বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

নারায়ণগঞ্জে আসামি ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ : নিহত ১

  • আপডেট সময় : ০১:০৯:০৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৯
  • ৭৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আসামি ধরতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছে পুলিশ, আসামিপক্ষের লোকজন ও গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।শনিবার রাতে বন্দর উপজেলার চানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আশিকুর রহমান বাবুল (২২)। তার বাড়ি কুমিল্লার বাইতোলা গ্রামে। আহত লোকজনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশের একটি দল উপজেলার মদনপুরের চানপুর এলাকায় আসামি ধরতে যায়। এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য খলিলুর রহমানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এবং মামলার আসামি দীপু ও সুজনকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে দীপু ও সুজনের সহযোগীসহ এলাকার লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে ও সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে দীপু ও সুজনকে ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী, কনস্টেবল দেবাশীষ, মনোয়ার, মোহনসহ ১৫ জন আহত হন। পুলিশের ছোড়া গুলিতে আশিকুর রহমান নামের ওই যুবক প্রথমে গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত লোকজনকে উদ্ধার করে এবং রিফাত ও নূরনবী নামের দুজনকে আটক করে। সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয় লোকজন পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাঁকা গুলি ছোড়ে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাহরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ মামলার ২ আসামিকে ধরতে গেলে আসামি ও এলাকার লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালান এবং তারা পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের ১৫টি গুলি ছোড়ে। পুলিশ এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

নারায়ণগঞ্জে আসামি ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ : নিহত ১

আপডেট সময় : ০১:০৯:০৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আসামি ধরতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছে পুলিশ, আসামিপক্ষের লোকজন ও গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।শনিবার রাতে বন্দর উপজেলার চানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আশিকুর রহমান বাবুল (২২)। তার বাড়ি কুমিল্লার বাইতোলা গ্রামে। আহত লোকজনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশের একটি দল উপজেলার মদনপুরের চানপুর এলাকায় আসামি ধরতে যায়। এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য খলিলুর রহমানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এবং মামলার আসামি দীপু ও সুজনকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে দীপু ও সুজনের সহযোগীসহ এলাকার লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে ও সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে দীপু ও সুজনকে ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী, কনস্টেবল দেবাশীষ, মনোয়ার, মোহনসহ ১৫ জন আহত হন। পুলিশের ছোড়া গুলিতে আশিকুর রহমান নামের ওই যুবক প্রথমে গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত লোকজনকে উদ্ধার করে এবং রিফাত ও নূরনবী নামের দুজনকে আটক করে। সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয় লোকজন পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাঁকা গুলি ছোড়ে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাহরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ মামলার ২ আসামিকে ধরতে গেলে আসামি ও এলাকার লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালান এবং তারা পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের ১৫টি গুলি ছোড়ে। পুলিশ এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে।