সোমবার | ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার Logo নোবিপ্রবিতে কোটি টাকার প্রকল্পে ছাত্রদল নেতাদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ Logo পলাশবাড়ী উপজেলায় ৭১ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অতিগুরুত্বপুর্ন ১১ টি ও সাধারণ ৬০ টি ভোট কেন্দ্র নির্দ্ধারন Logo বাঁধন খুলনা জোনের বার্ষিক সাধারণ সভা: নতুন নেতৃত্বে শরিফুল ও আতিকুল Logo খুবিতে কয়রা ম্যানগ্রোভ ফ্যামিলির নেতৃত্বে আরেফিন–সাবির Logo মির্জাপুরে চিত্রনায়ক ডি এ তায়েবের মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo বীরগঞ্জে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত Logo অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য করতে সকল গণমাধ্যম কর্মীদের  সহযোগিতা চাইলেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার  Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে চাঁদপুরে জেলা জুয়েলার্স সমিতির অভিষেক ও ফ্যামিলি ডে অনুষ্ঠিত Logo পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন চাঁদপুর জেলা কারাগারের ২ নারীসহ ৩৩ কয়েদি

গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ২ লাখ : ল্যানসেট

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • ৭৬৪ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় গত ৯ মাস ধরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চলমান অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। খবর আল জাজিরার।

তবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গবেষণা ও পিআর-রিভিউ সাময়িকী ল্যানসেটের দাবি, ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি। সম্প্রতি ল্যানসেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদেন এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, দাপ্তরিক ভাবে ৩৮ হাজারের অধিক নিহতের যে সংখ্যা প্রচার করা হচ্ছে, সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর ধ্বংস্তূপের নীচে চাপা পড়া এবং গাজায় গত ৯ মাসে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃতদের হিসাবে ধরা হয়নি।

যদি এদেরকে ধরে নিয়তের হিসাব করা হয়, তাহলে মোট নিহতের সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি বা প্রায় দু’লাখে পৌঁছাবে।

ল্যানসেটের প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ বাঁধলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় খাদ্য সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। ফলে যুদ্ধের সময় যারা গুলি বা গোলার আঘাতে সরাসরি নিহত হন, তাদের তুলনায় খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃতের সংখ্যা থাকে বেশি। গত ৯ মাসে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজায় যে ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, তাতে এই মুহূর্তে যদি যুদ্ধ বন্ধও হয়— তাহলেও আরও বেশ কিছুদিন গাজায় মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত থাকবে।

“আধুনিক যুগের যুদ্ধ-সংঘাতে গুলি বা গোলার আঘাতে যত মানুষ সরাসরি নিহত হন, পরোক্ষভাবে পরোক্ষভাবে নিহত হন তারচেয়ে তিনগুণ বা ১৫ গুণ বেশি মানুষ। একটি সাধারণ স্বীকৃত সিদ্ধান্ত হলো— প্রতি একজন সরাসরি নিহতের সঙ্গে পরোক্ষ নিহতের সংখ্যা থাকে অন্তত ৪ জন। আমরা এই হিসাবই এখানে প্রয়োগ করেছি,” বলা হয়েছে ল্যানসেটের প্রতিবেদনে।

আরও বলা হয়েছে, গাজার মোট জনসংখ্যা ২৩ লাখ এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চলামন  অভিযানে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা হিসেবে ধরলে বলা যায়,  শতকরা হিসেবে গত ৯ মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন সেখানকার মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ।

‘যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব এবং বিবদমান পক্ষগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জানা জরুরি। আইনগত দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ,” বলেছে ল্যানসেট।

ট্যাগস :

ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ২ লাখ : ল্যানসেট

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় গত ৯ মাস ধরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চলমান অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। খবর আল জাজিরার।

তবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গবেষণা ও পিআর-রিভিউ সাময়িকী ল্যানসেটের দাবি, ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি। সম্প্রতি ল্যানসেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদেন এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, দাপ্তরিক ভাবে ৩৮ হাজারের অধিক নিহতের যে সংখ্যা প্রচার করা হচ্ছে, সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর ধ্বংস্তূপের নীচে চাপা পড়া এবং গাজায় গত ৯ মাসে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃতদের হিসাবে ধরা হয়নি।

যদি এদেরকে ধরে নিয়তের হিসাব করা হয়, তাহলে মোট নিহতের সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি বা প্রায় দু’লাখে পৌঁছাবে।

ল্যানসেটের প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ বাঁধলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় খাদ্য সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। ফলে যুদ্ধের সময় যারা গুলি বা গোলার আঘাতে সরাসরি নিহত হন, তাদের তুলনায় খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে মৃতের সংখ্যা থাকে বেশি। গত ৯ মাসে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজায় যে ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, তাতে এই মুহূর্তে যদি যুদ্ধ বন্ধও হয়— তাহলেও আরও বেশ কিছুদিন গাজায় মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত থাকবে।

“আধুনিক যুগের যুদ্ধ-সংঘাতে গুলি বা গোলার আঘাতে যত মানুষ সরাসরি নিহত হন, পরোক্ষভাবে পরোক্ষভাবে নিহত হন তারচেয়ে তিনগুণ বা ১৫ গুণ বেশি মানুষ। একটি সাধারণ স্বীকৃত সিদ্ধান্ত হলো— প্রতি একজন সরাসরি নিহতের সঙ্গে পরোক্ষ নিহতের সংখ্যা থাকে অন্তত ৪ জন। আমরা এই হিসাবই এখানে প্রয়োগ করেছি,” বলা হয়েছে ল্যানসেটের প্রতিবেদনে।

আরও বলা হয়েছে, গাজার মোট জনসংখ্যা ২৩ লাখ এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চলামন  অভিযানে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা হিসেবে ধরলে বলা যায়,  শতকরা হিসেবে গত ৯ মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন সেখানকার মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ।

‘যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব এবং বিবদমান পক্ষগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জানা জরুরি। আইনগত দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ,” বলেছে ল্যানসেট।