সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা

একবার না পারিলে দেখো ৩৪ বার !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭
  • ৮১০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের বার্নসির বাসিন্দা ক্রিস্টিয়ান হুইটলি-ম্যাসন। ৩৩ বার ফেল করার পর সম্প্রতি ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করেছেন তিনি। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর। ক্রিস্টিয়ান ড্রাইভিং পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রশিক্ষণ শুরু করেন ১৯৯২ সালে।

এরপর একের পর এক পরীক্ষা দিয়ে গিয়েছেন। মোট ১৪ জন প্রশিক্ষকের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। প্রতিবার ফেল করার পর নতুন উৎসাহে আবার পরীক্ষা দিয়েছেন। এজন্য প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড ব্যয় করেছেন ক্রিস্টিয়ান হুইটলি-ম্যাসন।

এতবার ফেল করে চেষ্টা চালিয়ে গেলেও পরীক্ষায় পাশ করবেন তা কখনো ভাবতে পারেননি তিনি। ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করার পর দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে, এত বছর পর আমি শেষ পর্যন্ত পাশ করেছি। আমি এখনও যেন ঘোরের মধ্যে রয়েছি!

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য

একবার না পারিলে দেখো ৩৪ বার !

আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের বার্নসির বাসিন্দা ক্রিস্টিয়ান হুইটলি-ম্যাসন। ৩৩ বার ফেল করার পর সম্প্রতি ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করেছেন তিনি। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর। ক্রিস্টিয়ান ড্রাইভিং পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রশিক্ষণ শুরু করেন ১৯৯২ সালে।

এরপর একের পর এক পরীক্ষা দিয়ে গিয়েছেন। মোট ১৪ জন প্রশিক্ষকের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। প্রতিবার ফেল করার পর নতুন উৎসাহে আবার পরীক্ষা দিয়েছেন। এজন্য প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড ব্যয় করেছেন ক্রিস্টিয়ান হুইটলি-ম্যাসন।

এতবার ফেল করে চেষ্টা চালিয়ে গেলেও পরীক্ষায় পাশ করবেন তা কখনো ভাবতে পারেননি তিনি। ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করার পর দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে, এত বছর পর আমি শেষ পর্যন্ত পাশ করেছি। আমি এখনও যেন ঘোরের মধ্যে রয়েছি!