রবিবার | ৫ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নতুন সময়সূচিতে চলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস Logo খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করব : মির্জা ফখরুল Logo বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজারে প্রসূতির মৃত্যু, কর্তৃপক্ষ পলাতক Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা

বিদেশে গিয়ে প্রতারণার শিকার যুবক!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:২৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ জুন ২০১৯
  • ৭৩৯ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার কৃষ্ণপুরের দেলোয়ারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কৃষ্ণপুরের দালাল দেলোয়ারের বিরুদ্ধে সালাউদ্দিন নামের এক যুবককে বিদেশে পাঠিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে৷ গত ২ বছর আগে দালাল দেলোয়ার ফ্রি ভিসায় সৌদি আরবে পাঠালেও তারপর থেকে কোন যোগাযোগ নেই বলে অভিযোগ করেন সালাউদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় একটি মামলা করলেও মামলাটি তুলে নিতে পাল্টা মামলা ও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকিসহ সালাউদ্দীনের পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে দেলোয়ারসহ তার সহযোগীরা।
সালাউদ্দিনের ভাই রাজ্জাক বলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ওনর কৃষ্ণপুর গ্রামের বোয়ালমারীপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দুলাল ২৪ মাস আগে আমার ছোট ভাই সালাউদ্দীনকে ফ্রি ভিসার মাধ্যমে ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে সৌদি আরবে পাঠাই। এরপর থেকে সালাউদ্দীনের সাথে এখনো কোন প্রকার যোগাযোগ হয়নি আমাদের। এতে দালাল দেলোয়ারের কাছে যোগাযোগ করে দেয়ার কথা বললে এড়িয়ে যায়। পরে বাধ্য হয়ে প্রায় ২ মাস আগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা করে সালাউদ্দীনের পরিবার। এরপর থেকে দেলোয়ার মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে লোক মারফতে হুমকি দিয়ে আসছিল। পরে আবার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের নামে উল্টা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করে দেলোয়ার।
এদিকে এই নিয়ে কয়েকদিন আগে দোস্ত বটতলা বাজারে মন্ডলদের উপস্থিতিতে মীমাংসা জন্য ডাকে দেলোয়ারসহ তার সহযোগীরা। এতে আমরা মীমাংসা না করতে চাইলে আমাকে সহ পরিবারের ৫জনকে মারধর করে সালিশ বৈঠকে। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক করা হয়। তিনি আরো বলেন, আমরা মামলা করেছি। উল্টা পুলিশ আমাদেরকে হয়রানি করছে বারবার। আমার ভাইটা কিভাবে কোথায় আছে কিছুই জানিনা। যাওয়ায় পর থেকে একবারও ফোন দেয়নি। আমাদের পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে আছি। আমার ভাই সালাউদ্দীনকে ফিরে পেতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন সময়সূচিতে চলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস

বিদেশে গিয়ে প্রতারণার শিকার যুবক!

আপডেট সময় : ১২:০৯:২৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ জুন ২০১৯

চুয়াডাঙ্গার কৃষ্ণপুরের দেলোয়ারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কৃষ্ণপুরের দালাল দেলোয়ারের বিরুদ্ধে সালাউদ্দিন নামের এক যুবককে বিদেশে পাঠিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে৷ গত ২ বছর আগে দালাল দেলোয়ার ফ্রি ভিসায় সৌদি আরবে পাঠালেও তারপর থেকে কোন যোগাযোগ নেই বলে অভিযোগ করেন সালাউদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় একটি মামলা করলেও মামলাটি তুলে নিতে পাল্টা মামলা ও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকিসহ সালাউদ্দীনের পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে দেলোয়ারসহ তার সহযোগীরা।
সালাউদ্দিনের ভাই রাজ্জাক বলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ওনর কৃষ্ণপুর গ্রামের বোয়ালমারীপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দুলাল ২৪ মাস আগে আমার ছোট ভাই সালাউদ্দীনকে ফ্রি ভিসার মাধ্যমে ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে সৌদি আরবে পাঠাই। এরপর থেকে সালাউদ্দীনের সাথে এখনো কোন প্রকার যোগাযোগ হয়নি আমাদের। এতে দালাল দেলোয়ারের কাছে যোগাযোগ করে দেয়ার কথা বললে এড়িয়ে যায়। পরে বাধ্য হয়ে প্রায় ২ মাস আগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা করে সালাউদ্দীনের পরিবার। এরপর থেকে দেলোয়ার মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে লোক মারফতে হুমকি দিয়ে আসছিল। পরে আবার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের নামে উল্টা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করে দেলোয়ার।
এদিকে এই নিয়ে কয়েকদিন আগে দোস্ত বটতলা বাজারে মন্ডলদের উপস্থিতিতে মীমাংসা জন্য ডাকে দেলোয়ারসহ তার সহযোগীরা। এতে আমরা মীমাংসা না করতে চাইলে আমাকে সহ পরিবারের ৫জনকে মারধর করে সালিশ বৈঠকে। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক করা হয়। তিনি আরো বলেন, আমরা মামলা করেছি। উল্টা পুলিশ আমাদেরকে হয়রানি করছে বারবার। আমার ভাইটা কিভাবে কোথায় আছে কিছুই জানিনা। যাওয়ায় পর থেকে একবারও ফোন দেয়নি। আমাদের পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে আছি। আমার ভাই সালাউদ্দীনকে ফিরে পেতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।