শনিবার | ৪ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না

ঝিনাইদহে শিক্ষা কর্মকর্তার চিঠিতে ২২ ভুল!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:১৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২ আগস্ট ২০১৯
  • ৭৫০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা সাবলিলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। বিদ্যালয়টি পরিদর্শনকালে বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের নজরে আসে। অফিসে ফিরে তিনি ৩১ জুলাই ওই প্রাইমারি স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্তের চিঠি দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে। কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সেই চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। এই নিয়ে ঝিনাইদহের শিক্ষক মহলে একদিকে যেমন চলছে হাসাহাসি, অন্যদিকে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসিয়াল চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। অনেক শিক্ষক বরখাস্ত করার চিঠি নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করে লিখেছেন,‘বিচারপতির বিচার কে করবেন?’ কামরুল হাসান নামের এক শিক্ষক লিখেছেন, ‘যে ইংরেজির জন্য শিক্ষককে বরখাস্ত করা হলো, সেই ইংরেজির একটি শব্দের বানান বরখাস্তকারী কর্মকর্তাও তাঁর চিঠিতে ভুল লিখেছেন। এমনকি চিঠিতে অনেক বাংলা শব্দের বানান ভুল আছে। বানান শুদ্ধ না করে চিঠি স্বাক্ষর কি কর্তব্য অবহেলা নয়? এজন্য ওই প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কী ধরনের শাস্তিত হওয়া উচিত?’ জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রেরিত ১১০৭ নং স্মারকে পাঠানো চিঠিতে দেখা গেছে ইংরেজিতে ঈধযঢ়ঃবৎ বানানটি এ ভাবে লেখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বানানটি হবে ঈযধঢ়ঃবৎ। চিঠিতে ইংরেজি বানান ইংরেজী, আপিল বানান আপীল, অসদাচরণ বানান অসাদাচরণ, শ্রেণি বানান শ্রেণী, বরখাস্তকালীন বানান বরখাস্তকালনীনসহ এরূপ ২২টি বানান ভুল লেখা হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান ঈযধঢ়ঃবৎ বানানটিই ভুল লিখেছেন। অথচ ইংরেজি বিষয় নিয়েই ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাতে মারাত্মক ভুল আছে ৫টি। এ ছাড়া ব্যাকরণগত ও মাত্রাগত ভুল রয়েছে ১৭টি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান চিঠিতে ভুলের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ব্যস্ততার কারণে আমি ভুলেভরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলাম। গতকাল সেটি সংশোধন করে স্মারক নম্বর ঠিক রেখে নির্ভুল চিঠি পাঠানো হয়েছে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের

ঝিনাইদহে শিক্ষা কর্মকর্তার চিঠিতে ২২ ভুল!

আপডেট সময় : ১০:৩০:১৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২ আগস্ট ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা সাবলিলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। বিদ্যালয়টি পরিদর্শনকালে বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের নজরে আসে। অফিসে ফিরে তিনি ৩১ জুলাই ওই প্রাইমারি স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্তের চিঠি দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে। কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সেই চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। এই নিয়ে ঝিনাইদহের শিক্ষক মহলে একদিকে যেমন চলছে হাসাহাসি, অন্যদিকে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসিয়াল চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। অনেক শিক্ষক বরখাস্ত করার চিঠি নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করে লিখেছেন,‘বিচারপতির বিচার কে করবেন?’ কামরুল হাসান নামের এক শিক্ষক লিখেছেন, ‘যে ইংরেজির জন্য শিক্ষককে বরখাস্ত করা হলো, সেই ইংরেজির একটি শব্দের বানান বরখাস্তকারী কর্মকর্তাও তাঁর চিঠিতে ভুল লিখেছেন। এমনকি চিঠিতে অনেক বাংলা শব্দের বানান ভুল আছে। বানান শুদ্ধ না করে চিঠি স্বাক্ষর কি কর্তব্য অবহেলা নয়? এজন্য ওই প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কী ধরনের শাস্তিত হওয়া উচিত?’ জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রেরিত ১১০৭ নং স্মারকে পাঠানো চিঠিতে দেখা গেছে ইংরেজিতে ঈধযঢ়ঃবৎ বানানটি এ ভাবে লেখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বানানটি হবে ঈযধঢ়ঃবৎ। চিঠিতে ইংরেজি বানান ইংরেজী, আপিল বানান আপীল, অসদাচরণ বানান অসাদাচরণ, শ্রেণি বানান শ্রেণী, বরখাস্তকালীন বানান বরখাস্তকালনীনসহ এরূপ ২২টি বানান ভুল লেখা হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান ঈযধঢ়ঃবৎ বানানটিই ভুল লিখেছেন। অথচ ইংরেজি বিষয় নিয়েই ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাতে মারাত্মক ভুল আছে ৫টি। এ ছাড়া ব্যাকরণগত ও মাত্রাগত ভুল রয়েছে ১৭টি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান চিঠিতে ভুলের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ব্যস্ততার কারণে আমি ভুলেভরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলাম। গতকাল সেটি সংশোধন করে স্মারক নম্বর ঠিক রেখে নির্ভুল চিঠি পাঠানো হয়েছে।’