সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

২২ বছর ধরে ম্যানহোলে বসবাস !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:৪৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৮২৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

এই পৃথিবীতে সাধারণত দুই ধরনের মানুষের দেখা মেলে। এর মধ্যে এক ধরনের মানুষ আছে যারা সব সময় গোছানো একটি জীবন যাপন করতেই বেশি পছন্দ করে। তাদের চাহিদাও অন্তহীন।

আবার আরেক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা কিনা খুব অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে। তাদের যা আছে তা নিয়েই তারা সুখে শান্তিতে দিনযাপন করে।

কলম্বিয়ার দম্পতি মারিয়া গার্সিয়া এবং তার স্বামী মিগুয়েল রেসট্রেপো মূলত এই শ্রেণীর মানুষের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কারণ এই দম্পতি গত ২২ বছর ধরে একটি ম্যানহোলের মধ্যে বসবাস করছে। যদিও এটা বিশ্বাস করা কঠিন, কিন্তু এটাই সত্যি যে তারা গত ২২ বছর ধরে রাস্তার ম্যানহোলেই শান্তিতে বসবাস করে আসছে।

মারিয়া ও মিগুয়েলের যখন প্রথমবার কলম্বিয়ার মেডেলিন শহরে দেখা হয় তখন তারা উভয়ই মাদকাসক্ত ছিল। সে সময় কলম্বিয়ার এই এলাকাটি সহিংসতা ও পাচারের জন্য কুখ্যাত হিসেবে পরিচিত ছিল। তারা দুজনেই রাস্তায় বসবাস করতো এবং মাদক তাদের জীবনকে নষ্ট করে দিচ্ছিল।

এরপর তারা একে অপরের সাহচর্যের মধ্যে সান্ত্বনা খুঁজে পায় এবং তারা একসঙ্গে মাদকাসক্তিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তাদেরকে আশ্রয় বা কোনো আর্থিক সাহায্য দেওয়ার জন্য কোনো বন্ধু বা পরিবার তাদের সঙ্গে ছিল না। তখন তারা শহরের একটি ম্যানহোলের মধ্যেই বসবাস শুরু করেন।

এই ম্যানহোলেই তারা মাদকের অপব্যবহারের থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখতে পেরেছিল, তাদের জীবনের একটি নতুন নির্দেশনা পেয়েছিল এবং একে অন্যের প্রতি তাদের প্রেম শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল।

জীবনের ২২টি বছর ধরে তারা এই ম্যানহোলে বসবাস করছে এবং এই স্থানটি ত্যাগ করার কোনো উদ্দেশ্যও তাদের নেই। এই ম্যানহোলের অভ্যন্তরে তাদের বিদ্যুৎ, লাইট সেই সঙ্গে একটি রান্নাঘর রয়েছে। বাকি সবার মতোই তারা উৎসব ও ছুটির সময়ে তাদের বাড়ি-ঘর সাজাতেও ভালোবাসে।

এই দম্পতির ব্লাকি নামের একটি কুকুরও রয়েছে, যে তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের বাসস্থান পাহারা দেয়। এই ম্যানহোলের মধ্যেই তাদের সুখী সংসার!

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

২২ বছর ধরে ম্যানহোলে বসবাস !

আপডেট সময় : ০২:০৭:৪৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

এই পৃথিবীতে সাধারণত দুই ধরনের মানুষের দেখা মেলে। এর মধ্যে এক ধরনের মানুষ আছে যারা সব সময় গোছানো একটি জীবন যাপন করতেই বেশি পছন্দ করে। তাদের চাহিদাও অন্তহীন।

আবার আরেক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা কিনা খুব অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে। তাদের যা আছে তা নিয়েই তারা সুখে শান্তিতে দিনযাপন করে।

কলম্বিয়ার দম্পতি মারিয়া গার্সিয়া এবং তার স্বামী মিগুয়েল রেসট্রেপো মূলত এই শ্রেণীর মানুষের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কারণ এই দম্পতি গত ২২ বছর ধরে একটি ম্যানহোলের মধ্যে বসবাস করছে। যদিও এটা বিশ্বাস করা কঠিন, কিন্তু এটাই সত্যি যে তারা গত ২২ বছর ধরে রাস্তার ম্যানহোলেই শান্তিতে বসবাস করে আসছে।

মারিয়া ও মিগুয়েলের যখন প্রথমবার কলম্বিয়ার মেডেলিন শহরে দেখা হয় তখন তারা উভয়ই মাদকাসক্ত ছিল। সে সময় কলম্বিয়ার এই এলাকাটি সহিংসতা ও পাচারের জন্য কুখ্যাত হিসেবে পরিচিত ছিল। তারা দুজনেই রাস্তায় বসবাস করতো এবং মাদক তাদের জীবনকে নষ্ট করে দিচ্ছিল।

এরপর তারা একে অপরের সাহচর্যের মধ্যে সান্ত্বনা খুঁজে পায় এবং তারা একসঙ্গে মাদকাসক্তিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তাদেরকে আশ্রয় বা কোনো আর্থিক সাহায্য দেওয়ার জন্য কোনো বন্ধু বা পরিবার তাদের সঙ্গে ছিল না। তখন তারা শহরের একটি ম্যানহোলের মধ্যেই বসবাস শুরু করেন।

এই ম্যানহোলেই তারা মাদকের অপব্যবহারের থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখতে পেরেছিল, তাদের জীবনের একটি নতুন নির্দেশনা পেয়েছিল এবং একে অন্যের প্রতি তাদের প্রেম শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল।

জীবনের ২২টি বছর ধরে তারা এই ম্যানহোলে বসবাস করছে এবং এই স্থানটি ত্যাগ করার কোনো উদ্দেশ্যও তাদের নেই। এই ম্যানহোলের অভ্যন্তরে তাদের বিদ্যুৎ, লাইট সেই সঙ্গে একটি রান্নাঘর রয়েছে। বাকি সবার মতোই তারা উৎসব ও ছুটির সময়ে তাদের বাড়ি-ঘর সাজাতেও ভালোবাসে।

এই দম্পতির ব্লাকি নামের একটি কুকুরও রয়েছে, যে তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের বাসস্থান পাহারা দেয়। এই ম্যানহোলের মধ্যেই তাদের সুখী সংসার!