বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

দরিদ্র দেশগুলোতে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৮০ বার পড়া হয়েছে
দরিদ্র দেশগুলোতে বিনামূল্যে সরবরাহ করা এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা এবং নবজাতকদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ইউএসএআইডি (USAID) এর মাধ্যমে এতদিন যেসব চিকিৎসাসেবা ও সরঞ্জাম দেওয়া হতো, তা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) থেকে ইউএসএআইডির সঙ্গে কাজ করা ঠিকাদার ও অংশীদার সংস্থাগুলো এই নির্দেশনা পেতে শুরু করেছে। এর ফলে তারা এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম আর সহায়তা ভোগী দেশগুলোতে পাঠাতে পারবে না। ইউএসএআইডি দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র দেশগুলোতে এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা প্রতিরোধে ওষুধ এবং নবজাতক ও মাতৃস্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী সরবরাহ করে আসছিল।

২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উন্নয়ন সহায়তা এবং অর্থায়ন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। এর অংশ হিসেবে ইউএসএআইডি’র কার্যক্রম পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে ওষুধ সরবরাহে যুক্ত প্রতিষ্ঠান চেমনিক্সসহ অন্যান্য সংস্থা বলছে, এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিপর্যয়কর। ইউএসএআইডি’র সাবেক কর্মকর্তা আতুল গাওয়ান্দে বলেন, “এই নির্দেশনা কার্যকর হলে বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০ মিলিয়ন এইচআইভি আক্রান্ত মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে। ক্লিনিকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে এবং ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়বে।”

তিনি আরও জানান, ইউএসএআইডি অর্থায়নে পরিচালিত সংস্থাগুলো ২৩টি দেশে প্রায় ৬৫ লাখ দরিদ্র ও এতিম রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে। মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ তাদের চিকিৎসা সহায়তায় মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওষুধ সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোতে রোগের বিস্তার বাড়তে পারে। বিশেষ করে এইচআইভি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগগুলো মোকাবিলায় সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে হতাশাজনক বলে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা সহায়তা বন্ধ হওয়া মানে লক্ষাধিক মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে

দরিদ্র দেশগুলোতে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫
দরিদ্র দেশগুলোতে বিনামূল্যে সরবরাহ করা এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা এবং নবজাতকদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ইউএসএআইডি (USAID) এর মাধ্যমে এতদিন যেসব চিকিৎসাসেবা ও সরঞ্জাম দেওয়া হতো, তা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) থেকে ইউএসএআইডির সঙ্গে কাজ করা ঠিকাদার ও অংশীদার সংস্থাগুলো এই নির্দেশনা পেতে শুরু করেছে। এর ফলে তারা এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম আর সহায়তা ভোগী দেশগুলোতে পাঠাতে পারবে না। ইউএসএআইডি দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র দেশগুলোতে এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা প্রতিরোধে ওষুধ এবং নবজাতক ও মাতৃস্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী সরবরাহ করে আসছিল।

২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উন্নয়ন সহায়তা এবং অর্থায়ন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। এর অংশ হিসেবে ইউএসএআইডি’র কার্যক্রম পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে ওষুধ সরবরাহে যুক্ত প্রতিষ্ঠান চেমনিক্সসহ অন্যান্য সংস্থা বলছে, এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিপর্যয়কর। ইউএসএআইডি’র সাবেক কর্মকর্তা আতুল গাওয়ান্দে বলেন, “এই নির্দেশনা কার্যকর হলে বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০ মিলিয়ন এইচআইভি আক্রান্ত মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে। ক্লিনিকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে এবং ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়বে।”

তিনি আরও জানান, ইউএসএআইডি অর্থায়নে পরিচালিত সংস্থাগুলো ২৩টি দেশে প্রায় ৬৫ লাখ দরিদ্র ও এতিম রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে। মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ তাদের চিকিৎসা সহায়তায় মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওষুধ সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় দরিদ্র দেশগুলোতে রোগের বিস্তার বাড়তে পারে। বিশেষ করে এইচআইভি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগগুলো মোকাবিলায় সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে হতাশাজনক বলে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা সহায়তা বন্ধ হওয়া মানে লক্ষাধিক মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা।