বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

যেভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী হিংসুটে !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:১৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০১৭
  • ৭৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিয়ের পর দম্পতিদের উচিত হিংসাত্মক কার্যকলাপ থেকে নিজেকে সামলে নেওয়া। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীটি দারুণ হিংসা মনে পুষে রাখেন। তিনি আপনাকে ছাড়া আর সব কিছুকেই যেন তার ঈর্ষার তালিকায় ঠাঁই দিয়েছেন। এখানে দেখে নিন এমন সঙ্গী-সঙ্গিনীর কিছু সাধারণ লক্ষণ। তাদের এসব কাজে বোঝা যায় যে, সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন এবং তিনি বেশ হিংসুটে।

১. যখন আপনি একা বাইরে যান, তখন সঙ্গী-সঙ্গিনী আপনাক ক্রমাগত ফোন দিতে থাকেন। অর্থাৎ, আপনি কখন কোথায় যাচ্ছেন তা বুঝতে চাইছেন তিনি। এটা নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ তো বটেই।

২. আপনার বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু বা সহকর্মী থাকলে সে বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেবেন না তিনি। তাদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া বা কোথাও যাওয়ার কথা শুনলেই তার মন হিংসায় ভরে উঠবে। মাঝে মাঝেই আপনি বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু ও সহকর্মীদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের শিকার হবেন।

৩. আপনি ছেলে হলে কোনো নারী সেলিব্রিটিদের নিয়ে প্রশংসামূলক কিছু বললে আপনার সঙ্গিনী মোটেও তা মেনে নিতে চাইবে না।

৪. আপনাকে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে দিতে চাইবেন না। দূরে ভ্রমণের পরিকল্পনা হলে তিনি কোনোভাবেই আপনাকে ছাড়বেন না।

৫. আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মানুষের আশপাশে আপনাকে দেখতে চান না আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী। বিশেষ করে বিপরীত লিঙ্গের দিকে নজর দিলেই তিনি আপনাকে ধরে বসবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলা বা চলফেরা মোটেও পছন্দ করেন না তিনি।

৬. আপনার বাড়ির লোকজন বেড়াতে এলেই তার মুখ কালো হয়ে যাবে। তিনি সহজে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেনে নেবেন না।

সহজ কথায় বলা যায়, আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী হিংসুটে কিনা তা বোঝার এইগুলোই সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। একটু দেখুন এবং মানিয়ে চলুন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

যেভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী হিংসুটে !

আপডেট সময় : ১২:৫৫:১৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বিয়ের পর দম্পতিদের উচিত হিংসাত্মক কার্যকলাপ থেকে নিজেকে সামলে নেওয়া। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীটি দারুণ হিংসা মনে পুষে রাখেন। তিনি আপনাকে ছাড়া আর সব কিছুকেই যেন তার ঈর্ষার তালিকায় ঠাঁই দিয়েছেন। এখানে দেখে নিন এমন সঙ্গী-সঙ্গিনীর কিছু সাধারণ লক্ষণ। তাদের এসব কাজে বোঝা যায় যে, সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন এবং তিনি বেশ হিংসুটে।

১. যখন আপনি একা বাইরে যান, তখন সঙ্গী-সঙ্গিনী আপনাক ক্রমাগত ফোন দিতে থাকেন। অর্থাৎ, আপনি কখন কোথায় যাচ্ছেন তা বুঝতে চাইছেন তিনি। এটা নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ তো বটেই।

২. আপনার বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু বা সহকর্মী থাকলে সে বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেবেন না তিনি। তাদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া বা কোথাও যাওয়ার কথা শুনলেই তার মন হিংসায় ভরে উঠবে। মাঝে মাঝেই আপনি বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু ও সহকর্মীদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের শিকার হবেন।

৩. আপনি ছেলে হলে কোনো নারী সেলিব্রিটিদের নিয়ে প্রশংসামূলক কিছু বললে আপনার সঙ্গিনী মোটেও তা মেনে নিতে চাইবে না।

৪. আপনাকে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে দিতে চাইবেন না। দূরে ভ্রমণের পরিকল্পনা হলে তিনি কোনোভাবেই আপনাকে ছাড়বেন না।

৫. আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মানুষের আশপাশে আপনাকে দেখতে চান না আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী। বিশেষ করে বিপরীত লিঙ্গের দিকে নজর দিলেই তিনি আপনাকে ধরে বসবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলা বা চলফেরা মোটেও পছন্দ করেন না তিনি।

৬. আপনার বাড়ির লোকজন বেড়াতে এলেই তার মুখ কালো হয়ে যাবে। তিনি সহজে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেনে নেবেন না।

সহজ কথায় বলা যায়, আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী হিংসুটে কিনা তা বোঝার এইগুলোই সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। একটু দেখুন এবং মানিয়ে চলুন।