মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য Logo ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

নান্দাইলে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ ও শিশু ধর্ষণের চেষ্টা

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • ৭৭৯ বার পড়া হয়েছে

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইলে ছয় বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা ও পোশাক কারখানার এক কর্মীকে (১৬) ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সন্ধ্যায় ও রাতে ঘটনা দুইটি ঘটে। পুলিশ গার্মেন্টস কর্মীকে এক গ্রামপুলিশের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামপুলিশসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে মামলা নেয় ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় পরিবারের লোকজন থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেছে। স্থানীয় সূত্র ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের লোকজন জানান, উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের গার্মেন্টসকর্মী বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) কর্মস্থল থেকে ছুটি পেয়ে নানীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। রোববার রাতে মেয়েটির পূর্ব পরিচিত উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের অরণ্যপাশা গ্রামের রাজু আহমেদ (২৫) মেয়েটিকে ডেকে অনতিদূরে অবস্থিত গ্রামপুলিশ সদস্য রুবেল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। রাজু সেখানে মেয়েটিকে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণ করে ওই বাড়িতে আটকে রাখে। সেখানে রাজুকে সহযোগিতা করে আরো চারজন। এ ঘটনায় রাজু আহমেদ ছাড়াও জুয়েল ওরফে রাসেল(২২),সাইফুল ইসলাম(২২), গ্রাম পুলিশ রুবেল মিয়া(২৫) ও রানা মিয়া(২২)কে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা হয়েছে। উপপরিদর্শক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এ দিকে নান্দাইল সদর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ছয় বছর বয়সের শিশুটির বাড়ি। পরিবারের লোকজন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে পড়ানোর কথা বলে নিজবাড়িতে নিয়ে যায় পাশের প্রতিবেশী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের মো. আব্দুল হক (৫৫)। কিছুক্ষণ পর ওই বাড়ি থেকে শিশুর চিৎকার ভেসে এলে প্রতিবেশীরা সেখানে গিয়ে নির্যাতনের ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে ঘটনাটি মীমাংসা করার জন্য গভীর রাত অবধি একটি চক্র চেষ্টা চালায়। কিন্তু মেয়ের বাবা কোনো মীমাংসা না মেনে মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটিকে নিয়ে থানা যান। রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত নান্দাইল মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

নান্দাইলে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ ও শিশু ধর্ষণের চেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:৪২:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইলে ছয় বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা ও পোশাক কারখানার এক কর্মীকে (১৬) ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সন্ধ্যায় ও রাতে ঘটনা দুইটি ঘটে। পুলিশ গার্মেন্টস কর্মীকে এক গ্রামপুলিশের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামপুলিশসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে মামলা নেয় ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় পরিবারের লোকজন থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেছে। স্থানীয় সূত্র ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের লোকজন জানান, উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের গার্মেন্টসকর্মী বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) কর্মস্থল থেকে ছুটি পেয়ে নানীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। রোববার রাতে মেয়েটির পূর্ব পরিচিত উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের অরণ্যপাশা গ্রামের রাজু আহমেদ (২৫) মেয়েটিকে ডেকে অনতিদূরে অবস্থিত গ্রামপুলিশ সদস্য রুবেল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। রাজু সেখানে মেয়েটিকে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণ করে ওই বাড়িতে আটকে রাখে। সেখানে রাজুকে সহযোগিতা করে আরো চারজন। এ ঘটনায় রাজু আহমেদ ছাড়াও জুয়েল ওরফে রাসেল(২২),সাইফুল ইসলাম(২২), গ্রাম পুলিশ রুবেল মিয়া(২৫) ও রানা মিয়া(২২)কে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা হয়েছে। উপপরিদর্শক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এ দিকে নান্দাইল সদর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ছয় বছর বয়সের শিশুটির বাড়ি। পরিবারের লোকজন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে পড়ানোর কথা বলে নিজবাড়িতে নিয়ে যায় পাশের প্রতিবেশী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের মো. আব্দুল হক (৫৫)। কিছুক্ষণ পর ওই বাড়ি থেকে শিশুর চিৎকার ভেসে এলে প্রতিবেশীরা সেখানে গিয়ে নির্যাতনের ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে ঘটনাটি মীমাংসা করার জন্য গভীর রাত অবধি একটি চক্র চেষ্টা চালায়। কিন্তু মেয়ের বাবা কোনো মীমাংসা না মেনে মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটিকে নিয়ে থানা যান। রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত নান্দাইল মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।