সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করলো একদল শিম্পাঞ্জি, তারপর…

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:১০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৮৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

একদল শিম্পাঞ্জি তাদের নেতাকে হত্যা করে মরদেহ খেয়েছে। সম্প্রতি ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব প্রাইমেটোলজি’তে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে।তবে শিম্পাঞ্জিদের দলের সদস্যকে হত্যা করার ঘটনা এই প্রথম নয়, কিন্তু বিরল তো বটেই। এবারেরটা নবম খুনের ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

২০০৭ সালের কথা। সেনেগালে ৩০টি শিম্পঞ্জির একটি দলের নেতা ছিলেন ফোডুকো। এ তথ্য জানানো হয় ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটি রিপোর্টে। নেতা শিম্পাঞ্জি ‘সাদ্দাম’ নামে পরিচিত ছিল। অ্যানথ্রোপলজিস্ট জিল প্রুয়েৎজ জানান, ফোডুকো ওরফে সাদ্দাম কিন্তু স্বৈরাচার নেতা ছিল। তবে সে কয়েক বছর ধরে নির্বাসিত ছিল।

২০১৩ সালে নেতাকে হত্যা করে একদল কম বয়সী শিম্পাঞ্জি। তাকে মেরে দেহ একেবারে চিড়ে ফেলে এবং কিছু অংশ খেয়েও ফেলে। এই বীভৎস ঘটনা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে তারা মৃতদেহের ওপর আক্রোশ দেখিয়ে চলে।নেতার দেহের হাড় ভাঙে তারা। পাথর দিয়ে মারে এবং দেহটি ছিঁড়ে ফেলে। এ ঘটনা দেখে তাজ্জব বনে যান বিজ্ঞানীরা।

তবে এ ঘটনার পেছনে শেষ পর্যন্ত মানুষকেই দায়ী করা যায় বলে মনে করেন প্রুয়েৎজ। ফুডুকোর সমাজ সংখ্যায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। পুরুষ শিম্পাঞ্জির সংখ্যা বেশ বেড়ে যায়। এ ছাড়া পোচার বা অবৈধ প্রাণী ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যবস্তু এসব শিম্পাঞ্জি। এসব ঘটনায় তাদের মাঝে উত্তেজনা চড়তে থাকে। সম্ভবত কোনো স্ত্রী শিম্পাঞ্জির প্রতি প্রেম নিবেদন করতে গিয়েই অন্যদের রোষানলে পড়ে ফোডুকো। এ ছাড়া স্বৈরাচার আচরণের কারণেও তার প্রতি অন্যদের ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। কতটা ব্যাপক তা এ ঘটনার মাধ্যমেই আঁচ করা যায়।

এই বিরল ঘটনার মাধ্যমে শিম্পাঞ্জিদের আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সামাজিক নিয়ম-কানুন আরও পরিষ্কার হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করলো একদল শিম্পাঞ্জি, তারপর…

আপডেট সময় : ০৬:৩২:১০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

একদল শিম্পাঞ্জি তাদের নেতাকে হত্যা করে মরদেহ খেয়েছে। সম্প্রতি ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব প্রাইমেটোলজি’তে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে।তবে শিম্পাঞ্জিদের দলের সদস্যকে হত্যা করার ঘটনা এই প্রথম নয়, কিন্তু বিরল তো বটেই। এবারেরটা নবম খুনের ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

২০০৭ সালের কথা। সেনেগালে ৩০টি শিম্পঞ্জির একটি দলের নেতা ছিলেন ফোডুকো। এ তথ্য জানানো হয় ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটি রিপোর্টে। নেতা শিম্পাঞ্জি ‘সাদ্দাম’ নামে পরিচিত ছিল। অ্যানথ্রোপলজিস্ট জিল প্রুয়েৎজ জানান, ফোডুকো ওরফে সাদ্দাম কিন্তু স্বৈরাচার নেতা ছিল। তবে সে কয়েক বছর ধরে নির্বাসিত ছিল।

২০১৩ সালে নেতাকে হত্যা করে একদল কম বয়সী শিম্পাঞ্জি। তাকে মেরে দেহ একেবারে চিড়ে ফেলে এবং কিছু অংশ খেয়েও ফেলে। এই বীভৎস ঘটনা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে তারা মৃতদেহের ওপর আক্রোশ দেখিয়ে চলে।নেতার দেহের হাড় ভাঙে তারা। পাথর দিয়ে মারে এবং দেহটি ছিঁড়ে ফেলে। এ ঘটনা দেখে তাজ্জব বনে যান বিজ্ঞানীরা।

তবে এ ঘটনার পেছনে শেষ পর্যন্ত মানুষকেই দায়ী করা যায় বলে মনে করেন প্রুয়েৎজ। ফুডুকোর সমাজ সংখ্যায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। পুরুষ শিম্পাঞ্জির সংখ্যা বেশ বেড়ে যায়। এ ছাড়া পোচার বা অবৈধ প্রাণী ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যবস্তু এসব শিম্পাঞ্জি। এসব ঘটনায় তাদের মাঝে উত্তেজনা চড়তে থাকে। সম্ভবত কোনো স্ত্রী শিম্পাঞ্জির প্রতি প্রেম নিবেদন করতে গিয়েই অন্যদের রোষানলে পড়ে ফোডুকো। এ ছাড়া স্বৈরাচার আচরণের কারণেও তার প্রতি অন্যদের ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। কতটা ব্যাপক তা এ ঘটনার মাধ্যমেই আঁচ করা যায়।

এই বিরল ঘটনার মাধ্যমে শিম্পাঞ্জিদের আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সামাজিক নিয়ম-কানুন আরও পরিষ্কার হবে।