রবিবার | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

মেহেরপুরে মোবাইল কোর্টে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বিনষ্ট ও বালু জব্দ

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৫ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
  • ৭৫১ বার পড়া হয়েছে

রক্ষা পেলো শত শত বিঘা ফসলি জমি
নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ঘাসের মাঠ এলাকায় কয়েকমাস ধরে আবাদি জমি বিলিন করে ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর করে খনন করে বালু উত্তোলন করেছেন ওই এলাকার কয়েকজন অসাধু বালু ব্যবসায়ী। ফলে এলাকার পার্শ্ববর্তী জমি ধ্বসের আশঙ্কাসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটছিলো। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার দু’দিন ধরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি ড্রাম ড্রেজার বিনষ্ট ও উত্তোলনকৃত এক লাখ ৩৯ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করেছে সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সামিউল হক। তবে অভিযানের ঘটনা জানতে পেরে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সামিউল হক জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযোগ পেয়ে বুধবার বিকাল এবং বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গিয়ে দেখা যায় ওই গ্রামের ওসমান গনি, ইমাদুল ইসলাম, বাদশা মন্ডল ও সমিল মন্ডল ড্রাম ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে স্তুপ করে রেখেছেন। তাৎক্ষনিকভাবে ওসমান গনি, ইমাদুল ইসলাম ও এনামুল হকের ড্রাম ড্রেজার ঘটনাস্থলে পেয়ে সেগুলো বিনষ্ট করা হয় এবং সকলের স্তুপ করে রাখা ১ লাখ ৩৯ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বালু পরবর্তীতে নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে। তিনি আরো জানান, বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর আওতায় ওই তিনটি অবৈধ ড্রাম ড্রেজার বিনষ্ট করা হয়েছে এবং বালুগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। এদিকে এলাকাবাসীরা জানান, এর আগেও তাদের জরিমানা করা হয়েছিল, তবুও তারা থেমে থাকেনি। এ ধরণের নজরদারী অব্যাহত থাকলে বালু উত্তোলনকারীদের হাত থেকে ফসলী জমি রক্ষাসহ এলাকার পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায়

মেহেরপুরে মোবাইল কোর্টে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বিনষ্ট ও বালু জব্দ

আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৫ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮

রক্ষা পেলো শত শত বিঘা ফসলি জমি
নিউজ ডেস্ক:মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ঘাসের মাঠ এলাকায় কয়েকমাস ধরে আবাদি জমি বিলিন করে ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর করে খনন করে বালু উত্তোলন করেছেন ওই এলাকার কয়েকজন অসাধু বালু ব্যবসায়ী। ফলে এলাকার পার্শ্ববর্তী জমি ধ্বসের আশঙ্কাসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটছিলো। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার দু’দিন ধরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি ড্রাম ড্রেজার বিনষ্ট ও উত্তোলনকৃত এক লাখ ৩৯ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করেছে সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সামিউল হক। তবে অভিযানের ঘটনা জানতে পেরে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সামিউল হক জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযোগ পেয়ে বুধবার বিকাল এবং বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গিয়ে দেখা যায় ওই গ্রামের ওসমান গনি, ইমাদুল ইসলাম, বাদশা মন্ডল ও সমিল মন্ডল ড্রাম ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে স্তুপ করে রেখেছেন। তাৎক্ষনিকভাবে ওসমান গনি, ইমাদুল ইসলাম ও এনামুল হকের ড্রাম ড্রেজার ঘটনাস্থলে পেয়ে সেগুলো বিনষ্ট করা হয় এবং সকলের স্তুপ করে রাখা ১ লাখ ৩৯ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বালু পরবর্তীতে নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে। তিনি আরো জানান, বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর আওতায় ওই তিনটি অবৈধ ড্রাম ড্রেজার বিনষ্ট করা হয়েছে এবং বালুগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। এদিকে এলাকাবাসীরা জানান, এর আগেও তাদের জরিমানা করা হয়েছিল, তবুও তারা থেমে থাকেনি। এ ধরণের নজরদারী অব্যাহত থাকলে বালু উত্তোলনকারীদের হাত থেকে ফসলী জমি রক্ষাসহ এলাকার পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে না।