় শয়তান সফল হয় আবার অনেকের বেলায় শয়তান সফল হতে পারেনা।

কেউ যদি সালাতে তথা নামাজে মনোযোগী হতে না পারে, তাহলে এ সফলতা অর্জন তার পক্ষে সম্ভব হয় না। কারণ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোর‘আনের সূরা মাউনে বলেছেন-‘দুর্ভোগ সে সব সালাত আদায়কারীর, যারা তাদের সালাত সম্পর্কে উদাসীন’ (১০৭ : ৫ ও ৬)। অনেকে শত চেষ্টা করেও সালাতের মাঝে মনোযোগ সৃষ্টি করতে পারেন না, কিভাবে মনকে ধরে রাখতে হয় তাও জানেন না।’

নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় এ হাদীসটির কথা খেয়ালে রাখলে এক একটি আয়াত পড়ার পর আল্লাহর প্রেমময় জওয়াবটা মনের কানে শুনবার জন্য বান্দাকে থামতেই হবে। আল্লাহর জওয়াবে যে তৃপ্তি ও শান্তি তা তারাই বোধ করতে পারে, যারা আয়াতগুলো ধীরে ধীরে মজা নিয়ে পড়ে। আউ’যুবিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বানির রাজিম’ ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করতে হবে।

হাদীসে আছে যে সূরা ফাতিহার এক এক আয়াত তিলাওয়াত করার সাথে সাথে আল্লাহ এর জওয়াব দেন। এ হাদীসের কথাগুলো এমন আবেগময় ভাষায় বলা হয়েছে যা বান্দাহর মনে গভীর দোলা দেয়। হাদীসটি নিম্নরূপ:

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি নামাজকে আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে দু-ভাগে ভাগ করেছি। আর আমার বান্দা আমার নিকট যা চায় তাই পাবে।

বান্দাহ যখন বলে, ‘‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।”
অর্থ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তালার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। তখন আল্লাহ বলেন, “আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল।”
যখন বান্দা বলে “আর রাহমানির রাহীম”।
অর্থ :যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। তখন আল্লাহ বলেন আমার বান্দাহ আমার গুণ গাইল”
যখন বান্দাহ বলে “মালিকি ইয়াওমিদ্দীন”
অর্থ :যিনি বিচার দিনের মালিক। তখন আল্লাহ বলেন “আমার বান্দা আমার গৌরব বর্ণনা করল”
যখন বান্দাহ বলে, “ইয়্যাকা না বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন”
অর্থ :আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

তখন আল্লাহ বলেন “এ বিষয়টা আমার ও আমার বান্দার মাঝেই রইল । আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চাইল (অর্থাৎ আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে এ চুক্তি হলো যে সে আমার কাছে চাইবে, আর আমি তাকে দেব)।

যখন বান্দাহ বলে “ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম সিরাতাল্লাযীনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ দোয়াললীন” আমিন।
অর্থ :আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।”

তখন আল্লাহ বলেন এটা আমার বান্দার জন্যই রইল আর আমার বান্দার জন্য তা ই যা সে চাইল।”
এভাবে অর্থ জেনে জেনে নামাজ পড়লে শয়তানের ধোঁকায় পড়তে হবে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

নামাজে মনোযোগী হবেন কীভাবে ?

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৩৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

নামাজে দাঁড়াতেই শয়তান আমাদের অন্তরে নানারকম প্ররোচনা দিয়ে নামাজে অমনোযোগী করে তোলার চেষ্টা করে, অনেকের বেলায় শয়তান সফল হয় আবার অনেকের বেলায় শয়তান সফল হতে পারেনা।

কেউ যদি সালাতে তথা নামাজে মনোযোগী হতে না পারে, তাহলে এ সফলতা অর্জন তার পক্ষে সম্ভব হয় না। কারণ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোর‘আনের সূরা মাউনে বলেছেন-‘দুর্ভোগ সে সব সালাত আদায়কারীর, যারা তাদের সালাত সম্পর্কে উদাসীন’ (১০৭ : ৫ ও ৬)। অনেকে শত চেষ্টা করেও সালাতের মাঝে মনোযোগ সৃষ্টি করতে পারেন না, কিভাবে মনকে ধরে রাখতে হয় তাও জানেন না।’

নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় এ হাদীসটির কথা খেয়ালে রাখলে এক একটি আয়াত পড়ার পর আল্লাহর প্রেমময় জওয়াবটা মনের কানে শুনবার জন্য বান্দাকে থামতেই হবে। আল্লাহর জওয়াবে যে তৃপ্তি ও শান্তি তা তারাই বোধ করতে পারে, যারা আয়াতগুলো ধীরে ধীরে মজা নিয়ে পড়ে। আউ’যুবিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বানির রাজিম’ ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করতে হবে।

হাদীসে আছে যে সূরা ফাতিহার এক এক আয়াত তিলাওয়াত করার সাথে সাথে আল্লাহ এর জওয়াব দেন। এ হাদীসের কথাগুলো এমন আবেগময় ভাষায় বলা হয়েছে যা বান্দাহর মনে গভীর দোলা দেয়। হাদীসটি নিম্নরূপ:

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি নামাজকে আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে দু-ভাগে ভাগ করেছি। আর আমার বান্দা আমার নিকট যা চায় তাই পাবে।

বান্দাহ যখন বলে, ‘‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।”
অর্থ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তালার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। তখন আল্লাহ বলেন, “আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল।”
যখন বান্দা বলে “আর রাহমানির রাহীম”।
অর্থ :যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। তখন আল্লাহ বলেন আমার বান্দাহ আমার গুণ গাইল”
যখন বান্দাহ বলে “মালিকি ইয়াওমিদ্দীন”
অর্থ :যিনি বিচার দিনের মালিক। তখন আল্লাহ বলেন “আমার বান্দা আমার গৌরব বর্ণনা করল”
যখন বান্দাহ বলে, “ইয়্যাকা না বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন”
অর্থ :আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

তখন আল্লাহ বলেন “এ বিষয়টা আমার ও আমার বান্দার মাঝেই রইল । আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চাইল (অর্থাৎ আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে এ চুক্তি হলো যে সে আমার কাছে চাইবে, আর আমি তাকে দেব)।

যখন বান্দাহ বলে “ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম সিরাতাল্লাযীনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ দোয়াললীন” আমিন।
অর্থ :আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।”

তখন আল্লাহ বলেন এটা আমার বান্দার জন্যই রইল আর আমার বান্দার জন্য তা ই যা সে চাইল।”
এভাবে অর্থ জেনে জেনে নামাজ পড়লে শয়তানের ধোঁকায় পড়তে হবে না।