মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ল চীনা সৈন্য !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সিকিমের ডোকালাম ইস্যুতে ভারত ও চীনের মধ্যে টানটান উত্তেজনার মধ্যেই এবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ল চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)।

সরকারি সূত্রে খবর গত ২৫ জুলাই সকাল নয়টা নাগাদ উত্তরাখন্ডের চামোলি জেলার বরাহোটি এলাকায় প্রবেশ করে চীনা সেনাবাহিনী। সীমান্ত থেকে প্রায় ৮০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে পড়ে ড্রাগন সেনা।

ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করেই এলাকার ভেড়া পশু পালকদের হুমকি দিয়ে ওই এলাকা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বলে অভিযোগ। যদিও দুই ঘণ্টা পরেই ভারতীয় ভূখণ্ড ছেড়ে চীনা সৈন্যরা চলে যায়।

সূত্রে খবর চীনা সেনারা সংখ্যায় প্রায় ২০০-৩০০ জন ছিল। সে সময় সীমান্তের ওই এলাকায় সাদা পোশাকে টহল দিচ্ছিল ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি)’এর সদস্যরা। বিষয়টি নিয়ে তারা রুখে দাঁড়ানোর ফলে আর বেশি দূর এগোতে পারেনি চীনা সেনাবাহিনী। এরপরই জায়গা ছাড়ে তারা।

১৯৫৮ সালে বরাহোটিকে বিতর্কিত এলাকা বলে তালিকাভুক্ত করে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। সে অর্থে ওই এলাকায় কোন দেশের সেনাবাহিনীরই প্রবেশাধিকার নেই। ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধের সময়ও চীনা সেনা বাহিনী ওই বিতর্কিত অংশে প্রবেশ করেনি। ওই যুদ্ধের পরই বরাহোটিতে সীমান্ত পাহারা দেয় অস্ত্রধারী আইটিবিপি’এর সদস্যরা। যদিও সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ২০০০ সালের জুনে ওই এলাকায় অস্ত্রধারী সীমান্তবাহিনী মোতায়েনের বদলে সাদা পোশাকের (অস্ত্রহীন) আইটিবিপি বাহিনীকে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।
গত কয়েকমাস ধরেই ডোকালামে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত ও চীনের সেনাবহিনীর সদস্যরা। সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে চীনের সঙ্গে আলোচনায় রাজি আছে বলে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। যদিও তার আগে ওই বিতর্কিত অংশ থেকে দুই দেশের সেনাকেই সরতে হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ল চীনা সৈন্য !

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সিকিমের ডোকালাম ইস্যুতে ভারত ও চীনের মধ্যে টানটান উত্তেজনার মধ্যেই এবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ল চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)।

সরকারি সূত্রে খবর গত ২৫ জুলাই সকাল নয়টা নাগাদ উত্তরাখন্ডের চামোলি জেলার বরাহোটি এলাকায় প্রবেশ করে চীনা সেনাবাহিনী। সীমান্ত থেকে প্রায় ৮০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে পড়ে ড্রাগন সেনা।

ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করেই এলাকার ভেড়া পশু পালকদের হুমকি দিয়ে ওই এলাকা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বলে অভিযোগ। যদিও দুই ঘণ্টা পরেই ভারতীয় ভূখণ্ড ছেড়ে চীনা সৈন্যরা চলে যায়।

সূত্রে খবর চীনা সেনারা সংখ্যায় প্রায় ২০০-৩০০ জন ছিল। সে সময় সীমান্তের ওই এলাকায় সাদা পোশাকে টহল দিচ্ছিল ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি)’এর সদস্যরা। বিষয়টি নিয়ে তারা রুখে দাঁড়ানোর ফলে আর বেশি দূর এগোতে পারেনি চীনা সেনাবাহিনী। এরপরই জায়গা ছাড়ে তারা।

১৯৫৮ সালে বরাহোটিকে বিতর্কিত এলাকা বলে তালিকাভুক্ত করে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। সে অর্থে ওই এলাকায় কোন দেশের সেনাবাহিনীরই প্রবেশাধিকার নেই। ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধের সময়ও চীনা সেনা বাহিনী ওই বিতর্কিত অংশে প্রবেশ করেনি। ওই যুদ্ধের পরই বরাহোটিতে সীমান্ত পাহারা দেয় অস্ত্রধারী আইটিবিপি’এর সদস্যরা। যদিও সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ২০০০ সালের জুনে ওই এলাকায় অস্ত্রধারী সীমান্তবাহিনী মোতায়েনের বদলে সাদা পোশাকের (অস্ত্রহীন) আইটিবিপি বাহিনীকে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।
গত কয়েকমাস ধরেই ডোকালামে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত ও চীনের সেনাবহিনীর সদস্যরা। সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে চীনের সঙ্গে আলোচনায় রাজি আছে বলে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। যদিও তার আগে ওই বিতর্কিত অংশ থেকে দুই দেশের সেনাকেই সরতে হবে।