সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

পাথর ছোঁড়ার ট্রেনিং নিয়ে কাশ্মীরে যাচ্ছে ‘জন সেনা’ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৭ মে ২০১৭
  • ৭৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা হল ১ হাজার সদস্যের একটি দল। যার মধ্যে রয়েছেন বহু সাধু-সন্ন্যাসী যারা কানপুরের ‘জন সেনা’ নামক ধর্মীয় সংগঠনের সদস্য। রবিবার উপত্যকার দিকে রওনা হয়েছে তারা।

১ হাজার সদস্যের ওই দলে সাধু-সন্ত ছাড়াও রয়েছেন বহু সাধারণ মানুষ। প্রচুর সংখ্যক মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও গিয়েছেন সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে। জন সেনার প্রেসিডেন্ট অরুণ পুরী জী মহারাজের সঙ্গে গিয়েছেন শঙ্করাচার্য মুনিসা জি মহারাজ।

সাধু বালযোগী অরুণ পুরী চৈতণ্য জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরে সদস্যদের পাথর ছোঁড়ার ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে কানপুরে। আগামী ১০ মে শ্রীনগরের লাল চকে বিশেষ যজ্ঞ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, লাল চক ছাড়াও তাঁরা যাবেন পুঞ্চ, কৃষ্ণা ঘাটির মত জায়গায়, যেখানে প্রাণ দিয়েছেন ভারতীয় সেনা সদস্যরা। আরও বেশী করে সাধুদের পাথর ছোঁড়া শেখাতে ‘পাথরবাজি’ সেন্টার খোলা হবে বলেও পরিকল্পনা রয়েছে জন সেনার। মহারাজের কথায়, সেনাবাহিনীকে উৎসাহ দিতেই তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুমতি নিয়ে কাশ্মীরে যাবেন।

কাশ্মীরের সীমান্তে পাক সেনার মদদ পুষ্ট জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে লড়াই করছে সেনাবাহিনী। তাদের সাহায্যার্থে তাঁর দলের এই যাত্রাকে যুদ্ধ বিজয় যজ্ঞ বলে অভিহিত করেছেন বাল্য যোগী অরুণ পুরি চৈতন্য মহারাজ।

তিনি জানিয়েছেন, কাশ্মীরে যাওয়ার বিষয়ে মোদী সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অনুমতি মেলেনি। ফলে এবার তারা বিনা অনুমতিতেই জওয়ানদের সাহায্য করতে কাশ্মীরের যাচ্ছেন। তবে কেউ তাদের পথ আটকালে ব্যতিক্রমী পথই ভেবে রেখেছেন তিনি। জানিয়েছেন, পথ আটকা পড়লে, ছড়িয়ে গিয়ে কাশ্মীরের প্রবেশ করে পুনরায় এক হয়ে জওয়ানদের কাছে যাবেন তারা।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

পাথর ছোঁড়ার ট্রেনিং নিয়ে কাশ্মীরে যাচ্ছে ‘জন সেনা’ !

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৭ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা হল ১ হাজার সদস্যের একটি দল। যার মধ্যে রয়েছেন বহু সাধু-সন্ন্যাসী যারা কানপুরের ‘জন সেনা’ নামক ধর্মীয় সংগঠনের সদস্য। রবিবার উপত্যকার দিকে রওনা হয়েছে তারা।

১ হাজার সদস্যের ওই দলে সাধু-সন্ত ছাড়াও রয়েছেন বহু সাধারণ মানুষ। প্রচুর সংখ্যক মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও গিয়েছেন সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে। জন সেনার প্রেসিডেন্ট অরুণ পুরী জী মহারাজের সঙ্গে গিয়েছেন শঙ্করাচার্য মুনিসা জি মহারাজ।

সাধু বালযোগী অরুণ পুরী চৈতণ্য জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরে সদস্যদের পাথর ছোঁড়ার ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে কানপুরে। আগামী ১০ মে শ্রীনগরের লাল চকে বিশেষ যজ্ঞ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, লাল চক ছাড়াও তাঁরা যাবেন পুঞ্চ, কৃষ্ণা ঘাটির মত জায়গায়, যেখানে প্রাণ দিয়েছেন ভারতীয় সেনা সদস্যরা। আরও বেশী করে সাধুদের পাথর ছোঁড়া শেখাতে ‘পাথরবাজি’ সেন্টার খোলা হবে বলেও পরিকল্পনা রয়েছে জন সেনার। মহারাজের কথায়, সেনাবাহিনীকে উৎসাহ দিতেই তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুমতি নিয়ে কাশ্মীরে যাবেন।

কাশ্মীরের সীমান্তে পাক সেনার মদদ পুষ্ট জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে লড়াই করছে সেনাবাহিনী। তাদের সাহায্যার্থে তাঁর দলের এই যাত্রাকে যুদ্ধ বিজয় যজ্ঞ বলে অভিহিত করেছেন বাল্য যোগী অরুণ পুরি চৈতন্য মহারাজ।

তিনি জানিয়েছেন, কাশ্মীরে যাওয়ার বিষয়ে মোদী সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অনুমতি মেলেনি। ফলে এবার তারা বিনা অনুমতিতেই জওয়ানদের সাহায্য করতে কাশ্মীরের যাচ্ছেন। তবে কেউ তাদের পথ আটকালে ব্যতিক্রমী পথই ভেবে রেখেছেন তিনি। জানিয়েছেন, পথ আটকা পড়লে, ছড়িয়ে গিয়ে কাশ্মীরের প্রবেশ করে পুনরায় এক হয়ে জওয়ানদের কাছে যাবেন তারা।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর