সোমবার | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী Logo পরিকল্পিতভাবে ব্রাকসু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, অভিযোগ শিবির সমর্থিত বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদ প্যানেলের  Logo ব্রাকসু নির্বাচনের চতুর্থত বার পুনঃতফসিল ঘোষণা  Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম: পরিদর্শনে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য Logo গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি Logo যৌন নিপীড়নের দায়ে খুবি শিক্ষককে দুই বছরের অব্যাহিত  Logo বারিষাব ইউনিয়নের ১০৩/৭৭ আল-তৌফিকী সড়ক পাকা ও আধুনিকীকরণের জরুরি প্রয়োজন Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ 

প্রায় কোটি টাকাসহ শিক্ষার্থীদের হাতে আটক তিন ব্যক্তি

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১০ আগস্ট ২০২৪
  • ৮০২ বার পড়া হয়েছে

ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থীরা একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ তিন যুবককে আটক করেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাহেপ্রতাপ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

টাকার উৎসের ব্যাপারে সদুত্তর দিতে না পারায়, উৎস ও মালিক নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত টাকাগুলো জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হবে। জেলা আনসার ও ভিডিপির কমান্ড্যান্ট মো. জাহিদুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আটক তিন ব্যক্তি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার হরিয়ালা এলাকার আবু মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন (৪০), ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জুরু মিয়ার ছেলে রাসেল আহম্মেদ (৩২) ও আশুগঞ্জের দুর্গাপুর এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে প্রাইভেট কারচালক জুলহাস মিয়া (৩২)।

শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো স্কুলপড়ুয়া একদল শিক্ষার্থী সাহেপ্রতাপ মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাদের পাশে ছিলেন আনসার-ভিডিপির সদস্যরাও। এ সময় একটি প্রাইভেট কার ভৈরবের দিকে যাচ্ছিল। গাড়ির চালক ও দুই যাত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হলে তাঁরা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে টাকাভর্তি দুটি ব্যাগ পান। এরপর পাশে থাকা আনসার সদস্যদের ডেকে আনেন শিক্ষার্থীরা। প্রাইভেট কারের যাত্রীদের কাছে টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানানো হলে একদল সেনাসদস্য গিয়ে টাকা, গাড়িসহ তিনজনকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব সারার অভির উপস্থিতিতে টাকা গণনা করা হয়। গণনা শেষে সেখানে ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে টাকার উৎস ও মালিক সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এনডিসি শিহাব সারার অভি বলেন, শিক্ষার্থীরা ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ তিনজনকে আনসার সদস্যদের মাধ্যমে আটক করেন। উৎস ও মালিক সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত টাকাগুলো জেলা ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হবে। আটক তিনজনের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান , সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

প্রায় কোটি টাকাসহ শিক্ষার্থীদের হাতে আটক তিন ব্যক্তি

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১০ আগস্ট ২০২৪

ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থীরা একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ তিন যুবককে আটক করেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাহেপ্রতাপ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

টাকার উৎসের ব্যাপারে সদুত্তর দিতে না পারায়, উৎস ও মালিক নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত টাকাগুলো জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হবে। জেলা আনসার ও ভিডিপির কমান্ড্যান্ট মো. জাহিদুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আটক তিন ব্যক্তি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার হরিয়ালা এলাকার আবু মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন (৪০), ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জুরু মিয়ার ছেলে রাসেল আহম্মেদ (৩২) ও আশুগঞ্জের দুর্গাপুর এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে প্রাইভেট কারচালক জুলহাস মিয়া (৩২)।

শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো স্কুলপড়ুয়া একদল শিক্ষার্থী সাহেপ্রতাপ মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাদের পাশে ছিলেন আনসার-ভিডিপির সদস্যরাও। এ সময় একটি প্রাইভেট কার ভৈরবের দিকে যাচ্ছিল। গাড়ির চালক ও দুই যাত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হলে তাঁরা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে টাকাভর্তি দুটি ব্যাগ পান। এরপর পাশে থাকা আনসার সদস্যদের ডেকে আনেন শিক্ষার্থীরা। প্রাইভেট কারের যাত্রীদের কাছে টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানানো হলে একদল সেনাসদস্য গিয়ে টাকা, গাড়িসহ তিনজনকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব সারার অভির উপস্থিতিতে টাকা গণনা করা হয়। গণনা শেষে সেখানে ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে টাকার উৎস ও মালিক সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এনডিসি শিহাব সারার অভি বলেন, শিক্ষার্থীরা ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ তিনজনকে আনসার সদস্যদের মাধ্যমে আটক করেন। উৎস ও মালিক সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত টাকাগুলো জেলা ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হবে। আটক তিনজনের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।