খুলনায় “লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার: এমপাওয়ারিং ইয়ুথ ভয়েসেস ২.০” প্রজেক্টের আওতায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (৩১ মার্চ) খুলনার ব্লু অর্কিডে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এই কার্যক্রমটি ওয়েভ ফাউন্ডেশন এবং ডি ডব্লিউ একাডেমির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত “লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার: এমপাওয়ারিং ইয়ুথ ভয়েসেস ২.০” প্রকল্পের অংশ, যা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং জার্মান সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ক্লাব যথাক্রমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, নৈয়ায়িক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব ও টুয়ার্ড সাস্টেইনাবিলিটি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজির জেএমসি ক্লাব প্রতিনিধিরা।
মতবিনিময় সভায় ওয়েভ ফাউন্ডেশনেট প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেট্রি বলেন, “এই প্রকল্প তরুণদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে এবং তাদেরকে নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করছে।”
তিনি আরও জানান, বর্তমান সময়ে গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রতিরোধে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের ফ্যাক্ট-চেকিং দক্ষতা বৃদ্ধি, মিডিয়া লিটারেসি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা সময়ের দাবি।
উপস্থিত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ জোবায়ের হোসাইন বলেন, “আমি এরকম উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। ক্লাব মুক্ত চিন্তার জায়গা।শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেদেরকে সচেতন করে তুলতে হবে। একাডেমিক পড়ালেখার দিকেও নজর রাখতে হবে। কোন কিছুতেই পিছিয়ে পড়লে চলবে না।”
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের কমিউনিকেশন এন্ড ষ্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট মোঃ সাইফুর রহমান জানান, তরুণদের মধ্যে তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা বাড়ানো গেলে গুজব প্রতিরোধে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের রিসার্স এন্ড ডকুমেন্টেশন স্পেশালিষ্ট সাজ্জাতুল করিম বলেন, “গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।”
অংশগ্রহণকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অনুপ্রাণিত করছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, “লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার” প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুবসমাজ, সিভিল সোসাইটি এবং আঞ্চলিক গণমাধ্যমের মধ্যে সংলাপ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, সচেতন এবং গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।



















































