মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নান্দাইলে ২২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ শুরু ॥ শ্রমিক সঙ্কট

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • ৮৭৪ বার পড়া হয়েছে

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ২২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ শুরু হয়েছে। তবে শীতকে উপেক্ষা করে বীজতলা ও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে বোরো আবাদে কৃষকরা সমস্যায় পড়েছেন। জানুয়ারির ১ম সপ্তাহ থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বোরো আবাদ সম্পন্ন করা হয় এবং এই বোরো ধান কাটা হয় বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসের মধ্যে। কিন্তু শৈত্যপ্রবাহের কারণে বীজতলার রোপণকৃত বীজ নষ্ট হয়েছে যার ফলে বীজ চারা সঙ্কট রয়েছে। তাই চড়া দামে বীজচারা ও মুজুরি কিনে আবাদে এখন পুরো ব্যস্ত সময় পাড় করছে নান্দাইলের কৃষকগণ। শ্রমিক প্রতি রোজ ৫০০ টাকা করে অথবা প্রতি বিঘা জমিতে চারা লাগাতে ১৩শ থেকে ১৬০০ টাকা লাগছে। উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের কৃষক রুবেল জানান, গরু মহিষ না থাকায় পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করলেও মই দেওয়া যায় না। তাই মই দিতে নিজেদেরকেই ব্যবহার করতে হয়। তবে তেল ও সারের দাম কম থাকলে হয়তো চাষাবাদের খরচ পোষিয়ে উঠা সম্ভব হবে। কৃষক শামীম মিয়া জানান, শ্রমিক পাওয়া যায়না বলেই নিজেরাই বীজতলা, জমি প্রস্তুত সহ চারা রোপণ করছি। কারণ জমিতো চাষ করতে হবে তানাহলে হয় জমি নষ্ট হবে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ধান চাষ না করলে না খেয়ে মরতে হবে। অপরদিকে শ্রমিক হেলাল উদ্দিন বলেন, এই শীতে কাদামাটি জমিতে কাজ করলে শরীরের অবস্থা খারাপতো হতে পারে। আবার সবকিছু জিনিসের দাম বাড়তি। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন ২২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বোর ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে । স্থানীয় জাত ৭৫ হেক্টর, উচ্চ ফলনশীল ২০ হাজার ২শত ২০ হেক্টর এবং হাইব্রীড ১ হাজার ৭শত ২০ হেক্টর জমিতে বোর ধান চাষ অব্যহত রয়েছে। এতে করে ৮৭ হাজার ৭শত ৮৯ মে:টন ধান নান্দাইলে উৎপাদিত হবে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নান্দাইল কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অপর দিকে চলতি বোর মৌসুমে নান্দাইলে ৪হাজার মে:টন ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে। কৃষি অফিসার জানান বিসিআইসি ১৩জন ডিলার পৌরসভা সহ ১২ ইউনিয়নে ১১৭জন তালিকা ভূক্ত খুচরা সার বিক্রেতা রয়েছে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক তারা সার সরবরাহ করে যাচ্ছেন। উপ-সহকারী কৃষি অফিসারগণ বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সারা নান্দাইলে কৃষকগণ বোরো জমিতে চাষাবাদ অব্যাহত রেখেছেন। কৃষকরা বলেন পানি সেচের বিষয়টি ভালো হলে এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ সহ সময়মত সার ও জমি পরিচর্যা করলে বাম্বার ফলনের আশা করা যায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

নান্দাইলে ২২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ শুরু ॥ শ্রমিক সঙ্কট

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ২২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ শুরু হয়েছে। তবে শীতকে উপেক্ষা করে বীজতলা ও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে বোরো আবাদে কৃষকরা সমস্যায় পড়েছেন। জানুয়ারির ১ম সপ্তাহ থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বোরো আবাদ সম্পন্ন করা হয় এবং এই বোরো ধান কাটা হয় বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসের মধ্যে। কিন্তু শৈত্যপ্রবাহের কারণে বীজতলার রোপণকৃত বীজ নষ্ট হয়েছে যার ফলে বীজ চারা সঙ্কট রয়েছে। তাই চড়া দামে বীজচারা ও মুজুরি কিনে আবাদে এখন পুরো ব্যস্ত সময় পাড় করছে নান্দাইলের কৃষকগণ। শ্রমিক প্রতি রোজ ৫০০ টাকা করে অথবা প্রতি বিঘা জমিতে চারা লাগাতে ১৩শ থেকে ১৬০০ টাকা লাগছে। উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের কৃষক রুবেল জানান, গরু মহিষ না থাকায় পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করলেও মই দেওয়া যায় না। তাই মই দিতে নিজেদেরকেই ব্যবহার করতে হয়। তবে তেল ও সারের দাম কম থাকলে হয়তো চাষাবাদের খরচ পোষিয়ে উঠা সম্ভব হবে। কৃষক শামীম মিয়া জানান, শ্রমিক পাওয়া যায়না বলেই নিজেরাই বীজতলা, জমি প্রস্তুত সহ চারা রোপণ করছি। কারণ জমিতো চাষ করতে হবে তানাহলে হয় জমি নষ্ট হবে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ধান চাষ না করলে না খেয়ে মরতে হবে। অপরদিকে শ্রমিক হেলাল উদ্দিন বলেন, এই শীতে কাদামাটি জমিতে কাজ করলে শরীরের অবস্থা খারাপতো হতে পারে। আবার সবকিছু জিনিসের দাম বাড়তি। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন ২২ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বোর ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে । স্থানীয় জাত ৭৫ হেক্টর, উচ্চ ফলনশীল ২০ হাজার ২শত ২০ হেক্টর এবং হাইব্রীড ১ হাজার ৭শত ২০ হেক্টর জমিতে বোর ধান চাষ অব্যহত রয়েছে। এতে করে ৮৭ হাজার ৭শত ৮৯ মে:টন ধান নান্দাইলে উৎপাদিত হবে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নান্দাইল কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অপর দিকে চলতি বোর মৌসুমে নান্দাইলে ৪হাজার মে:টন ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে। কৃষি অফিসার জানান বিসিআইসি ১৩জন ডিলার পৌরসভা সহ ১২ ইউনিয়নে ১১৭জন তালিকা ভূক্ত খুচরা সার বিক্রেতা রয়েছে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক তারা সার সরবরাহ করে যাচ্ছেন। উপ-সহকারী কৃষি অফিসারগণ বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সারা নান্দাইলে কৃষকগণ বোরো জমিতে চাষাবাদ অব্যাহত রেখেছেন। কৃষকরা বলেন পানি সেচের বিষয়টি ভালো হলে এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ সহ সময়মত সার ও জমি পরিচর্যা করলে বাম্বার ফলনের আশা করা যায়।