শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

বন্যপ্রাণী পাচারের তালিকায় বাংলাদেশ!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বন্যপ্রাণী পাচারে বিশ্বজুড়ে ২৬টি ‘ফোকাস’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসে এ তালিকা সম্বলিত একটি প্রতিবেদন উত্থাপন করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দফতর।

যেসব দেশে থেকে বন্যপ্রাণী পাচার, বন্যপ্রাণী পাচারের পথ বা রুট হিসেবে ভূখণ্ড ব্যবহার অথবা যে দেশে পাচার হওয়া বন্যপ্রাণী ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের নিয়ে ফোকাস দেশের তালিকা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে কঙ্গো, লাওস ও মাদাগাস্কারের বন্য প্রাণী পাচার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

দেশটির কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে ওই প্রতিবেদনটি শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আগামী চার বছর ২৬টি দেশের বন্য প্রাণী পাচার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

২৬টি দেশে ফোকাস তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, চীন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গ্যাবন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, লাওস, মাদাগাস্কার, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, উগান্ডা, আরব আমিরাত ও ভিয়েতনাম।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্যপ্রাণী পাচার রোধ আইন-২০১৬ অনুযায়ী এই প্রথম মার্কিন কংগ্রেসে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পররাষ্ট্র দফতর। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। নির্বাহী আদেশে প্রধান চারটি বিষয়ের একটি হলো বন্যপ্রাণী পাচার রোধ।

এর আগে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে বাংলাদেশে বাঘ হত্যা ও পাচার নিয়ে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে দুটি প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তুলে দেয়। সেখানে বাঘ হত্যা ও পাচারের সঙ্গে প্রভাবশালী চক্র জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়।

‘বাংলাদেশ সুন্দরবনে বাঘের বাণিজ্য’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা ৭৬ শতাংশ কমে গেছে। পেশাদার বন্যপ্রাণী শিকারি একটি চক্র বাঘ হত্যা করে তা ভারতে পাচার করছে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

বন্যপ্রাণী পাচারের তালিকায় বাংলাদেশ!

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বন্যপ্রাণী পাচারে বিশ্বজুড়ে ২৬টি ‘ফোকাস’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসে এ তালিকা সম্বলিত একটি প্রতিবেদন উত্থাপন করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দফতর।

যেসব দেশে থেকে বন্যপ্রাণী পাচার, বন্যপ্রাণী পাচারের পথ বা রুট হিসেবে ভূখণ্ড ব্যবহার অথবা যে দেশে পাচার হওয়া বন্যপ্রাণী ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের নিয়ে ফোকাস দেশের তালিকা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে কঙ্গো, লাওস ও মাদাগাস্কারের বন্য প্রাণী পাচার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

দেশটির কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে ওই প্রতিবেদনটি শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আগামী চার বছর ২৬টি দেশের বন্য প্রাণী পাচার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

২৬টি দেশে ফোকাস তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, চীন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গ্যাবন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, লাওস, মাদাগাস্কার, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, উগান্ডা, আরব আমিরাত ও ভিয়েতনাম।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্যপ্রাণী পাচার রোধ আইন-২০১৬ অনুযায়ী এই প্রথম মার্কিন কংগ্রেসে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পররাষ্ট্র দফতর। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। নির্বাহী আদেশে প্রধান চারটি বিষয়ের একটি হলো বন্যপ্রাণী পাচার রোধ।

এর আগে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে বাংলাদেশে বাঘ হত্যা ও পাচার নিয়ে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে দুটি প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তুলে দেয়। সেখানে বাঘ হত্যা ও পাচারের সঙ্গে প্রভাবশালী চক্র জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়।

‘বাংলাদেশ সুন্দরবনে বাঘের বাণিজ্য’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা ৭৬ শতাংশ কমে গেছে। পেশাদার বন্যপ্রাণী শিকারি একটি চক্র বাঘ হত্যা করে তা ভারতে পাচার করছে।