শনিবার | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুর শহর জামায়াতের যাকাত বিষয়ক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুর জেলা পরিবেশক ব্যবসায়ী সমিতির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল Logo ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর সদর উপজেলার আয়োজনে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo ঝালকাঠিতে ইফতার ও দোয়ার মধ্য দিয়ে ” রিপোর্টার্স ক্লাব ” র আত্মপ্রকাশ Logo বনাঞ্চলে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ: সুন্দরবন-এ এক জেলে আটক Logo নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কয়রায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা Logo জাবির নেত্রকোনা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি

যেখানে ‌মাটির ৫৫৫ মিটার গভীরে তৈরি হয়েছে যে গবেষণাগার !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:১০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৭৭২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ভূপৃষ্ঠের গভীরে কী রয়েছে তার রহস্যভেদ হয়নি এখনও। মহাকাশের অনেক তথ্যই রয়েছে বিজ্ঞানীদের কাছে।
কিন্তু ভূগর্ভ এখনও অন্ধকারে। সেই অজানা রহস্য উদ্ঘাটনে এবার ভূপৃষ্ঠের ৫৫৫ মিটার গভীরে গবেষণাগার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতের কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা সেখানে গবেষণা চালাচ্ছেন সেখানে। তিন দিন আগেই সেই পরীক্ষাগারের উদ্বোধন হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের ঝাডুগোডায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় দেষ কিলোমিটার গভীরে তৈরি এই গবেষণাগারটি আসলে ছিল একটি ইউরেনিয়াম খনি। যদিও এখনও এখান থেকে ইউরেনিয়াম উত্তোলন করা হয়। প্রায় ৪০০ টন ইউরেনিয়াম প্রতিদিন উত্তোলন করা হয়।

যদিও গবেষণাগারটি সেই খনির উপরের স্তরে রয়েছে। এটি তৈরি করতে ২০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ইউরেনিয়াম উত্তোলনের খনি থাকায় গবেষণাগারটি তৈরি করতে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি বলে জানিয়েছেন সাহা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী সত্যজিৎ সাহা।

গবেষণাগারের প্রবেশ পথ অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। ইউরেনিয়াম কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার এলাকায় সেই প্রবেশ পথ দিয়ে লিফটে করে নেমে যেতে হবে নীচে। প্রায় তিন মিনিট লিফটে নামার পর সেখান থেকে হেঁটেই পৌঁছে যাওয়া যাহে গভীরতম এই গবেষণাগারে।

পদার্থ বিজ্ঞানীদের দাবি, একটি আঠালো বস্তু গোটা বিশ্বকে একজোট করে রেখেছে। কিন্তু এখনও তার অস্তিত্বের প্রমাণ মেলেনি। যা মানুষ চোখে দেখে সেটা মাত্র ৪.‌৬ শতাংশ। বাকি ২৪ শতাংশই অন্ধকারে রয়েছে। পদার্থবিদ্যায় সেটাকেই নাকি বলে ডার্ক ম্যাটার। পৃথিবীর ৭১.‌৪ শতাংশই অন্ধকারে রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি এই গবেষণাগারে সেই ডার্ক ম্যাটার অনেকটাই প্রকাশ্যে আসবে।

ঝাডুগোডার এই গবেষণাগারটি ভারতে দ্বিতীয়। এর আগে কর্নাটকের কোলার সোনার খনিতে ১৯৯২ সালে এরকম একটি গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পরে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। আর সেটির পুণরুজ্জীবন ঘটানো হয়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

যেখানে ‌মাটির ৫৫৫ মিটার গভীরে তৈরি হয়েছে যে গবেষণাগার !

আপডেট সময় : ১২:৩৫:১০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ভূপৃষ্ঠের গভীরে কী রয়েছে তার রহস্যভেদ হয়নি এখনও। মহাকাশের অনেক তথ্যই রয়েছে বিজ্ঞানীদের কাছে।
কিন্তু ভূগর্ভ এখনও অন্ধকারে। সেই অজানা রহস্য উদ্ঘাটনে এবার ভূপৃষ্ঠের ৫৫৫ মিটার গভীরে গবেষণাগার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতের কলকাতার সাহা ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা সেখানে গবেষণা চালাচ্ছেন সেখানে। তিন দিন আগেই সেই পরীক্ষাগারের উদ্বোধন হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের ঝাডুগোডায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় দেষ কিলোমিটার গভীরে তৈরি এই গবেষণাগারটি আসলে ছিল একটি ইউরেনিয়াম খনি। যদিও এখনও এখান থেকে ইউরেনিয়াম উত্তোলন করা হয়। প্রায় ৪০০ টন ইউরেনিয়াম প্রতিদিন উত্তোলন করা হয়।

যদিও গবেষণাগারটি সেই খনির উপরের স্তরে রয়েছে। এটি তৈরি করতে ২০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ইউরেনিয়াম উত্তোলনের খনি থাকায় গবেষণাগারটি তৈরি করতে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি বলে জানিয়েছেন সাহা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী সত্যজিৎ সাহা।

গবেষণাগারের প্রবেশ পথ অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। ইউরেনিয়াম কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার এলাকায় সেই প্রবেশ পথ দিয়ে লিফটে করে নেমে যেতে হবে নীচে। প্রায় তিন মিনিট লিফটে নামার পর সেখান থেকে হেঁটেই পৌঁছে যাওয়া যাহে গভীরতম এই গবেষণাগারে।

পদার্থ বিজ্ঞানীদের দাবি, একটি আঠালো বস্তু গোটা বিশ্বকে একজোট করে রেখেছে। কিন্তু এখনও তার অস্তিত্বের প্রমাণ মেলেনি। যা মানুষ চোখে দেখে সেটা মাত্র ৪.‌৬ শতাংশ। বাকি ২৪ শতাংশই অন্ধকারে রয়েছে। পদার্থবিদ্যায় সেটাকেই নাকি বলে ডার্ক ম্যাটার। পৃথিবীর ৭১.‌৪ শতাংশই অন্ধকারে রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি এই গবেষণাগারে সেই ডার্ক ম্যাটার অনেকটাই প্রকাশ্যে আসবে।

ঝাডুগোডার এই গবেষণাগারটি ভারতে দ্বিতীয়। এর আগে কর্নাটকের কোলার সোনার খনিতে ১৯৯২ সালে এরকম একটি গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পরে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। আর সেটির পুণরুজ্জীবন ঘটানো হয়নি।