শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

নান্দাইলে ভারী বর্ষণে কৃষকের পাকা ধান তলিয়ে গেছে, কৃষকের মাথায় হাত

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ মে ২০১৮
  • ৮৫১ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নীচু জায়গার বিল ও হাওরের জমিতে লাগানো বোরো পাকা ধান টানা দুই দিনের ভারী বর্ষনে তলিয়ে গেছে। ফলে ওই জমির কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় এখন দিশেহারা অবস্থা। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার যোগের হাওড়, দলিঘাট বিল, রামহুন্নী বিল, ঝালিয়া বিল, ধরগাঁও বিল সহ অনেক জমির ফসলি পাকা ধান তলিয়ে গেছে। উপজেলার নীচু এলাকার প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে এই বোরো ধান আবাদ হয়েছিল। অল্প সময়ের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিক সংকট থাকায় পাকা ফসল কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিক পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত মজুরি হাকার কারণে তাদের ধান কাটার কাজে লাগানো যাচ্ছে না। আর পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কচুরিপানায় ঘিরে ফেলেছে। কোনো কোনো কৃষককে কোমর পানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে। তবে অনেকেই তাদের তলিয়ে যাওয়া ফসলের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। ফসল হারিয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক মোশারফ হোসেন বলেন, “কোমর পানিতে ধান কেটে শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে যায় বলে একটু মুজুরী বেশীই নিতে হয়।” অপরদিকে কৃষক মোমেন জানান, “শ্রমিক সংকটের কারনে মুজুরী বেশী হলেও কিছু করার নেই পাকা ধানতো ঘরে তুলতে হবে। তারউপর আবার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে এতে আরো সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।” কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “উচু জমির ফসলি ধান কাটতে কাঠা প্রতি দিতে হতো ৬শত টাকা থেকে ৭শত টাকা এখন পানিতে তলিয়ে যাওয়া দিতে হচ্ছে ৭শত টাকা থেকে ৯শত টাকা পর্যন্ত।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, উপজেলার নদী ও পরিত্যক্ত খালগুলো পুন: খননের ব্যবস্থা করা হলে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ক্ষতি এড়ানো সম্ভবপর হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান

নান্দাইলে ভারী বর্ষণে কৃষকের পাকা ধান তলিয়ে গেছে, কৃষকের মাথায় হাত

আপডেট সময় : ০৯:০৯:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ মে ২০১৮

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নীচু জায়গার বিল ও হাওরের জমিতে লাগানো বোরো পাকা ধান টানা দুই দিনের ভারী বর্ষনে তলিয়ে গেছে। ফলে ওই জমির কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় এখন দিশেহারা অবস্থা। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার যোগের হাওড়, দলিঘাট বিল, রামহুন্নী বিল, ঝালিয়া বিল, ধরগাঁও বিল সহ অনেক জমির ফসলি পাকা ধান তলিয়ে গেছে। উপজেলার নীচু এলাকার প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে এই বোরো ধান আবাদ হয়েছিল। অল্প সময়ের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিক সংকট থাকায় পাকা ফসল কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিক পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত মজুরি হাকার কারণে তাদের ধান কাটার কাজে লাগানো যাচ্ছে না। আর পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কচুরিপানায় ঘিরে ফেলেছে। কোনো কোনো কৃষককে কোমর পানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে। তবে অনেকেই তাদের তলিয়ে যাওয়া ফসলের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। ফসল হারিয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক মোশারফ হোসেন বলেন, “কোমর পানিতে ধান কেটে শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে যায় বলে একটু মুজুরী বেশীই নিতে হয়।” অপরদিকে কৃষক মোমেন জানান, “শ্রমিক সংকটের কারনে মুজুরী বেশী হলেও কিছু করার নেই পাকা ধানতো ঘরে তুলতে হবে। তারউপর আবার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে এতে আরো সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।” কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “উচু জমির ফসলি ধান কাটতে কাঠা প্রতি দিতে হতো ৬শত টাকা থেকে ৭শত টাকা এখন পানিতে তলিয়ে যাওয়া দিতে হচ্ছে ৭শত টাকা থেকে ৯শত টাকা পর্যন্ত।” উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, উপজেলার নদী ও পরিত্যক্ত খালগুলো পুন: খননের ব্যবস্থা করা হলে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ক্ষতি এড়ানো সম্ভবপর হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।