মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

মালয়েশিয়ার পামবাগানে কর্মী যাওয়া বন্ধ হচ্ছে

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:১৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৮৪ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন সেক্টরে (পামবাগান) কর্মী নেওয়া আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ করছে মালয়েশিয়া সরকার। সেই কারণে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন কার্যক্রম বন্ধ করবে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। 

বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ১৫ জানুয়ারি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধ করে দিবে। আজ সোমবার বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিকে (বায়রা) পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ারের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় প্লান্টেশন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার প্লান্টেশন সেক্টরের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রবেশের সর্বশেষ সময়সীমা ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে চাহিদাপত্র সত্যায়ন শেষ হবে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন সেক্টরের জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি বন্ধ করে দিবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এই সেক্টরে কর্মী পাঠানোর জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কর্মীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ অভিবাসন ব্যয় ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার অতিরিক্ত অর্থ নিতে পারবে না। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে সকল লেনদেন উপযুক্ত লিখিত দলিল রশিদ বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্ট ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মীদের লেনদেন না করার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের পূর্বে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসা, বিএমইটির ছাড়পত্র, বিমান টিকেট ও প্রাক বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন সহ সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

মালয়েশিয়ার পামবাগানে কর্মী যাওয়া বন্ধ হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৯:১১:১৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন সেক্টরে (পামবাগান) কর্মী নেওয়া আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ করছে মালয়েশিয়া সরকার। সেই কারণে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন কার্যক্রম বন্ধ করবে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। 

বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ১৫ জানুয়ারি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধ করে দিবে। আজ সোমবার বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিকে (বায়রা) পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ারের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় প্লান্টেশন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার প্লান্টেশন সেক্টরের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রবেশের সর্বশেষ সময়সীমা ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে চাহিদাপত্র সত্যায়ন শেষ হবে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন সেক্টরের জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি বন্ধ করে দিবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এই সেক্টরে কর্মী পাঠানোর জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কর্মীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ অভিবাসন ব্যয় ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার অতিরিক্ত অর্থ নিতে পারবে না। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে সকল লেনদেন উপযুক্ত লিখিত দলিল রশিদ বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্ট ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মীদের লেনদেন না করার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের পূর্বে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসা, বিএমইটির ছাড়পত্র, বিমান টিকেট ও প্রাক বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন সহ সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।