বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

জার্মানিতে ঐতিহাসিক রেল স্টেশনকে মসজিদে রূপান্তর !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৬ মে ২০১৭
  • ৮০৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

জার্মানির কিছু দাতব্য এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় লুশু (Lüchow) শহরের মুসলিম নাগরিকরা সেদেশের পরিত্যক্ত ঐতিহাসিক একটি রেল স্টেশনকে মসজিদে রূপান্তর করতে যাচ্ছেন।

মাহের মুহানদেস (Maher Mouhandes) নামের এক ব্যক্তি এই পরিকল্পনা করেছেন এবং নতুন ইমাম নিয়োগ না করা পর্যন্ত তিনি এই মসজিদের ইমামতি করবেন।

নতুন মসজিদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে যে মসজিদটি রয়েছে সেখানে মাত্র ১শ’ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

জার্মানিতে মুসলিম শরণার্থীদের আগমনের ফলে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে। এ জন্য মসজিদে মুসল্লিদের স্থান হচ্ছে না। তাছাড়া অন্যান্য শহরের মুসলমানরাও নামাজ আদায়ের জন্য এই মসজিদে আসেন। তাই নতুন মসজিদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

মাহের মুহানদেস আরও বলেন, নতুন মসজিদে নারীদের জন্য পৃথক স্থান থাকবে। মাহের মুহানদেস এক চিকিৎসক। নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসেবে তার বেশ সুনাম রয়েছে। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে এই এলাকায় বসবাস করছেন। বর্তমানে তার বয়স ৬২।

এই চিকিৎসক আরও বলেন, প্রত্যেক মুসলমানের ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। এটা একা আদায় করা যায়, তবে মসজিদে মসজিদে যেয়ে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা উত্তম। এ লক্ষেই মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। মসজিদ নির্মার্ণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন, জমি বরাদ্দ থেকে শুরু করে সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে আছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি জুমার দিন মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজের সূচনা করা হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী রমজান মাসের আগেই মসজিদের সংস্কার কাজ শেষ হবে।

মসজিদটি বেশ কয়েকজন দাতার অর্থায়নে নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া মসজিদ নির্মাণের জন্য যে কোনো ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে পারবেন। ইতোমধ্যে অনেকেই মসজিদ নির্মাণে অর্থ দিয়ে আবার কেউ কেউ ভবন নির্মাণের কাজে সাহায্য করার কথা ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, জার্মানির মুসলিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে লোয়ার স্যাক্সনি (Saxony) অঞ্চলে ১৮০টি মসজিদ রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

জার্মানিতে ঐতিহাসিক রেল স্টেশনকে মসজিদে রূপান্তর !

আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৬ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

জার্মানির কিছু দাতব্য এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় লুশু (Lüchow) শহরের মুসলিম নাগরিকরা সেদেশের পরিত্যক্ত ঐতিহাসিক একটি রেল স্টেশনকে মসজিদে রূপান্তর করতে যাচ্ছেন।

মাহের মুহানদেস (Maher Mouhandes) নামের এক ব্যক্তি এই পরিকল্পনা করেছেন এবং নতুন ইমাম নিয়োগ না করা পর্যন্ত তিনি এই মসজিদের ইমামতি করবেন।

নতুন মসজিদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে যে মসজিদটি রয়েছে সেখানে মাত্র ১শ’ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

জার্মানিতে মুসলিম শরণার্থীদের আগমনের ফলে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে। এ জন্য মসজিদে মুসল্লিদের স্থান হচ্ছে না। তাছাড়া অন্যান্য শহরের মুসলমানরাও নামাজ আদায়ের জন্য এই মসজিদে আসেন। তাই নতুন মসজিদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

মাহের মুহানদেস আরও বলেন, নতুন মসজিদে নারীদের জন্য পৃথক স্থান থাকবে। মাহের মুহানদেস এক চিকিৎসক। নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসেবে তার বেশ সুনাম রয়েছে। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে এই এলাকায় বসবাস করছেন। বর্তমানে তার বয়স ৬২।

এই চিকিৎসক আরও বলেন, প্রত্যেক মুসলমানের ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। এটা একা আদায় করা যায়, তবে মসজিদে মসজিদে যেয়ে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা উত্তম। এ লক্ষেই মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। মসজিদ নির্মার্ণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন, জমি বরাদ্দ থেকে শুরু করে সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে আছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি জুমার দিন মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজের সূচনা করা হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী রমজান মাসের আগেই মসজিদের সংস্কার কাজ শেষ হবে।

মসজিদটি বেশ কয়েকজন দাতার অর্থায়নে নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া মসজিদ নির্মাণের জন্য যে কোনো ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে পারবেন। ইতোমধ্যে অনেকেই মসজিদ নির্মাণে অর্থ দিয়ে আবার কেউ কেউ ভবন নির্মাণের কাজে সাহায্য করার কথা ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, জার্মানির মুসলিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে লোয়ার স্যাক্সনি (Saxony) অঞ্চলে ১৮০টি মসজিদ রয়েছে।