বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

দুর্নীতির মামলায় ইমরান খানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৫০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৭৯ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন পাকিস্তানের একটি আদালত। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এই সাজা দেওয়া হয় বলে পাকিস্তানের স্থানীয় সম্প্রচারক এআরওয়াই নিউজ জানিয়েছে। দেশটির রাওয়ালপিন্ডির গ্যারিসন শহরের একটি কারাগারের দুর্নীতি দমন আদালত এই মামলার রায় দিয়েছেন। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ইমরান খান সেখানেই কারাবন্দি।

আল-কাদির ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা হিসেবে পরিচিত এই মামলার রায়ে ইমরান খানের ১৪ বছরের জেল এবং বুশরা বিবির সাত বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, তাদের নেতৃত্বাধীন আল-কাদির ইউনিভার্সিটি প্রকল্পে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে তারা ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন। আদালত ইমরান খানকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি এবং বুশরা বিবিকে এর অর্ধেক—অর্থাৎ পাঁচ লাখ রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বিচারক নাসির জাভেদ রানা সাজা ঘোষণা করে বলেন, ‘প্রসিকিউশন তার মামলার অভিযোগ প্রমাণ করেছে। ইমরান খান দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।’

ইমরান খান, ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আল-কাদির ট্রাস্টের নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন।

এই প্রকল্পের জন্য তারা মালিক রিয়াজ নামে এক সম্পদশালী ব্যক্তির কাছ থেকে জমি গ্রহণ করেন, যা পরে দাতব্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রকল্পটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ২৩৯ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থপাচার হয়েছে বলে অভিযোগ।

২০২২ সালে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হওয়ার পর তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এর পর থেকে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। ইমরান খানের আইনজীবী ফয়সাল ফারিদ চৌধুরী এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে

দুর্নীতির মামলায় ইমরান খানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৭:০১:৫০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫

দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন পাকিস্তানের একটি আদালত। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এই সাজা দেওয়া হয় বলে পাকিস্তানের স্থানীয় সম্প্রচারক এআরওয়াই নিউজ জানিয়েছে। দেশটির রাওয়ালপিন্ডির গ্যারিসন শহরের একটি কারাগারের দুর্নীতি দমন আদালত এই মামলার রায় দিয়েছেন। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ইমরান খান সেখানেই কারাবন্দি।

আল-কাদির ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা হিসেবে পরিচিত এই মামলার রায়ে ইমরান খানের ১৪ বছরের জেল এবং বুশরা বিবির সাত বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, তাদের নেতৃত্বাধীন আল-কাদির ইউনিভার্সিটি প্রকল্পে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে তারা ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন। আদালত ইমরান খানকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি এবং বুশরা বিবিকে এর অর্ধেক—অর্থাৎ পাঁচ লাখ রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বিচারক নাসির জাভেদ রানা সাজা ঘোষণা করে বলেন, ‘প্রসিকিউশন তার মামলার অভিযোগ প্রমাণ করেছে। ইমরান খান দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।’

ইমরান খান, ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আল-কাদির ট্রাস্টের নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন।

এই প্রকল্পের জন্য তারা মালিক রিয়াজ নামে এক সম্পদশালী ব্যক্তির কাছ থেকে জমি গ্রহণ করেন, যা পরে দাতব্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রকল্পটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ২৩৯ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থপাচার হয়েছে বলে অভিযোগ।

২০২২ সালে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হওয়ার পর তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এর পর থেকে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। ইমরান খানের আইনজীবী ফয়সাল ফারিদ চৌধুরী এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন।

সূত্র: রয়টার্স