শিরোনাম :
Logo শেরপুরে পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রশিবির Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশীকে আটক করে বিজিবির হাতে দিল বিএসএফ Logo তরুণরাই দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত পুনর্গঠন করবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo সিরাজগঞ্জে সড়কদ্বীপে আগাছা পরিস্কার Logo চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির ৫ম বই উপহার মাস ঘোষণা Logo অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করতে চান হিরো মনির Logo কয়রায় সিপিপির আড়ালে আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ Logo চাঁদপুর সদর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সলের যোগদান Logo খুবিতে আন্তঃডিসিপ্লিন কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত হামাস

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:১৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

হামাস শুক্রবার জানিয়েছে, তারা গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ‘অবিলম্বে’ আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গাজায়ইসরাইলের চলমান হামলায় ৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।গাজা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

২১ মাস ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আশার নতুন আলো দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার বিষয়ে ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার পর এবং সোমবার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন সফরের আগে হামাস জানিয়েছে, তারা ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মার্কিন-সমর্থিত খসড়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য তারা অবিলম্বে ও গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

একইসঙ্গে হামাস মিত্র ইসলামিক জিহাদও আলোচনায় সম্মতি দিয়েছে, তবে তারা চায়— এ আলোচনার মাধ্যমে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেওয়া হোক।

তাদের মতে, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানই এ সংকট নিরসনের একমাত্র পথ।

তবে, গাজায় বন্দীদের মুক্ত করার পরে ইসরাইল ‘তাদের আগ্রাসন পুনরায় শুরু করবে না’ এমন নিশ্চয়তা দাবি করেছে হামাস।

গাজায় সংঘাত শুরু হয়েছিল ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে ইসরাইলের ওপর হামাসের ভয়াবহ আক্রমণের মাধ্যমে, যার ফলে হামাসকে ধ্বংস করে হামাস কর্তৃক আটক সমস্ত জিম্মিকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে একটি বিশাল ইসরাইলি আক্রমণ শুরু হয়েছিল।

কাতার, মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পূর্ববর্তী দুটি যুদ্ধবিরতিতে যুদ্ধে সাময়িক বিরতি দেখা গেছে, যার সাথে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

গাজায় বন্দী সকল জিম্মিদের ভাগ্য নিয়ে ব্যাপক অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে শুক্রবার নেতানিয়াহু তাদের ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম ও সব সময়, আমাদের সকল অপহৃতদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য গভীর প্রতিশ্রুতি অনুভব করছি’।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রশিবির

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত হামাস

আপডেট সময় : ০২:৩৮:১৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

হামাস শুক্রবার জানিয়েছে, তারা গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ‘অবিলম্বে’ আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গাজায়ইসরাইলের চলমান হামলায় ৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।গাজা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

২১ মাস ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আশার নতুন আলো দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার বিষয়ে ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার পর এবং সোমবার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন সফরের আগে হামাস জানিয়েছে, তারা ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মার্কিন-সমর্থিত খসড়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য তারা অবিলম্বে ও গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

একইসঙ্গে হামাস মিত্র ইসলামিক জিহাদও আলোচনায় সম্মতি দিয়েছে, তবে তারা চায়— এ আলোচনার মাধ্যমে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেওয়া হোক।

তাদের মতে, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানই এ সংকট নিরসনের একমাত্র পথ।

তবে, গাজায় বন্দীদের মুক্ত করার পরে ইসরাইল ‘তাদের আগ্রাসন পুনরায় শুরু করবে না’ এমন নিশ্চয়তা দাবি করেছে হামাস।

গাজায় সংঘাত শুরু হয়েছিল ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে ইসরাইলের ওপর হামাসের ভয়াবহ আক্রমণের মাধ্যমে, যার ফলে হামাসকে ধ্বংস করে হামাস কর্তৃক আটক সমস্ত জিম্মিকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে একটি বিশাল ইসরাইলি আক্রমণ শুরু হয়েছিল।

কাতার, মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পূর্ববর্তী দুটি যুদ্ধবিরতিতে যুদ্ধে সাময়িক বিরতি দেখা গেছে, যার সাথে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

গাজায় বন্দী সকল জিম্মিদের ভাগ্য নিয়ে ব্যাপক অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে শুক্রবার নেতানিয়াহু তাদের ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম ও সব সময়, আমাদের সকল অপহৃতদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য গভীর প্রতিশ্রুতি অনুভব করছি’।