মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

মরমী লোককবি পাগলাকানাইয়ের তিনদিন ব্যাপী জন্ম জয়ন্তী উৎসব শুরু হচ্ছে কাল !

  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৫৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ মার্চ ২০১৭
  • ৮৩৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহের মরমী লোক কবি পাগলা কানাইয়ের ২০৭ তম জন্ম জয়ন্তী বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষ্যে বেড়বাড়ি গ্রামে পাগলা কানাই স্মৃতি সংরক্ষন পরিষদ তিনদিন ব্যাপী বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সকাল ১০টায় কবির নিজ গ্রাম বেড়বাড়িতে প্রধান অতিথি হিসেবে জন্ম উৎসবের উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার। এছাড়া কবির মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পন, মিলাদ মাহফিল, লাঠি খেলা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও কবি রচিত সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

১১ মার্চ এই অনুষ্ঠান শেষ হবে। অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আবু ইউসুফ মো রেজাউর রহমান, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, গবেষক এড. মীর সাখাওয়াত হোসেন ও আক্কাস আলী উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন পাগলাকানাই স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ। উল্লেখ্য লোক-সাধনা ও মরমী সঙ্গীতের এ কবি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামে বাংলা ১২১৬ সালের ২৫ ফাল্গুন জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ১২৯৬ সালের ২৮ আষাঢ় তিনি উন্তেকাল করেন।

ইতিহাস থেকে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই তিনি দূরন্ত ও আধ্যাত্মিক স্বভাবের ছিলেন। বাল্যকালে পিতৃহারা পাগলা কানাই-এর ঘরে মন না টেকায় অর্থের অভাবে পড়ালেখা হয়নি। তিনি মানুষের বাড়ি রাখালের কাজ করেছেন। গরু চরাতে গিয়ে ধুয়ো জারি গান গাইতেন। নিরক্ষর হলেও তার স্মৃতি, মেধা ছিল প্রখর। তিনি উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গান রচনা করে নিজ কন্ঠে পরিবেশন করতেন।

তার সঙ্গীতে যেমন ইসলাম ধর্মের তত্বকে প্রচার করেছেন তেমনি হিন্দু-পুরান রামায়ণ ও মহাভারত থেকেও নানা উপমার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। এ কারণেই তার গান সর্বজনীনতা লাভ করে। তার মধ্যে বাউল ও কবিয়াল এ দুয়ের যথার্থ মিলন ঘটেছে। পাগলাকানাই-এর গান গ্রামগঞ্জে আজও টিকে আছে। পাগলাকানাই স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ জানান, কবির জন্মজয়ন্তী পালন করতে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

মরমী লোককবি পাগলাকানাইয়ের তিনদিন ব্যাপী জন্ম জয়ন্তী উৎসব শুরু হচ্ছে কাল !

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৫৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ মার্চ ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহের মরমী লোক কবি পাগলা কানাইয়ের ২০৭ তম জন্ম জয়ন্তী বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষ্যে বেড়বাড়ি গ্রামে পাগলা কানাই স্মৃতি সংরক্ষন পরিষদ তিনদিন ব্যাপী বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সকাল ১০টায় কবির নিজ গ্রাম বেড়বাড়িতে প্রধান অতিথি হিসেবে জন্ম উৎসবের উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার। এছাড়া কবির মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পন, মিলাদ মাহফিল, লাঠি খেলা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও কবি রচিত সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

১১ মার্চ এই অনুষ্ঠান শেষ হবে। অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আবু ইউসুফ মো রেজাউর রহমান, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, গবেষক এড. মীর সাখাওয়াত হোসেন ও আক্কাস আলী উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন পাগলাকানাই স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ। উল্লেখ্য লোক-সাধনা ও মরমী সঙ্গীতের এ কবি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামে বাংলা ১২১৬ সালের ২৫ ফাল্গুন জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ১২৯৬ সালের ২৮ আষাঢ় তিনি উন্তেকাল করেন।

ইতিহাস থেকে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই তিনি দূরন্ত ও আধ্যাত্মিক স্বভাবের ছিলেন। বাল্যকালে পিতৃহারা পাগলা কানাই-এর ঘরে মন না টেকায় অর্থের অভাবে পড়ালেখা হয়নি। তিনি মানুষের বাড়ি রাখালের কাজ করেছেন। গরু চরাতে গিয়ে ধুয়ো জারি গান গাইতেন। নিরক্ষর হলেও তার স্মৃতি, মেধা ছিল প্রখর। তিনি উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গান রচনা করে নিজ কন্ঠে পরিবেশন করতেন।

তার সঙ্গীতে যেমন ইসলাম ধর্মের তত্বকে প্রচার করেছেন তেমনি হিন্দু-পুরান রামায়ণ ও মহাভারত থেকেও নানা উপমার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। এ কারণেই তার গান সর্বজনীনতা লাভ করে। তার মধ্যে বাউল ও কবিয়াল এ দুয়ের যথার্থ মিলন ঘটেছে। পাগলাকানাই-এর গান গ্রামগঞ্জে আজও টিকে আছে। পাগলাকানাই স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ জানান, কবির জন্মজয়ন্তী পালন করতে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।