শনিবার | ২১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা সভাপতির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান তানিয়া ইশতিয়াকের Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

মেহেরপুরে কৃষক আনোয়ার হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:০০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮
  • ৭৮২ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুর সংবাদদাতা॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার সকালে মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ গাজী রহমান এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ মাস করে জেল দেওয়া হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বেতবাড়িয়া গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হক, নুর বকসের ছেলে সালেহীন, খয়ের বকসের ছেলে খুশালী, মজিবুর রহমানের ছেলে হাসানুজ্জামান, এলাহী বকসের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। দন্ডিত হাসানুজ্জামান স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও বেতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।
মামলায় ৪ আসামিকে বেকুসর খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মশিউর রহমান, ইসাহাক আলী, দিনাত আলী ও কালু মিয়া।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, বেতবাড়িয়া গ্রামের ইসাহাক ও পচা গ্রুপের মধ্যে দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন ১৯৯৫ সালের ১১ মে ঈদের নামায পড়তে গেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পচা গ্রুপের আব্দুল গেজালের ছেলে মিনাল হোসেনকে আটকিয়ে রাখে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনা জানতে পেরে তাকে ছাড়াতে গেলে ইসাহাক গ্রুপের লোকজনের সাথে তাদের সংঘর্ঘ সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পচার ছেলে আনোয়ার হোসেন মারা যায়। ওই দিনই পচা গাংনী থানায় ২১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিদ্দিকুর রহমান প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও নথি পর্যালোচনা করে বিচারক অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে ৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ৪ জনকে বেকসুর খালাস দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্য এবং আসামি পক্ষে শহিদুল ইসলাম আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মেহেরপুরে কৃষক আনোয়ার হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১১:১৪:০০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮

মেহেরপুর সংবাদদাতা॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার সকালে মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ গাজী রহমান এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ মাস করে জেল দেওয়া হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বেতবাড়িয়া গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হক, নুর বকসের ছেলে সালেহীন, খয়ের বকসের ছেলে খুশালী, মজিবুর রহমানের ছেলে হাসানুজ্জামান, এলাহী বকসের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। দন্ডিত হাসানুজ্জামান স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও বেতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।
মামলায় ৪ আসামিকে বেকুসর খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মশিউর রহমান, ইসাহাক আলী, দিনাত আলী ও কালু মিয়া।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, বেতবাড়িয়া গ্রামের ইসাহাক ও পচা গ্রুপের মধ্যে দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন ১৯৯৫ সালের ১১ মে ঈদের নামায পড়তে গেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পচা গ্রুপের আব্দুল গেজালের ছেলে মিনাল হোসেনকে আটকিয়ে রাখে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনা জানতে পেরে তাকে ছাড়াতে গেলে ইসাহাক গ্রুপের লোকজনের সাথে তাদের সংঘর্ঘ সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পচার ছেলে আনোয়ার হোসেন মারা যায়। ওই দিনই পচা গাংনী থানায় ২১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিদ্দিকুর রহমান প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও নথি পর্যালোচনা করে বিচারক অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে ৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ৪ জনকে বেকসুর খালাস দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর পল্লব ভট্টাচার্য এবং আসামি পক্ষে শহিদুল ইসলাম আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।