রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

অনর্গল গালি দিতে পারা মেয়েদের গুণ!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৯:২২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৭৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

কোন বয়েসে আপনি প্রথম গালাগালি দিয়েছিলেন মনে পড়ে? ছোট থেকেই আপনি নিশ্চয়ই শুনে আসছেন মুখে খারাপ কথা একদম আনা উচিত নয়। যারা গালাগালি দেয়, তারা খারাপ লোক। আর মেয়েরা গালাগাল দেবে? ওরে বাবা! ছেলেদের মুখ খারাপ করা যদিও বা চলতে পারে, মেয়েরা তো খারাপ কথা বলতেই পারবেন না। ছোট থেকেই আমরা এই সব শিখে এসেছি। গালাগালি বা খিস্তি যারা দেয় তারা অভদ্রের দলে পড়ে। এদের তিরস্কারই প্রাপ্য। এদের সঙ্গে মেলামেশা করাই উচিত নয়।

এই শিক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে দিলেন একদল গবেষক। ম্যাসাচুসেটস্ কলেজ অফ লিবারাল আর্টস্ এবং মারিস্ট কলেজের গবেষকরা বলছেন, যারা অনর্গল খিস্তি করতে পারে তারা অন্যদের থেকে অনেক স্মার্ট। তাদের শব্দভাণ্ডার অনেক বেশি। আর তারা কথাবার্তাতেও অনেক বেশি পারদর্শী।

বিজ্ঞানীরা কন্ট্রোলড ওয়ার্ড অ্যাসোসিয়েশন টেস্টের মাধ্যমে একটি পরীক্ষা চালান। এই পরীক্ষার মাধ্যমে মূলত কার শব্দভাণ্ডার কত সমৃদ্ধ, তার পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার পরে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বলা হয় এক মিনিটে যত পারে তত গালাগালি দিতে।

পরীক্ষার শেষে দেখা যায়, যারা সহজে খিস্তি দিতে পারছে তারা সাধারণ শব্দও জানে অনেক বেশি।

এই গবেষণা থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। এসব ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের থেকে অনেক এগিয়ে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যেসব মেয়েরা বেশি মুখ খারাপ করেছে, তারা ছেলেদের থেকে বেশি শব্দ জানে।

অধ্যাপক টনি ম্যাকনারির কথায়, পুরুষদের একরকম ভাষা আর মহিলাদের ভাষা আলাদা, এই ধারণাই ভুল। মেয়েরা একরকম ভাষা বলবে, ছেলেরা একরকম বলবে- এই ধারণাও ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

অনর্গল গালি দিতে পারা মেয়েদের গুণ!

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:২২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

কোন বয়েসে আপনি প্রথম গালাগালি দিয়েছিলেন মনে পড়ে? ছোট থেকেই আপনি নিশ্চয়ই শুনে আসছেন মুখে খারাপ কথা একদম আনা উচিত নয়। যারা গালাগালি দেয়, তারা খারাপ লোক। আর মেয়েরা গালাগাল দেবে? ওরে বাবা! ছেলেদের মুখ খারাপ করা যদিও বা চলতে পারে, মেয়েরা তো খারাপ কথা বলতেই পারবেন না। ছোট থেকেই আমরা এই সব শিখে এসেছি। গালাগালি বা খিস্তি যারা দেয় তারা অভদ্রের দলে পড়ে। এদের তিরস্কারই প্রাপ্য। এদের সঙ্গে মেলামেশা করাই উচিত নয়।

এই শিক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে দিলেন একদল গবেষক। ম্যাসাচুসেটস্ কলেজ অফ লিবারাল আর্টস্ এবং মারিস্ট কলেজের গবেষকরা বলছেন, যারা অনর্গল খিস্তি করতে পারে তারা অন্যদের থেকে অনেক স্মার্ট। তাদের শব্দভাণ্ডার অনেক বেশি। আর তারা কথাবার্তাতেও অনেক বেশি পারদর্শী।

বিজ্ঞানীরা কন্ট্রোলড ওয়ার্ড অ্যাসোসিয়েশন টেস্টের মাধ্যমে একটি পরীক্ষা চালান। এই পরীক্ষার মাধ্যমে মূলত কার শব্দভাণ্ডার কত সমৃদ্ধ, তার পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার পরে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বলা হয় এক মিনিটে যত পারে তত গালাগালি দিতে।

পরীক্ষার শেষে দেখা যায়, যারা সহজে খিস্তি দিতে পারছে তারা সাধারণ শব্দও জানে অনেক বেশি।

এই গবেষণা থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। এসব ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের থেকে অনেক এগিয়ে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যেসব মেয়েরা বেশি মুখ খারাপ করেছে, তারা ছেলেদের থেকে বেশি শব্দ জানে।

অধ্যাপক টনি ম্যাকনারির কথায়, পুরুষদের একরকম ভাষা আর মহিলাদের ভাষা আলাদা, এই ধারণাই ভুল। মেয়েরা একরকম ভাষা বলবে, ছেলেরা একরকম বলবে- এই ধারণাও ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে।