বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

জৌলুস হারিয়েছে দর্শনা কেরুজ হাসপাতাল, নেই জনবল-ওষুধ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:৪৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিজিস্ব প্রতিবেদকঃ

দর্শনা কেরুজ ঐতিহ্যবাহী হাসপাতাল ১৯৩৫ সালে কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ হাসপাতালটির এক সময় জৌলুস ছিল। ২৪ ঘণ্টাই চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধ পাওয়া যেত। তখন কেরুজ শ্রমিক, কর্মচারী ও এলাকার আখচাষি পরিবারের সদস্যরা সুচিকিৎসা নিয়েছে। আবার ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্সও থাকত। তবে এখন প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও চলছে ঢিলেঢালাভাবে।

সরেজমিতে দেখা যায়, নানা সমস্যায় জর্জরিত হাসপাতালটি ধুকে ধুকে চলছে। একতলা এ হাসপাতালে ২০টি বেডের মধ্যে বর্তমানে ১৫টি বেড রয়েছে। ৩ জন ডাক্তার থাকার কথা। তবে সেখানে ছিল শাহিনুর হায়দার নামের একজন। তিনি ৪ ঘণ্টার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কাজ করছেন। ৩ শিফটের জন্য ৩ জন নার্স থাকার কথা। তবে সেখানে ২ জন নার্স রয়েছেন। এছাড়া দুজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বদলে ২ জন কাজ করছেন। রাতে কোনো পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকে না। এতে রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এছাড়া প্রয়োজন রয়েছে ১ জন সার্জিক্যাল ডাক্তার, ১ জন মিডওয়াইফ, ১ জন ওয়ার্ডবয় ও একটি জরুরি অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়া হাসপাতালটি রঙ করা ও বাউন্ডারি প্রাচীর দেওয়া জরুরি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

হাসপাতালের নার্স কুলছুম খাতুন বলনে, ‘আমরা দুজন নার্স ১৪ বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের কোনো উন্নতি বা বাড়তি বেতন-ভাতা বৃদ্ধি হয়নি।’
হাসপাতালের চিকিৎসক শাহিনুর হায়দার বলেন, আমি ২০২১ সালে অবসরে গিয়েছি। এরপর ১ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক প্রতিদিন ৪ ঘণ্টার চিকিৎসা দিয়ে থাকি।

এ বিষয়ে কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। এটা একমাত্র চিনি ও খাদ্য করপোরেশনের এখতিয়ার। আমরা বিভিন্ন সময় লিখিত আকারে চিনি ও খাদ্য করপোরেশনে জানিয়েছি। সারা দেশের চিনিকলের হাসপাতালে মাত্র ৩ জন ডাক্তার আছে। এ ব্যাপারে তারা উদ্যোগ নিতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

জৌলুস হারিয়েছে দর্শনা কেরুজ হাসপাতাল, নেই জনবল-ওষুধ

আপডেট সময় : ১২:৪২:৪৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০২৪

নিজিস্ব প্রতিবেদকঃ

দর্শনা কেরুজ ঐতিহ্যবাহী হাসপাতাল ১৯৩৫ সালে কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ হাসপাতালটির এক সময় জৌলুস ছিল। ২৪ ঘণ্টাই চিকিৎসক, নার্স ও ওষুধ পাওয়া যেত। তখন কেরুজ শ্রমিক, কর্মচারী ও এলাকার আখচাষি পরিবারের সদস্যরা সুচিকিৎসা নিয়েছে। আবার ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্সও থাকত। তবে এখন প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও চলছে ঢিলেঢালাভাবে।

সরেজমিতে দেখা যায়, নানা সমস্যায় জর্জরিত হাসপাতালটি ধুকে ধুকে চলছে। একতলা এ হাসপাতালে ২০টি বেডের মধ্যে বর্তমানে ১৫টি বেড রয়েছে। ৩ জন ডাক্তার থাকার কথা। তবে সেখানে ছিল শাহিনুর হায়দার নামের একজন। তিনি ৪ ঘণ্টার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কাজ করছেন। ৩ শিফটের জন্য ৩ জন নার্স থাকার কথা। তবে সেখানে ২ জন নার্স রয়েছেন। এছাড়া দুজন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বদলে ২ জন কাজ করছেন। রাতে কোনো পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকে না। এতে রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এছাড়া প্রয়োজন রয়েছে ১ জন সার্জিক্যাল ডাক্তার, ১ জন মিডওয়াইফ, ১ জন ওয়ার্ডবয় ও একটি জরুরি অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়া হাসপাতালটি রঙ করা ও বাউন্ডারি প্রাচীর দেওয়া জরুরি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

হাসপাতালের নার্স কুলছুম খাতুন বলনে, ‘আমরা দুজন নার্স ১৪ বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের কোনো উন্নতি বা বাড়তি বেতন-ভাতা বৃদ্ধি হয়নি।’
হাসপাতালের চিকিৎসক শাহিনুর হায়দার বলেন, আমি ২০২১ সালে অবসরে গিয়েছি। এরপর ১ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক প্রতিদিন ৪ ঘণ্টার চিকিৎসা দিয়ে থাকি।

এ বিষয়ে কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। এটা একমাত্র চিনি ও খাদ্য করপোরেশনের এখতিয়ার। আমরা বিভিন্ন সময় লিখিত আকারে চিনি ও খাদ্য করপোরেশনে জানিয়েছি। সারা দেশের চিনিকলের হাসপাতালে মাত্র ৩ জন ডাক্তার আছে। এ ব্যাপারে তারা উদ্যোগ নিতে পারে।