রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

বিচারাধীন বন্দির সন্তানকে নারী পুলিশকর্মীর স্তন্যদান !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭
  • ৮৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

পেশার কারণে তাদের কঠিন হতে হয়। কিন্তু হাজার হোক তিনি তো একজন নারী।
তাই আদালতে এক বিচারাধীন আসামীর শিশুসন্তানকে ক্ষূধার জ্বালায় কাঁদতে দেখে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারেননি চীনের এক নারীপুলিশ কর্মকর্তা। আদালতের কক্ষের বাইরে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে স্তন্যদান করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেই ঘটনার ছবি পড়েছে গোটা বিশ্বে।

ঘটনাটি ঘটেছে চীনের শাংজি প্রদেশে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সেখানকার একটি আদালতে মামলার শুনানি চলছিল। আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছিলেন এক নারী। আদালতে কক্ষেই ছিল ওই নারীর চারমাসের শিশুসন্তান। আচমকাই ক্ষুধা পেয়ে কাঁদতে শুরু করে শিশুটি। বহু চেষ্টা করেও কান্না থামানো যায়নি।

এরপরই মায়ের অনুমতি নিয়ে শিশুটিকে আদালত কক্ষের বাইরে নিয়ে গিয়ে স্তন্যদান করেন লিনা হাও নামে চিনের সেই নারীপুলিশ কর্মকর্তা। আদালতে কক্ষের বাইরে এককোণে চেয়ার বসে শিশুটিকে যখন স্তন্যদান করছিলেন লিনা, তখন তার ছবি তোলেন সেই নারী পুলিশ কর্মকর্তার এক সহকর্মী। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও করে দেন তিনি। শেয়ার করে ছবিটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেন নেটিজেনরা।

জানা গেছে, সদ্য মা হয়েছেন লিনা হাও নামে সেই চিনা নারী পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘আমি নিজে একজন মা। তাই ওই শিশুটির মা কতটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, সেটা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। মনে হয়েছিল, শিশুটিকে শান্ত করার জন্য কিছু করা উচিত। ’

লিনা হাওয়ের দাবি, তার জায়গায় যদি অন্য কোনও মহিলা পুলিশ কর্মকর্তা থাকতেন, তাহলে তিনিও একই কাজ করতেন। ওই শিশুটির মায়ের বিরুদ্ধে ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি। তাকে কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছেন বিচারক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

বিচারাধীন বন্দির সন্তানকে নারী পুলিশকর্মীর স্তন্যদান !

আপডেট সময় : ১২:১৮:৫৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

পেশার কারণে তাদের কঠিন হতে হয়। কিন্তু হাজার হোক তিনি তো একজন নারী।
তাই আদালতে এক বিচারাধীন আসামীর শিশুসন্তানকে ক্ষূধার জ্বালায় কাঁদতে দেখে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারেননি চীনের এক নারীপুলিশ কর্মকর্তা। আদালতের কক্ষের বাইরে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে স্তন্যদান করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সেই ঘটনার ছবি পড়েছে গোটা বিশ্বে।

ঘটনাটি ঘটেছে চীনের শাংজি প্রদেশে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সেখানকার একটি আদালতে মামলার শুনানি চলছিল। আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছিলেন এক নারী। আদালতে কক্ষেই ছিল ওই নারীর চারমাসের শিশুসন্তান। আচমকাই ক্ষুধা পেয়ে কাঁদতে শুরু করে শিশুটি। বহু চেষ্টা করেও কান্না থামানো যায়নি।

এরপরই মায়ের অনুমতি নিয়ে শিশুটিকে আদালত কক্ষের বাইরে নিয়ে গিয়ে স্তন্যদান করেন লিনা হাও নামে চিনের সেই নারীপুলিশ কর্মকর্তা। আদালতে কক্ষের বাইরে এককোণে চেয়ার বসে শিশুটিকে যখন স্তন্যদান করছিলেন লিনা, তখন তার ছবি তোলেন সেই নারী পুলিশ কর্মকর্তার এক সহকর্মী। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও করে দেন তিনি। শেয়ার করে ছবিটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেন নেটিজেনরা।

জানা গেছে, সদ্য মা হয়েছেন লিনা হাও নামে সেই চিনা নারী পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘আমি নিজে একজন মা। তাই ওই শিশুটির মা কতটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, সেটা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। মনে হয়েছিল, শিশুটিকে শান্ত করার জন্য কিছু করা উচিত। ’

লিনা হাওয়ের দাবি, তার জায়গায় যদি অন্য কোনও মহিলা পুলিশ কর্মকর্তা থাকতেন, তাহলে তিনিও একই কাজ করতেন। ওই শিশুটির মায়ের বিরুদ্ধে ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি। তাকে কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছেন বিচারক।