সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

সামান্য ভুলের দায়ে ২ মিনিটে ৪০টি থাপ্পড় শিক্ষিকার !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৮১৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ক্লাসে অ্যাটেন্ডেস না দেওয়ায় খুদে পড়ুয়াকে নৃংশস শাস্তি দিলেন এক শিক্ষিকা। নাম ডাকার সময় সাড়া না দেওয়ায় আট বছরের খুদে পড়ুয়ার গালে আছড়ে পড়ল একের পর এক চড়।
শিক্ষিকার অমানবিক এই রূপ দেখা গেল ভারতের লক্ষ্ণৌর এক অভিজাত স্কুলে। অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ৷

নাম করা সেই স্কুলের সিসিটিভিবন্দি দু’মিনিটের ওই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠছেন সকলেই। সেই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষিকা রাত্রিকা ভি জন ক্লাসে অ্যাটেন্ডেস নেওয়ার সময় উত্তর না দেওয়ায় রীতেশ গুপ্তা নামের ছাত্রের উপর প্রচন্ড চিৎকার করছেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছাত্রটিকে প্রচন্ড জোরে একের পর এক থাপ্পড় মারতে শুরু করেন ওই শিক্ষিকা। ২ মিনিটে কম করে ওই খুদে পড়ুয়াকে ৪০ টি চড় মেরেছেন তিনি।

এই অত্যাচারে ছোট্ট রীতেশ কেঁদে ককিয়ে বার বার ছেড়ে দেওয়ার কথা বলতে থাকে। কিন্তু তার আর্তনাদে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত না করে ছোট্ট ছেলেটিকে মারতেই থাকেন ওই শিক্ষিকা রাত্রিকা ভি জন। তাতেও রাগ না মেটায় ছাত্রটির কলার ধরে হিঁচড়ে টেনে আনেন শিক্ষিকা। প্রায় গলা টিপে ধরে মাথা ঠুকে দেন ব্ল্যাকবোর্ডে।

এই চুড়ান্ত অমানবিক অত্যাচারে আহত পড়ুয়াটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আতঙ্কিত রীতেশের আঘাত দেখে প্রশ্ন করলেও ভয়ে সে কোনও কথা বলেনি। ছেলের অবস্থা দেখে রীতেশের বাবা তার সহপাঠীদের প্রশ্ন করলে কাছে সমস্ত বিষয়টি জানতে পারেন।

সব শুনে রীতেশের বাবা মহেন্দ্র গুপ্তা স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের সঙ্গে কথা বলেন। সব শুনে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হলে ক্লাসে শিক্ষিকার অমানবিক ও নৃশংস রূপ সামনে আসে। তৎক্ষণাৎ ক্রুদ্ধ প্রিন্সিপ্যাল অভিযুক্ত শিক্ষিকা রাত্রিকা ভি জনকে সাসপেন্ড করে দেন। রীতেশের বাবাও ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও নিজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

সামান্য ভুলের দায়ে ২ মিনিটে ৪০টি থাপ্পড় শিক্ষিকার !

আপডেট সময় : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ক্লাসে অ্যাটেন্ডেস না দেওয়ায় খুদে পড়ুয়াকে নৃংশস শাস্তি দিলেন এক শিক্ষিকা। নাম ডাকার সময় সাড়া না দেওয়ায় আট বছরের খুদে পড়ুয়ার গালে আছড়ে পড়ল একের পর এক চড়।
শিক্ষিকার অমানবিক এই রূপ দেখা গেল ভারতের লক্ষ্ণৌর এক অভিজাত স্কুলে। অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ৷

নাম করা সেই স্কুলের সিসিটিভিবন্দি দু’মিনিটের ওই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠছেন সকলেই। সেই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষিকা রাত্রিকা ভি জন ক্লাসে অ্যাটেন্ডেস নেওয়ার সময় উত্তর না দেওয়ায় রীতেশ গুপ্তা নামের ছাত্রের উপর প্রচন্ড চিৎকার করছেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছাত্রটিকে প্রচন্ড জোরে একের পর এক থাপ্পড় মারতে শুরু করেন ওই শিক্ষিকা। ২ মিনিটে কম করে ওই খুদে পড়ুয়াকে ৪০ টি চড় মেরেছেন তিনি।

এই অত্যাচারে ছোট্ট রীতেশ কেঁদে ককিয়ে বার বার ছেড়ে দেওয়ার কথা বলতে থাকে। কিন্তু তার আর্তনাদে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত না করে ছোট্ট ছেলেটিকে মারতেই থাকেন ওই শিক্ষিকা রাত্রিকা ভি জন। তাতেও রাগ না মেটায় ছাত্রটির কলার ধরে হিঁচড়ে টেনে আনেন শিক্ষিকা। প্রায় গলা টিপে ধরে মাথা ঠুকে দেন ব্ল্যাকবোর্ডে।

এই চুড়ান্ত অমানবিক অত্যাচারে আহত পড়ুয়াটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আতঙ্কিত রীতেশের আঘাত দেখে প্রশ্ন করলেও ভয়ে সে কোনও কথা বলেনি। ছেলের অবস্থা দেখে রীতেশের বাবা তার সহপাঠীদের প্রশ্ন করলে কাছে সমস্ত বিষয়টি জানতে পারেন।

সব শুনে রীতেশের বাবা মহেন্দ্র গুপ্তা স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের সঙ্গে কথা বলেন। সব শুনে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হলে ক্লাসে শিক্ষিকার অমানবিক ও নৃশংস রূপ সামনে আসে। তৎক্ষণাৎ ক্রুদ্ধ প্রিন্সিপ্যাল অভিযুক্ত শিক্ষিকা রাত্রিকা ভি জনকে সাসপেন্ড করে দেন। রীতেশের বাবাও ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও নিজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ওই শিক্ষিকা।