সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

মায়ের মৃতদেহের সঙ্গে তিন দিন !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:৪০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৮৩২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মায়ের মৃতদেহের সঙ্গে তিন দিন কাটালেন মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে। পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে বিধাননগর এলাকার রবীন্দ্রপল্লীর ভাড়া বাড়িতে মা সানন্দা নন্দীর (৭২) সঙ্গে থাকতেন ছোট ছেলে ইন্দ্রদীপ নন্দী (৩৫)।
সানন্দা নন্দীর বড় ছেলে ইন্দ্রনীল (৪০) কাছেই অন্য একটি বাড়িতে থাকতেন। ইন্দ্রদীপ মায়ের মৃত্যুর খবর বড় ভাইকেও জানায়নি।

ইন্দ্রনীলের দাবি, মায়ের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়েছিল গত রবিবার। তখনও পর্যন্ত সানন্দা নন্দী সুস্থ ছিলেন বলেই জানিয়েছেন তিনি।

পঁচা গন্ধের অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবেশীরা সানন্দা দেবীর মৃতদেহ দেখতে পান। শুক্রবার রাতে সানন্দার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ইন্দ্রদীপ নন্দী জানায়, আমি ভাত-ডাল রান্না করে মাকে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে খায়নি। আমার সঙ্গে কথাও বলেনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

মায়ের মৃতদেহের সঙ্গে তিন দিন !

আপডেট সময় : ১২:০৩:৪০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

মায়ের মৃতদেহের সঙ্গে তিন দিন কাটালেন মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে। পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে বিধাননগর এলাকার রবীন্দ্রপল্লীর ভাড়া বাড়িতে মা সানন্দা নন্দীর (৭২) সঙ্গে থাকতেন ছোট ছেলে ইন্দ্রদীপ নন্দী (৩৫)।
সানন্দা নন্দীর বড় ছেলে ইন্দ্রনীল (৪০) কাছেই অন্য একটি বাড়িতে থাকতেন। ইন্দ্রদীপ মায়ের মৃত্যুর খবর বড় ভাইকেও জানায়নি।

ইন্দ্রনীলের দাবি, মায়ের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়েছিল গত রবিবার। তখনও পর্যন্ত সানন্দা নন্দী সুস্থ ছিলেন বলেই জানিয়েছেন তিনি।

পঁচা গন্ধের অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবেশীরা সানন্দা দেবীর মৃতদেহ দেখতে পান। শুক্রবার রাতে সানন্দার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ইন্দ্রদীপ নন্দী জানায়, আমি ভাত-ডাল রান্না করে মাকে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে খায়নি। আমার সঙ্গে কথাও বলেনি।