শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ১৭ জানুয়ারি বায়রার ভোট গ্রহণ: সিন্ডিকেট মুক্ত বায়রা গঠনে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টকে জয়যুক্ত করার আহ্বান Logo ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আগুন, অগ্নি দগ্ধ শিশু Logo ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ

নান্দাইলে ভারী বর্ষণে কৃষকের পাকা ধান তলিয়ে গেছে, কৃষকের মাথায় হাত

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ মে ২০১৮
  • ৮৪৯ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নীচু জায়গার বিল ও হাওরের জমিতে লাগানো বোরো পাকা ধান টানা দুই দিনের ভারী বর্ষনে তলিয়ে গেছে। ফলে ওই জমির কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় এখন দিশেহারা অবস্থা। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার যোগের হাওড়, দলিঘাট বিল, রামহুন্নী বিল, ঝালিয়া বিল, ধরগাঁও বিল সহ অনেক জমির ফসলি পাকা ধান তলিয়ে গেছে। উপজেলার নীচু এলাকার প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে এই বোরো ধান আবাদ হয়েছিল। অল্প সময়ের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিক সংকট থাকায় পাকা ফসল কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিক পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত মজুরি হাকার কারণে তাদের ধান কাটার কাজে লাগানো যাচ্ছে না। আর পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কচুরিপানায় ঘিরে ফেলেছে। কোনো কোনো কৃষককে কোমর পানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে। তবে অনেকেই তাদের তলিয়ে যাওয়া ফসলের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। ফসল হারিয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক মোশারফ হোসেন বলেন, “কোমর পানিতে ধান কেটে শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে যায় বলে একটু মুজুরী বেশীই নিতে হয়।” অপরদিকে কৃষক মোমেন জানান, “শ্রমিক সংকটের কারনে মুজুরী বেশী হলেও কিছু করার নেই পাকা ধানতো ঘরে তুলতে হবে। তারউপর আবার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে এতে আরো সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।” কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “উচু জমির ফসলি ধান কাটতে কাঠা প্রতি দিতে হতো ৬শত টাকা থেকে ৭শত টাকা এখন পানিতে তলিয়ে যাওয়া দিতে হচ্ছে ৭শত টাকা থেকে ৯শত টাকা পর্যন্ত।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, উপজেলার নদী ও পরিত্যক্ত খালগুলো পুন: খননের ব্যবস্থা করা হলে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ক্ষতি এড়ানো সম্ভবপর হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

নান্দাইলে ভারী বর্ষণে কৃষকের পাকা ধান তলিয়ে গেছে, কৃষকের মাথায় হাত

আপডেট সময় : ০৯:০৯:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ মে ২০১৮

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নীচু জায়গার বিল ও হাওরের জমিতে লাগানো বোরো পাকা ধান টানা দুই দিনের ভারী বর্ষনে তলিয়ে গেছে। ফলে ওই জমির কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় এখন দিশেহারা অবস্থা। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার যোগের হাওড়, দলিঘাট বিল, রামহুন্নী বিল, ঝালিয়া বিল, ধরগাঁও বিল সহ অনেক জমির ফসলি পাকা ধান তলিয়ে গেছে। উপজেলার নীচু এলাকার প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে এই বোরো ধান আবাদ হয়েছিল। অল্প সময়ের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিক সংকট থাকায় পাকা ফসল কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিক পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত মজুরি হাকার কারণে তাদের ধান কাটার কাজে লাগানো যাচ্ছে না। আর পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কচুরিপানায় ঘিরে ফেলেছে। কোনো কোনো কৃষককে কোমর পানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে। তবে অনেকেই তাদের তলিয়ে যাওয়া ফসলের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। ফসল হারিয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক মোশারফ হোসেন বলেন, “কোমর পানিতে ধান কেটে শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে যায় বলে একটু মুজুরী বেশীই নিতে হয়।” অপরদিকে কৃষক মোমেন জানান, “শ্রমিক সংকটের কারনে মুজুরী বেশী হলেও কিছু করার নেই পাকা ধানতো ঘরে তুলতে হবে। তারউপর আবার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে এতে আরো সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।” কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “উচু জমির ফসলি ধান কাটতে কাঠা প্রতি দিতে হতো ৬শত টাকা থেকে ৭শত টাকা এখন পানিতে তলিয়ে যাওয়া দিতে হচ্ছে ৭শত টাকা থেকে ৯শত টাকা পর্যন্ত।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, উপজেলার নদী ও পরিত্যক্ত খালগুলো পুন: খননের ব্যবস্থা করা হলে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ক্ষতি এড়ানো সম্ভবপর হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।