বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

হাসিমুখে কথা বলা নবীর সুন্নত !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৫০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০১৭
  • ৮৩১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সুন্দরভাবে কথা বলা একটা শিল্প। অনেককে দেখি সম্পদ বলতে কিছু নেই। কিন্তু সুন্দরভাবে কথা বলার জন্য মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করে। মানুষ তাকে ভালোবাসে। ইসলাম সুন্দর করে এবং মার্জিত ভাষায় কথা বলাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে। হাদিসে এসেছে, অপরের হক ভালোভাবে আদায় করতে অপারগ হলে অন্তত হাসিমুখে মধুর ভাষায় উত্তম কথা দিয়ে তাকে খুশি রাখ।

ইমাম গাজ্জালী (র.) বলেছেন, বাক্যালাপ মানুষের জন্য আয়নার মতো কেন না, যখন মানুষ কথা বলতে শুরু করে তার মধ্যকার সুপ্ত বিষয়গুলো প্রকাশ পেতে থাকে। তিনি আরও বলেছেন, যারা রসনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম নয়, ধ্বংস তাদের সব সময় হাতছানি দিতে থাকে। তিনি আরও বলেছেন, ভাষা শিক্ষায় মানবজাতির কল্যাণ রয়েছে। ইসলাম তো শুধু আরবদের জন্যই নাজিল হয়নি। রাসূল করিম (স.) বলেছেন, জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন বাক্য মমিনের হারানো সম্পদ।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আপনি আপনার প্রভুর পথে প্রজ্ঞা ও সদুপদেশ দিয়ে আহ্বান করুন, আপনি এমন এক পদ্ধতিতে যুক্তিতর্ক করুন যা সবচেয়ে উৎকৃষ্ট (সূরা নাহল আয়াত ১২৫)। এমনও অনেকে আছেন যারা ধর্মের পথে ডাকেন অথবা ভালোকথাই বলেন, কিন্তু মনে হয় ঝগড়ায় লিপ্ত হয়েছেন। কিন্তু সবারই মনে রাখা দরকার জোরে কতা বলার চেয়ে আস্তে এবং সুন্দর করে বলা কথা মানুষের মনে দাগ কাটে, মনে থাকে বেশি।

ইতিহাসের পাতায় দেখা যায় হজরত মুহাম্মদ (স.)কে বনিসাদ গোত্রে মা হালিমার ঘরে পাঠানোর একটা বড় যুক্তি ছিল। রাসূল যেন সুন্দরভাবে ভাষা শিক্ষা করে আসেন। কারণ বনিসাদের ভাষা তখন খুব শুদ্ধ এবং সুন্দর ছিল। আরও জানা যায়, পবিত্র কোরআন শরিফ খুব সহি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ ভাষায় নাজিল হয়। তখন আরবে সাতটি আরবি ভাষার প্রচলিত রূপ ছিল। এর মধ্যে যে কুরাইশ গোত্রের ভাষাই পাণ্ডিত্যপূর্ণ, সাবলীল এবং মাধুর্য ছিল। তাই এ ভাষায়ই নাজিল হয় পবিত্র কোরআন। এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, সুন্দর এবং মাধুর্যপূর্ণ ভাষায় কথা বলা আল্লাহ এবং তার রাসূলের নির্দেশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

হাসিমুখে কথা বলা নবীর সুন্নত !

আপডেট সময় : ০১:০৩:৫০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সুন্দরভাবে কথা বলা একটা শিল্প। অনেককে দেখি সম্পদ বলতে কিছু নেই। কিন্তু সুন্দরভাবে কথা বলার জন্য মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করে। মানুষ তাকে ভালোবাসে। ইসলাম সুন্দর করে এবং মার্জিত ভাষায় কথা বলাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে। হাদিসে এসেছে, অপরের হক ভালোভাবে আদায় করতে অপারগ হলে অন্তত হাসিমুখে মধুর ভাষায় উত্তম কথা দিয়ে তাকে খুশি রাখ।

ইমাম গাজ্জালী (র.) বলেছেন, বাক্যালাপ মানুষের জন্য আয়নার মতো কেন না, যখন মানুষ কথা বলতে শুরু করে তার মধ্যকার সুপ্ত বিষয়গুলো প্রকাশ পেতে থাকে। তিনি আরও বলেছেন, যারা রসনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম নয়, ধ্বংস তাদের সব সময় হাতছানি দিতে থাকে। তিনি আরও বলেছেন, ভাষা শিক্ষায় মানবজাতির কল্যাণ রয়েছে। ইসলাম তো শুধু আরবদের জন্যই নাজিল হয়নি। রাসূল করিম (স.) বলেছেন, জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন বাক্য মমিনের হারানো সম্পদ।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আপনি আপনার প্রভুর পথে প্রজ্ঞা ও সদুপদেশ দিয়ে আহ্বান করুন, আপনি এমন এক পদ্ধতিতে যুক্তিতর্ক করুন যা সবচেয়ে উৎকৃষ্ট (সূরা নাহল আয়াত ১২৫)। এমনও অনেকে আছেন যারা ধর্মের পথে ডাকেন অথবা ভালোকথাই বলেন, কিন্তু মনে হয় ঝগড়ায় লিপ্ত হয়েছেন। কিন্তু সবারই মনে রাখা দরকার জোরে কতা বলার চেয়ে আস্তে এবং সুন্দর করে বলা কথা মানুষের মনে দাগ কাটে, মনে থাকে বেশি।

ইতিহাসের পাতায় দেখা যায় হজরত মুহাম্মদ (স.)কে বনিসাদ গোত্রে মা হালিমার ঘরে পাঠানোর একটা বড় যুক্তি ছিল। রাসূল যেন সুন্দরভাবে ভাষা শিক্ষা করে আসেন। কারণ বনিসাদের ভাষা তখন খুব শুদ্ধ এবং সুন্দর ছিল। আরও জানা যায়, পবিত্র কোরআন শরিফ খুব সহি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ ভাষায় নাজিল হয়। তখন আরবে সাতটি আরবি ভাষার প্রচলিত রূপ ছিল। এর মধ্যে যে কুরাইশ গোত্রের ভাষাই পাণ্ডিত্যপূর্ণ, সাবলীল এবং মাধুর্য ছিল। তাই এ ভাষায়ই নাজিল হয় পবিত্র কোরআন। এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, সুন্দর এবং মাধুর্যপূর্ণ ভাষায় কথা বলা আল্লাহ এবং তার রাসূলের নির্দেশ।