অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা চলাল যুক্তরাষ্ট্র !

  • আপডেট সময় : ১১:০২:৪০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত দু’টি দেশ, সাথে চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকি
আর তারই ধারাবাহিকতায় এবার অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা চলাল যুক্তরাষ্ট্র। স্কটল্যান্ডের উপকূল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী স্ট্যান্ডার্ড মিসাইল বা এসএম-৬ ছোঁড়ার মাধ্যমে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

স্কটল্যান্ডের ওয়েস্টার্ন আইলসে যখন সামরিক মহড়া ‘ফরমিয়েডেবল শিল্ড’ চলছে তখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ম্যাকফাউল বা ডিডি৭৪ থেকে ছোঁড়া হলো এসএম-৬।

এ ব্যাপারে মার্কিন ষষ্ঠ নৌবহরের বিবৃতিতে এই উৎক্ষেপণকে সফল হিসেবে দাবি করে বলা হয়েছে, এটি চলমান মহড়ার আওতায় ছোঁড়া হয়নি। আঘাত হানতে আসা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংসের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এসএম-৬ । লক্ষ্যবস্তুর দিকে প্রচণ্ড গতিতে ছুটে যেয়ে উচ্চ আকাশে তাকে ধ্বংস করে দেয় এটি। বিমান এবং স্থল উভয় যুদ্ধে এটি ব্যবহার করা যায়।

তাই ধারণা করা হচ্ছে, উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিপরীতে হয়তো ব্যবহার করা হবে এটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা চলাল যুক্তরাষ্ট্র !

আপডেট সময় : ১১:০২:৪০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত দু’টি দেশ, সাথে চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকি
আর তারই ধারাবাহিকতায় এবার অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা চলাল যুক্তরাষ্ট্র। স্কটল্যান্ডের উপকূল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী স্ট্যান্ডার্ড মিসাইল বা এসএম-৬ ছোঁড়ার মাধ্যমে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

স্কটল্যান্ডের ওয়েস্টার্ন আইলসে যখন সামরিক মহড়া ‘ফরমিয়েডেবল শিল্ড’ চলছে তখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ম্যাকফাউল বা ডিডি৭৪ থেকে ছোঁড়া হলো এসএম-৬।

এ ব্যাপারে মার্কিন ষষ্ঠ নৌবহরের বিবৃতিতে এই উৎক্ষেপণকে সফল হিসেবে দাবি করে বলা হয়েছে, এটি চলমান মহড়ার আওতায় ছোঁড়া হয়নি। আঘাত হানতে আসা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংসের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এসএম-৬ । লক্ষ্যবস্তুর দিকে প্রচণ্ড গতিতে ছুটে যেয়ে উচ্চ আকাশে তাকে ধ্বংস করে দেয় এটি। বিমান এবং স্থল উভয় যুদ্ধে এটি ব্যবহার করা যায়।

তাই ধারণা করা হচ্ছে, উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিপরীতে হয়তো ব্যবহার করা হবে এটি।