শুক্রবার | ২০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা সভাপতির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান তানিয়া ইশতিয়াকের Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

কোটচাঁদপুরের পাঁচলিয়া গ্রামে চলছে আনন্দ মেলার নামে জুয়ার আসর, হাউজি, চরকি , ওয়ানটেন ও অশ্লীল নৃত্য ! হতাশ এলাকাবাসী !

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:৫১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই ২০১৮
  • ৭৮২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের পাঁচলিয়া গ্রামে আনন্দ মেলার নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য। সেই সঙ্গে বসেছে রমরমা জুয়ার আসর। এদিকে, যাত্রা ও ভ্যারাইটি শো’র নামে আয়োজিত অপসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে ছুটছেন তরুণ-তরুণী ও যুবকরা। মেলায় অশ্লীল নৃত্যের পাশাপাশি চালু আছে জুয়ার আসর, হাউজি, চরকি ও ওয়ানটেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, জুয়ার আসর ও অশ্লীল নৃত্য দেখে বিপদগামী হচ্ছে ছাত্র-তরুণ ও যুবসমাজ। প্রশাসন এবং কিছু অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ইন্ধনে চলছে মেলার নামে এসব বিস্তর অসামাজিক কার্যকলাপ। মেলার পাশে স্থানীয় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল থাকায় একদিকে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘœ হচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে করা হচ্ছে নিঃস্ব। প্রশাসন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ মেলার অনুমতি দিয়েছে বলেও তাদের অভিযোগ আছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন বিকেল থেকে উপজেলা ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, আলমসাধু, অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলযোগে মেলায় আসে শত শত মানুষ। সন্ধ্যার পর সার্কাস ও ম্যাজিক শো শুরু হয়। রাত ১১টার পর শুরু হয় ভ্যারাইটি শো। সেই সঙ্গে বসে জুয়ার আসর। গভীর রাত পর্যন্ত চলে অশ্লীল নৃত্য; চলে অশ্লীল গান। এই আনন্দ মেলার ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, মেলায় জুয়ার আসর এবং অশ্লীল নৃত্য হচ্ছে মর্মে কোনো অভিযোগ এখনো পর্যন্ত আসেনি। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলান্ত্রশাসক খোদেজা খাতুন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখতে বলছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোটচাঁদপুরের পাঁচলিয়া গ্রামে চলছে আনন্দ মেলার নামে জুয়ার আসর, হাউজি, চরকি , ওয়ানটেন ও অশ্লীল নৃত্য ! হতাশ এলাকাবাসী !

আপডেট সময় : ১১:৪৪:৫১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের পাঁচলিয়া গ্রামে আনন্দ মেলার নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য। সেই সঙ্গে বসেছে রমরমা জুয়ার আসর। এদিকে, যাত্রা ও ভ্যারাইটি শো’র নামে আয়োজিত অপসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে ছুটছেন তরুণ-তরুণী ও যুবকরা। মেলায় অশ্লীল নৃত্যের পাশাপাশি চালু আছে জুয়ার আসর, হাউজি, চরকি ও ওয়ানটেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, জুয়ার আসর ও অশ্লীল নৃত্য দেখে বিপদগামী হচ্ছে ছাত্র-তরুণ ও যুবসমাজ। প্রশাসন এবং কিছু অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ইন্ধনে চলছে মেলার নামে এসব বিস্তর অসামাজিক কার্যকলাপ। মেলার পাশে স্থানীয় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল থাকায় একদিকে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘœ হচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে করা হচ্ছে নিঃস্ব। প্রশাসন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ মেলার অনুমতি দিয়েছে বলেও তাদের অভিযোগ আছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন বিকেল থেকে উপজেলা ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, আলমসাধু, অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলযোগে মেলায় আসে শত শত মানুষ। সন্ধ্যার পর সার্কাস ও ম্যাজিক শো শুরু হয়। রাত ১১টার পর শুরু হয় ভ্যারাইটি শো। সেই সঙ্গে বসে জুয়ার আসর। গভীর রাত পর্যন্ত চলে অশ্লীল নৃত্য; চলে অশ্লীল গান। এই আনন্দ মেলার ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, মেলায় জুয়ার আসর এবং অশ্লীল নৃত্য হচ্ছে মর্মে কোনো অভিযোগ এখনো পর্যন্ত আসেনি। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলান্ত্রশাসক খোদেজা খাতুন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখতে বলছি।