রবিবার | ১৫ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন  Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ….শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপি নেতা এম এ হাসান Logo বই—একটি আত্মার আয়না, একটি সভ্যতার হৃদস্পন্দন, একটি জাতির ভবিষ্যতের স্থপতি — তৌফিক সুলতান, জ্ঞানের জগৎ গ্রন্থের লেখক Logo দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফুটাল ‘স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা Logo চাঁদপুরে প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo অমর একুশে বইমেলায় খুবি শিক্ষার্থীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তোমার শহরে কারফিউ’ Logo বীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২জন নিহত, আহত ৭ Logo কটকা ট্রাজেডিতে শহীদদের স্মরণে খুবিতে শোক দিবস পালন

মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:১০ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ওপর সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট বৃদ্ধি করেছে সরকার।  এতে করে মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়বে। পাশাপাশি বাড়বে  মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ। সরকার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট এবং সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ জারি করে। অধ্যাদেশ দুটি হলো-মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং দ্য এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫।এ অধ্যাদেশের ফলে মোবাইল ফোন সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধিতে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়বে।

এত দিন মুঠোফোনের সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের ওপর ২০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ হতো। এটি বাড়িয়ে এখন ২৩ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে মুঠোফোনে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচও বাড়বে।

শুল্ক-কর বৃদ্ধির তালিকায় আরও আছে ব্র্যান্ডের পোশাক, রেস্তোরার খাবার, টিস্যু, সিগারেট, বাদাম, আম, কমলালেবু, আঙুর, আপেল ও নাশপাতি, ফলের রস, যেকোনো ধরনের তাজা ফল, রং, ডিটারজেন্ট, পটেটো ফ্ল্যাকস, চশমার প্লাস্টিক ও মেটাল ফ্রেম, রিডিং গ্লাস, সানগ্লাস, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও তাতে ব্যবহৃত তেল, বিদ্যুতের খুঁটি, সিআর কয়েল, জিআই তার ইত্যাদি। এ ছাড়া ভ্রমণ করও বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১ জানুয়ারি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির এনবিআরের প্রস্তাব পাস করা হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত সাপেক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ না থাকায় অধ্যাদেশের মাধ্যমে শুল্ক-কর বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন 

মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:১০ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৫

মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ওপর সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট বৃদ্ধি করেছে সরকার।  এতে করে মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়বে। পাশাপাশি বাড়বে  মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ। সরকার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট এবং সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ জারি করে। অধ্যাদেশ দুটি হলো-মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং দ্য এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫।এ অধ্যাদেশের ফলে মোবাইল ফোন সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধিতে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়বে।

এত দিন মুঠোফোনের সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের ওপর ২০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ হতো। এটি বাড়িয়ে এখন ২৩ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে মুঠোফোনে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচও বাড়বে।

শুল্ক-কর বৃদ্ধির তালিকায় আরও আছে ব্র্যান্ডের পোশাক, রেস্তোরার খাবার, টিস্যু, সিগারেট, বাদাম, আম, কমলালেবু, আঙুর, আপেল ও নাশপাতি, ফলের রস, যেকোনো ধরনের তাজা ফল, রং, ডিটারজেন্ট, পটেটো ফ্ল্যাকস, চশমার প্লাস্টিক ও মেটাল ফ্রেম, রিডিং গ্লাস, সানগ্লাস, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও তাতে ব্যবহৃত তেল, বিদ্যুতের খুঁটি, সিআর কয়েল, জিআই তার ইত্যাদি। এ ছাড়া ভ্রমণ করও বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১ জানুয়ারি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির এনবিআরের প্রস্তাব পাস করা হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত সাপেক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ না থাকায় অধ্যাদেশের মাধ্যমে শুল্ক-কর বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।