শিরোনাম :
Logo বিএনপির বর্ধিত সভায় গৃহীত প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত Logo সেহরি-ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তি, যা বলছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন Logo ঈদের পর জবির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে: উপাচার্য Logo দেশের তরুণ প্রজন্ম একটি সুস্থ জাতি ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে: সেনাপ্রধান Logo রমজান উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিবের শুভেচ্ছা Logo এককাতারে সৌরজগতের ৭ গ্রহ, বিরল দৃশ্যটি দেখবেন যেভাবে Logo ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড : শফিকুল আলম Logo ছাত্রদের নতুন দলের সঙ্গে আমি যুক্ত নই : আসিফ মাহমুদ Logo জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন রিজভী-এ্যানি Logo রমজানে রাজধানীর ২৫ স্থানে সুলভমূল্যে মিলবে মাংস-ডিম-দুধ

এককাতারে সৌরজগতের ৭ গ্রহ, বিরল দৃশ্যটি দেখবেন যেভাবে

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ পাচ্ছে বিশ্ববাসী। স্বল্প সময়ের জন্য সন্ধ্যার আকাশে একসঙ্গে সাতটি গ্রহ—মঙ্গল, বৃহস্পতি, ইউরেনাস, শুক্র, নেপচুন, বুধ ও শনি দেখা যাবে। বিজ্ঞানীরা এ ধরনের ঘটনাকে ‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ বা ‘গ্রহের সমাবেশ’ বলে থাকেন। ২০৪০ সালের আগে এ ধরনের দৃশ্য আর দেখা যাবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

চারটি গ্রহ – বুধ, শুক্র, বৃহস্পতি এবং মঙ্গল- খালি চোখে দেখা যাবে। শনি গ্রহটি দিগন্তের নিচে থাকায় এটি দেখা কঠিন হবে। অন্য দুটি গ্রহ ইউরেনাস এবং নেপচুন দেখতে আপনার টেলিস্কোপের প্রয়োজন হবে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে এই গ্রহগুলো দেখার সর্বোত্তম সুযোগ মিলবে।

তবে সাতটি গ্রহ দেখতে পাওয়ার সময়কাল খুব সংক্ষিপ্ত। রয়্যাল অবজারভেটরি গ্রিনউইচের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. এডওয়ার্ড ব্লুমার বলেন, ‘সাতটি গ্রহকে একসঙ্গে দেখার এটি একটি বিরল সুযোগ’। শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল গত বছরের এপ্রিলে, যখন উত্তর আমেরিকার আকাশে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ চলাকালীন এই সংযোগ দেখা যায়।

যদিও পুরো সংযোগটি আজ (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা যাবে, এর আগে ২১ জানুয়ারি থেকে সাতটির মধ্যে ছয়টি গ্রহকে আকাশে একত্রে দেখা যায়। পাঁচ বা ছয়টি গ্রহের সংযোগকে সাধারণত বড় সংযোগ বলা হয়, তবে সাতটি গ্রহের সংযোগ অত্যন্ত বিরল ঘটনা। পৃথিবীসহ আমাদের সৌরজগতের আটটি মূল গ্রহ একই কক্ষপথে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। তবে সূর্যের চারপাশে তাদের ঘূর্ণায়মানের গতি ভিন্ন ভিন্ন হয়। সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে থাকে। অর্থাৎ গ্রহটিতে ৮৮ দিনে ১ বছর হয়।

আবার সূর্যকে এককার ঘুরতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন। আর নেপচুনের সময় লাগে ৬০ হাজার ১৯০ দিন। অর্থাৎ নেপচুন গ্রহের এক বছরের মানে হলো পৃথিবীর প্রায় ১৬৫ বছর। গ্রহগুলোর গতি ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় কখনো কখনো কিছু গ্রহ সূর্যের একই পাশে সারিবদ্ধ হয়ে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। গ্রহগুলো যদি সূর্যের ডান দিকে থেকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে, তখন সেগুলো পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়। অর্থাৎ আমরা রাতের আকাশে একসঙ্গে কয়েকটি গ্রহকে দেখতে পাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির বর্ধিত সভায় গৃহীত প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত

এককাতারে সৌরজগতের ৭ গ্রহ, বিরল দৃশ্যটি দেখবেন যেভাবে

আপডেট সময় : ০১:১৩:২৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ পাচ্ছে বিশ্ববাসী। স্বল্প সময়ের জন্য সন্ধ্যার আকাশে একসঙ্গে সাতটি গ্রহ—মঙ্গল, বৃহস্পতি, ইউরেনাস, শুক্র, নেপচুন, বুধ ও শনি দেখা যাবে। বিজ্ঞানীরা এ ধরনের ঘটনাকে ‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ বা ‘গ্রহের সমাবেশ’ বলে থাকেন। ২০৪০ সালের আগে এ ধরনের দৃশ্য আর দেখা যাবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

চারটি গ্রহ – বুধ, শুক্র, বৃহস্পতি এবং মঙ্গল- খালি চোখে দেখা যাবে। শনি গ্রহটি দিগন্তের নিচে থাকায় এটি দেখা কঠিন হবে। অন্য দুটি গ্রহ ইউরেনাস এবং নেপচুন দেখতে আপনার টেলিস্কোপের প্রয়োজন হবে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে এই গ্রহগুলো দেখার সর্বোত্তম সুযোগ মিলবে।

তবে সাতটি গ্রহ দেখতে পাওয়ার সময়কাল খুব সংক্ষিপ্ত। রয়্যাল অবজারভেটরি গ্রিনউইচের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. এডওয়ার্ড ব্লুমার বলেন, ‘সাতটি গ্রহকে একসঙ্গে দেখার এটি একটি বিরল সুযোগ’। শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল গত বছরের এপ্রিলে, যখন উত্তর আমেরিকার আকাশে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ চলাকালীন এই সংযোগ দেখা যায়।

যদিও পুরো সংযোগটি আজ (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা যাবে, এর আগে ২১ জানুয়ারি থেকে সাতটির মধ্যে ছয়টি গ্রহকে আকাশে একত্রে দেখা যায়। পাঁচ বা ছয়টি গ্রহের সংযোগকে সাধারণত বড় সংযোগ বলা হয়, তবে সাতটি গ্রহের সংযোগ অত্যন্ত বিরল ঘটনা। পৃথিবীসহ আমাদের সৌরজগতের আটটি মূল গ্রহ একই কক্ষপথে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। তবে সূর্যের চারপাশে তাদের ঘূর্ণায়মানের গতি ভিন্ন ভিন্ন হয়। সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে থাকে। অর্থাৎ গ্রহটিতে ৮৮ দিনে ১ বছর হয়।

আবার সূর্যকে এককার ঘুরতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন। আর নেপচুনের সময় লাগে ৬০ হাজার ১৯০ দিন। অর্থাৎ নেপচুন গ্রহের এক বছরের মানে হলো পৃথিবীর প্রায় ১৬৫ বছর। গ্রহগুলোর গতি ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় কখনো কখনো কিছু গ্রহ সূর্যের একই পাশে সারিবদ্ধ হয়ে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। গ্রহগুলো যদি সূর্যের ডান দিকে থেকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে, তখন সেগুলো পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়। অর্থাৎ আমরা রাতের আকাশে একসঙ্গে কয়েকটি গ্রহকে দেখতে পাই।